বাংলাদেশ ও বিশ্ববাজারে সোনার দাম সাম্প্রতিক সময়ের রেকর্ড উচ্চতা স্পর্শ করেছিল। ২৬ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো এক আউন্স সোনার দাম ৫,০০০ ডলার ছাড়িয়ে অল্প সময়ের জন্য ৫,৫০০ ডলার স্পর্শ করেছিল। রুপা ও প্লাটিনামের দামও একই সঙ্গে বেড়েছিল। বাংলাদেশের বাজারে প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ দুই লাখ ৮৬ হাজার টাকা পৌঁছেছিল।
কিন্তু পরবর্তী দুই দিনে ৩০ হাজার টাকার মতো দাম কমেছে। এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত এবং ফেডারেল রিজার্ভের নতুন চেয়ারম্যান মনোনীত হওয়া গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতি, বিশেষ করে অনুকূল না মনে করা দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি, এবং গ্লোবাল রাজনৈতিক অস্থিরতা যেমন ইউক্রেন-গাজা যুদ্ধ ও ভেনেজুয়েলা প্রেসিডেন্টের আটক চেষ্টা বিশ্ববাজারে সোনার দর বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যখন বিশ্ব অর্থনীতি ও ভূরাজনীতি অস্থির থাকে, তখন বিনিয়োগকারীরা সোনাকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে দেখে, যা সোনার মূল্য বাড়ায়। এছাড়া কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বড় বড় প্রতিষ্ঠানও রিজার্ভ হিসেবে সোনা সংগ্রহে আগ্রহী।
সাম্প্রতিক দাম কমার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে ফেডারেল রিজার্ভের স্থিতিশীল ও অভিজ্ঞ চেয়ারম্যান মনোনীত হওয়ার খবর, যা ডলারের ওপর আস্থা ফিরিয়ে দিয়েছে এবং মূল্যবান ধাতুর দামে চাপ সৃষ্টি করেছে।
তবে, বৈশ্বিক রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বাণিজ্যিক অস্থিরতার কারণে সোনার চাহিদা ও দাম সামগ্রিকভাবে এখনও গত বছরের তুলনায় বেশি অবস্থায় রয়েছে।
সূত্র : বিবিসি বাংলা
আরটিভি/এসকে





