ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

মালিকদের সতর্কবার্তা

যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সারাদেশের পেট্রোল পাম্প

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:১৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতায় যেকোনো সময় দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

রোববার (২২ মার্চ) রাতে সংগঠনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক জরুরি বার্তার মাধ্যমে তারা এই পরিস্থিতির কথা জানায়।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত করুণ। তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলো থেকে প্রতিদিন যে পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, তা দিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের ন্যূনতম চাহিদাও পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে দেশের কোটি কোটি মোটরসাইকেল চালক ও জরুরি যানবাহন ব্যবহারকারীরা তেল নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন।

আরও পড়ুন

পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ফেসবুক পোস্টে আরও জানানো হয়, চাহিদার তুলনায় তেলের সরবরাহ কম থাকায় পাম্পের কর্মীদের ওপর মানসিক ও শারীরিক চাপ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। তেল দিতে না পেরে তারা প্রতিনিয়ত বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ ক্রেতাদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি এবং গন্ডগোলে জড়িয়ে পড়ছেন। তেলের পাম্পের নজেলম্যানরা এই পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন এবং এভাবে বিরামহীন দায়িত্ব পালন করার অভ্যাস বা সক্ষমতা তাদের নেই।

সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে মনে করছেন মালিকরা। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা এবং সময়মতো তেলের সরবরাহ নিশ্চিত না হলে জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে যেকোনো মুহূর্তে পাম্পগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
২৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩২ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২৯ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৪ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ৩২ হাজার ৪৮৪ কোটি ৩০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মুখপাত্র আরিফ হোসেন জানান, গতকাল মঙ্গলবার প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৩৪০ কোটি ৭০ লাখ টাকা। গত বছরের সেপ্টেম্বরের মাসের প্রথম ২৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫৬ কোটি ২০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে তিন দশমিক ১০ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে ৮৪৬ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।  গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ৭৪৬ কোটি ২০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ আরটিভি/এসআর
২৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩২ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা
বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ
যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে কম বৃদ্ধি পাওয়ায় ডলারের মান কমেছে। আর অক্টোবরে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াবে না বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এতে করে সুদবিহীন সম্পদ সোনার বাজারে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।
বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ
অক্টোবরে কোন জ্বালানি তেলের দাম কত টাকা হবে, সিদ্ধান্ত দিলো সরকার
এর আগে, গত ২০ সেপ্টেম্বর সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ায় সরকার, যা পরের দিন ২১ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত থেকেই কার্যকর হয়।
অক্টোবরে কোন জ্বালানি তেলের দাম কত টাকা হবে, সিদ্ধান্ত দিলো সরকার
অক্টোবরের জন্য জ্বালানি তেলের দাম বেঁধে দিল সরকার
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানের কাছে এই চিঠি পাঠানো হয়।
অক্টোবরের জন্য জ্বালানি তেলের দাম বেঁধে দিল সরকার
ফার্নেস তেলের দামে বড় লাফ
অক্টোবর মাসের জন্য ফার্নেস অয়েলের ভোক্তা পর্যায়ের দাম পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের দাম প্রতি লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বাড়িয়ে ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক বার্তায় এ তথ্য জানায় বিইআরসি। নতুন এ দাম ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে। বার্তায় বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) ধারার আওতায় বিপিসি ও তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে গণশুনানি ও বিস্তারিত পর্যালোচনার পর ফার্নেস অয়েলের মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের বিইআরসির আদেশে বিপিসি সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের ভোক্তাপর্যায়ের দাম, বিপিসির মজুতকরণ ও সরবরাহ চার্জ, তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর বিপণন চার্জ এবং সমন্বিত পরিবহন ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হয়। ওই আদেশে প্রয়োজন অনুযায়ী তিন মাস পরপর ফার্নেস অয়েলের দাম সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হয়েছিল। ফার্নেস অয়েলের মূল্য সমন্বয়ের জন্য গত ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করে বিইআরসি। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে আমদানিকৃত পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের প্লাটস রেট, সেপ্টেম্বর মাসের অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের (ক্রুড) সিআইএফ মূল্য এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হারের পরিবর্তন বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, এসব বিষয় পর্যালোচনা করে অক্টোবর ২০২৬ মাসের জন্য ফার্নেস অয়েলের মূল্য প্রতি লিটার ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিপিসি সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের এ সমন্বয়কৃত মূল্যহার ৩০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা থেকে প্রযোজ্য ও কার্যকর হবে। আরটিভি/এসআর
ফার্নেস তেলের দামে বড় লাফ