ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

‘নগদ’-এর মালিকানায় চোখ ব্যারিস্টার আরমানের

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
ফাইল ছবি

দেশের অন্যতম মোবাইল আর্থিক সেবা ‘নগদ’-এ বিনিয়োগ করতে চাইছেন ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বরাবর নগদের ফরেনসিক অডিট করার আবেদন করেছেন তিনি। গভর্নরের সঙ্গে এ ব্যাপারে একটি বৈঠকও করেছেন তিনি।

ব্যারিস্টার আরমান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে। ২০১৬ সালে তিনি গুমের শিকার হন এবং দীর্ঘ আট বছর ‘আয়নাঘর’-এ বন্দি ছিলেন। জুলাই অভ্যুত্থানের পর মুক্তি পান তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার আরমান। এই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য জমা দেওয়া হলফনামায় নিজের সর্বমোট সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি টাকা উল্লেখ করেছিলেন তিনি।

সব মিলিয়ে নগদে বিনিয়োগের ব্যাপারে ব্যারিস্টার আরমানের আগ্রহ বিভিন্ন মহলে বড় ধরনের কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে। এছাড়া জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিনদিন আগে গভর্নরকে এমন বিনিয়োগের বিষয়ে চিঠি দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। এছাড়া, কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা ব্যতীত এমন বিনিয়োগ, প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারী—উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করছেন আর্থিক খাত বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন

অবশ্য, ব্যারিস্টার আরমান দাবি করছেন, তার পরিচিত বিদেশী বিনিয়োগকারীরাই মূলত এখানে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঠানো চিঠির শুরুতেই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। চিঠিতে তিনি লিখেন, প্রথমেই ‘নগদ ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস’ বিষয়ে আমাকে দেওয়া আপনার মূল্যবান সময় ও গঠনমূলক পরামর্শের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আপনি অবগত আছেন যে ওই বৈঠকটি আমার অনুরোধে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার লাইসেন্স প্রাপ্তির লক্ষ্যে আপনার সহায়তা পাওয়া। দেশের মানুষের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক, ডিজিটাল ও ক্রমবর্ধমান প্রভাবশালী আর্থিক সেবা প্রদানই আমার স্বপ্ন ও লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে কিছু সম্ভাব্য বিদেশি প্রতিনিধিও আমার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন এবং তারা এ ধরনের ব্যবসায় বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

চিঠিতে ব্যারিস্টার আরমান লিখেন, ওই বৈঠকে আমি জানতে পারি যে নগদ ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস পূর্ববর্তী সরকারের সময়কার অব্যবস্থাপনার কারণে বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে রয়েছে। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই (ডিউ ডিলিজেন্স) শেষে এটি নতুন মালিকানা ও ব্যবস্থাপনার কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এমন একটি বিকল্প পেলে তা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের ও বড় সুযোগ হবে।

গভর্নরকে দেওয়া চিঠিতে ব্যারিস্টার আরমান আরও উল্লেখ করেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে তারা মূল্যায়নের (নগদে বিনিয়োগ) পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হতে প্রস্তুত। এর মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ফরেনসিক অডিট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ডিজিটাল আর্থিক সেবাটির আর্থিক, পরিচালনগত ও ব্যবসায়িক অবস্থা সম্পর্কে স্বচ্ছ ও সমন্বিত ধারণা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি এর শক্তি, দুর্বলতা ও ঝুঁকিগুলো নিরূপণ হবে।

ফলে নগদ ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে এর প্রকৃত অবস্থা বোঝার জন্য তাদেরকে একটি ফরেনসিক অডিট পরিচালনার অনুমতি দেওয়ার জন্য গভর্নরের সর্বোচ্চ সহায়তা কামনা করেছেন ব্যারিস্টার আরমান।

এদিকে ‘নগদ’-এর হস্তান্তর প্রক্রিয়াসংক্রান্ত কোনো কিছু সম্পর্কেই জানেন না উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক হিসেবে ‘নগদ’-এর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হলে সেটি আমার জানার কথা। কিন্তু এখন পর্যন্ত গভর্নর স্যার কিংবা অন্য কেউ আমাকে কিছু জানাননি। হয়তো বিষয়টি একেবারেই প্রাথমিক আলাপ-আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।

নগদের মালিকানা হস্তান্তর হলে সেটির প্রক্রিয়া কেমন হতে পারে, সে বিষয়ে আরিফ হোসেন খান বলেন, নগদ-এর মালিকানা হস্তান্তরের বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে সেটির জন্য দরপত্র (টেন্ডার) আহ্বান করতে হবে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দরদাতা মালিকানা পাবে, এটিই প্রচলিত রীতি। টেন্ডার আহ্বান ছাড়া কোনো ব্যক্তিবিশেষের সঙ্গে নগদ-এর মালিকানা হস্তান্তর নিয়ে আলাপ-আলোচনার সুযোগ নেই।

ব্যারিস্টার আরমান ‘নগদ’-এর মালিকানা পেলে বিনিয়োগের অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক।

তিনি বলেন, ব্যারিস্টার আরমান দীর্ঘ সময় গুম ছিলেন, আয়নাঘরে ছিলেন। ফলে, তার এমন বড় আকারের বিনিয়োগ, এ অর্থের উৎস, আইনি ও নীতিগত বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। তিনি ঢাকা-১৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। আমরা চাই, কোনো ব্যক্তির হাত ধরে কোনো প্রতিষ্ঠান আরও বেশি প্রতিষ্ঠিত হোক। কিন্তু প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়ই যাতে কোনো প্রশ্নের মুখোমুখি না হন, সেটাও বিবেচনা করা উচিত।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও নগদ সূত্র জানায়, গত এক বছরে ‘নগদ’-এর মালিকানায় যুক্ত হওয়ার জন্য দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পক্ষ থেকে প্রস্তাব এসেছে। আবার অন্তর্বর্তী সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন পক্ষকে মালিকানায় যুক্ত হওয়ার জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। কিন্তু, কোনো প্রস্তাবই এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আবার ‘নগদ’-এর বর্তমান বাজারমূল্য কত সেটিও কোনো নিরীক্ষার মাধ্যমে বের করা হয়নি।

তবে, বিশ্ববিখ্যাত অডিট প্রতিষ্ঠান কেপিএমজির মাধ্যমে ‘নগদ’-এর সম্পদের মানের ফরেনসিক নিরীক্ষা করিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ‘নগদ’-এর সূত্র জানায়, বর্তমানে প্রতিদিন এমএফএসটির মাধ্যমে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে। গত মাসে (জানুয়ারি) প্রতিষ্ঠানটির মাধ্যমে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪০ হাজার ৩৩০ কোটি টাকা।

আর্থিক খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, নগদের মতো একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানা নেওয়া বা নতুন করে বিনিয়োগ করলে তার আকার হবে বড়। এক্ষেত্রে বিনিয়োগের পরিমাণ হাজার কোটি টাকা ছাড়াতে পারে। অথচ, নির্বাচনি হলফনামা অনুসারে, ব্যারিস্টার আরমানের সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি টাকা। তাই নগদের মতো প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগে তার আগ্রহ তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আবার বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, ‘নগদ’-এর মালিকানা হস্তান্তরের যেসব আলোচনা হচ্ছে, সেগুলোর আইনি কোনো ভিত্তি নেই। কারণ প্রতিষ্ঠানটির শতভাগ শেয়ার এখনো ‘নগদ লিমিটেড’-এর নামে। আর নগদ লিমিটেডের মালিকানায় রয়েছেন পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগ নেতা ও ব্যবসায়ীরা। এখন নগদ লিমিটেড হস্তান্তর করতে হলে আগে এর শেয়ার সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করতে হবে। সরকার বা ডাক বিভাগ যখন প্রতিষ্ঠানটির পূর্ণ মালিকানা পাবে, একমাত্র তখনই এর মালিকানা তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রশ্ন আসবে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারে সোনার দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেই অনুযায়ী, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। সবশেষ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়ায় বাজুস। এর আগে এক দফা দাম বাড়ানো হয়েছিল। দুই দফায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বেড়েছে মোট ২ হাজার ৭৪১ টাকা। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ায় সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্ধারিত সোনার দামের সঙ্গে ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। তবে গহনার নকশা ও মানের ওপর ভিত্তি করে মজুরির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে। এদিকে, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ২০৮ টাকা প্রতি ভরি। অর্থাৎ, আজকের হিসাবে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এর সঙ্গে ভ্যাট ও মজুরি যোগ হলে গহনা কিনতে ক্রেতাকে আরও বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হবে। আরটিভি/ এমএ
আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় চড়া সবজির বাজার
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা লেগেছে রাজধানীর সবজির বাজারে। ব্যবসায়ীদের দাবি, পরিবহণ ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন সবজির দামও বাড়াতে হয়েছে। এতে বাড়তি দামের চাপে পড়েছেন ক্রেতারা।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় চড়া সবজির বাজার
লঞ্চভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানোর দাবি
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় এবার যাত্রীবাহী লঞ্চের ভাড়া ৫১ থেকে ৬০ শতাংশ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রী পরিবহনকারী লঞ্চ মালিকদের সংগঠন।
লঞ্চভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানোর দাবি
জ্বালানির দাম বৃদ্ধি: পথে পথে গণপরিবহনের ভাড়া নৈরাজ্য
দেশের বিভিন্ন রুটে সরকার গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ানোর আগেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় শুরু হয়ে গেছে। সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হওয়া এই নৈরাজ্য এখনও চলছে।
জ্বালানির দাম বৃদ্ধি: পথে পথে গণপরিবহনের ভাড়া নৈরাজ্য
মোংলা বন্দরের রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড করেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্দরের রাজস্ব আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা। বেড়েছে জাহাজ, কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংও। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অডিটোরিয়ামে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বাগেরহাট ও মোংলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৪৭৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭৯ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার টাকা। আগের অর্থবছরের তুলনায় আয় বেড়েছে ৪০৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা, অর্থাৎ ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ সময়ে বন্দরে এসেছে ৮১৫টি জাহাজ। কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে ১ কোটি ২২ লাখ ৫১ হাজার মেট্রিক টন, আর কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ২৯ হাজার ৭১৪ টিইইউজ। এছাড়া আমদানি হয়েছে ১২ হাজার ৭৫টি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি। বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, সক্ষমতা বাড়াতে নতুন সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং কনটেইনার টার্মিনাল ও ইয়ার্ড নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। তবে ১৪৪ কিলোমিটার চ্যানেলের নাব্যতা ধরে রাখা এখনও অন্যতম চ্যালেঞ্জ। চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা আরও জানান, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। আরটিভি/এসআর  
মোংলা বন্দরের রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড
আরও পড়ুন
এবার চাঁদের মালিকানা দাবি ট্রাম্পের
রাষ্ট্র মালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দেড় লাখ কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী
কার্ড থেকে বিকাশ-নগদে 'অ্যাড মানি' বাস্তবায়নের সময় বাড়ল
সপ্তাহে ২ দিন ছুটির সুবিধাসহ চাকরি দিচ্ছে নগদ