পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তায় পেট্রোল পাম্প চালু রাখার আহ্বান মালিক সমিতির

আরটিভি নিউজ

সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬ , ০৭:৩৪ পিএম


পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তায় পেট্রোল পাম্প চালু রাখার আহ্বান মালিক সমিতির
ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি তেলের সরবরাহ কম ও ভোক্তার চাপ বাড়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তায় পেট্রোল পাম্প চালু রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে এক বার্তায় এ আহ্বান জানান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল।

বার্তায় তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের ডিপোগুলো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি সাময়িকভাবে সরবরাহ আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অর্থাৎ চাহিদা থাকলেও সরবরাহ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

এছাড়া দেশের সব ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ ভোক্তাদের ভিড় বাড়ছে। বিভিন্ন স্থানে স্টাফদের মারধর ও ফিলিং স্টেশন ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটছে বলে উল্লেখ করা হয়।

এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে পাম্প চালু রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে কারও নির্দেশের অপেক্ষা না করে কর্মরতদের নিজ নিজ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

বার্তার অনুলিপি দেশের সব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, জ্বালানি সরবরাহ ও বণ্টন নিয়ে আরেকটি চিঠিতে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বাঘাবাড়ি ডিপোসহ দেশের বিভিন্ন ডিপো থেকে পেট্রোল ও অকটেন বরাদ্দ অনেক ক্ষেত্রে ট্যাংক লরির নির্ধারিত ধারণক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

চিঠিতে বলা হয়, সাধারণত একটি ট্যাংক লরির প্রতিটি চেম্বারের ধারণক্ষমতা ৪ হাজার ৫০০ লিটার হলেও অনেক ক্ষেত্রে ২ বা ৩ হাজার লিটার করে জ্বালানি বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এতে ডিপো থেকে পাম্প পর্যন্ত পরিবহন ব্যয় তুলনামূলকভাবে বেড়ে যাচ্ছে এবং পাম্প মালিকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এতে আরও বলা হয়, এই পরিস্থিতিতে অনেক পাম্প মালিক তেল উত্তোলনে অপারগতা প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্ট তেল বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে পরবর্তীতে এসব তেল কালোবাজারে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বাজার অস্থিতিশীলতা ও মূল্যবৃদ্ধির কারণ হতে পারে।

এ অবস্থায় পাম্প মালিকদের স্বার্থ এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ট্যাংক লরির ধারণক্ষমতা অনুযায়ী পেট্রোল ও অকটেন বরাদ্দ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রতন স্বাক্ষরিত চিঠিটি যমুনা, মেঘনা ও পদ্মা অয়েল কোম্পানির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

আরটিভি/এমএ

 

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission