ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩

পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তায় পেট্রোল পাম্প চালু রাখার আহ্বান মালিক সমিতির

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি তেলের সরবরাহ কম ও ভোক্তার চাপ বাড়ায় নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় পুলিশ-প্রশাসনের সহায়তায় পেট্রোল পাম্প চালু রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে এক বার্তায় এ আহ্বান জানান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল।

বার্তায় তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের ডিপোগুলো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি সাময়িকভাবে সরবরাহ আরও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অর্থাৎ চাহিদা থাকলেও সরবরাহ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এছাড়া দেশের সব ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল চালকসহ সাধারণ ভোক্তাদের ভিড় বাড়ছে। বিভিন্ন স্থানে স্টাফদের মারধর ও ফিলিং স্টেশন ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটছে বলে উল্লেখ করা হয়।

এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে পাম্প চালু রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে কারও নির্দেশের অপেক্ষা না করে কর্মরতদের নিজ নিজ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বার্তার অনুলিপি দেশের সব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, জ্বালানি সরবরাহ ও বণ্টন নিয়ে আরেকটি চিঠিতে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বাঘাবাড়ি ডিপোসহ দেশের বিভিন্ন ডিপো থেকে পেট্রোল ও অকটেন বরাদ্দ অনেক ক্ষেত্রে ট্যাংক লরির নির্ধারিত ধারণক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হচ্ছে না।

আরও পড়ুন

চিঠিতে বলা হয়, সাধারণত একটি ট্যাংক লরির প্রতিটি চেম্বারের ধারণক্ষমতা ৪ হাজার ৫০০ লিটার হলেও অনেক ক্ষেত্রে ২ বা ৩ হাজার লিটার করে জ্বালানি বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এতে ডিপো থেকে পাম্প পর্যন্ত পরিবহন ব্যয় তুলনামূলকভাবে বেড়ে যাচ্ছে এবং পাম্প মালিকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এতে আরও বলা হয়, এই পরিস্থিতিতে অনেক পাম্প মালিক তেল উত্তোলনে অপারগতা প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্ট তেল বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে পরবর্তীতে এসব তেল কালোবাজারে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বাজার অস্থিতিশীলতা ও মূল্যবৃদ্ধির কারণ হতে পারে।

এ অবস্থায় পাম্প মালিকদের স্বার্থ এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ট্যাংক লরির ধারণক্ষমতা অনুযায়ী পেট্রোল ও অকটেন বরাদ্দ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রতন স্বাক্ষরিত চিঠিটি যমুনা, মেঘনা ও পদ্মা অয়েল কোম্পানির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শনিবার সরকারি অফিস-ব্যাংক-শেয়ারবাজার খোলা
দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে।
শনিবার সরকারি অফিস-ব্যাংক-শেয়ারবাজার খোলা
৮০ টাকার নিচে মিলছে পেঁপে, চড়া সবজির বাজার
রাজধানীর কাঁচাবাজারে শীতকালীন আগাম সবজির সরবারহ বাড়লেও তা ক্রয়ক্ষমতার বাইরে রয়েছে ক্রেতাদের। অধিকাংশ সবজি কেজিতে ৮০ টাকার নিচে মিলছে না।
৮০ টাকার নিচে মিলছে পেঁপে, চড়া সবজির বাজার
বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের চোখে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড সরকারের কাযর্করী পদক্ষেপ
বর্তমান বিশ্বে বড় এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মূল্যস্ফীতির নিয়ন্ত্রণ। এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান বিএনপি সরকারের ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডকে কাযর্করী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক।
বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের চোখে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড সরকারের কাযর্করী পদক্ষেপ
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
দেশের বাজারে আবারও কমেছে সোনার দাম। নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া এ দর শুক্রবারও বহাল রয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত নতুন দাম অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৬৮২ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে, গত ৯ অক্টোবর দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছিল। ওই সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একই সময়ে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম কমার কারণে সোনার নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। আরটিভি/এসকে
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
শনিবার ব্যাংক খোলা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে ছুটি সমন্বয়ের জন্য শনিবার (১৭ অক্টোবর) স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
শনিবার ব্যাংক খোলা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত
আরও পড়ুন
বাংলাদেশি দুই পুলিশকে বিএসএফের ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় যা বলছে বিজিবি
ঢাকায় বাসার বাথরুমে পড়ে ছিল মরদেহ, যা বলছে পুলিশ 
আসামি ছাড়িয়ে নিতে ফাঁড়িতে হামলা, দুই পুলিশ সদস্য আহত
জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে বাধ্যতামূলক অবসরে পুলিশের ১৪৭ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা