ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সিগারেটের এক শলাকার সর্বনিম্ন মূল্য ১০ টাকা করার দাবি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের তরুণ প্রজন্মকে ধূমপানে নিরুৎসাহিত করতে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সিগারেটের কর কাঠামোতে আমূল পরিবর্তনের দাবি উঠেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে সামনে রেখে সিগারেটের নিম্ন ও মধ্যম স্তর একত্র করে প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটের দাম সর্বনিম্ন ১০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের আয়োজনে ‘তামাক কর বৃদ্ধি: জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সাংবাদিকদের করণীয়’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এ দাবি জানানো হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সাফিউন নাহিন শিমুল কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

আরও পড়ুন

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের কর্মসূচি পরিচালক (বিশ্ব স্বাস্থ্য অনুবিভাগ) শেখ মোমেনা মনি, বিসিআইসি’র সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী।

মূল প্রবন্ধে বলা হয়, দেশের বর্তমান বহুস্তর বিশিষ্ট তামাক কর কাঠামো জটিল এবং তা তামাক ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে কার্যকর নয়। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট সহজলভ্য থাকায় তরুণদের মধ্যে তামাক ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে।

তাই আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে নিম্ন ও মধ্যম স্তর একত্র করে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেট প্যাকেটের খুচরা মূল্য ১০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি উচ্চ স্তরে ১৫০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরে ২০০ টাকা নির্ধারণ এবং সব স্তরে প্যাকেট প্রতি ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের সুপারিশ করা হয়েছে।

অধ্যাপক সাফিউন নাহিন শিমুল বলেন, বর্তমানে বহুস্তর বিশিষ্ট তামাক কর কাঠামো তামাক নিয়ন্ত্রণে প্রত্যাশিত ফল দিচ্ছে না। নিম্ন ও মধ্যম স্তরের সিগারেট সহজলভ্য থাকায় ব্যবহারকারীরা সহজেই এক স্তর থেকে অন্য স্তরে সরে গিয়ে ধূমপান অব্যাহত রাখছেন।

এই দুটি স্তর একত্র করে দাম বাড়ানো হলে তামাক ব্যবহার কমবে; ৩ লাখ ৭২ হাজারের বেশি তরুণের ধূমপান শুরু করার প্রবণতা হ্রাস পাবে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।

সমাপনী বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, প্রস্তাবিত কর সংস্কার বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান ছাড়তে উৎসাহিত হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার মানুষের অকাল মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।

কর্মশালায় ‘তামাক জাত দ্রব্য ব্যবহার : অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি’ বিষয়ক একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল হার্টফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির সমন্বয়ক ডা. অরুনা সরকার।

এ সময় কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি প্রতিক এজাজ।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে অপ্রচলিত বাজারের গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের আগস্টে এসব বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানি রেকর্ড ৬৪২ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা এক মাসে এ খাতে সর্বোচ্চ রপ্তানি।
পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
দেশের বাজারে সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিক্রি হচ্ছে সোনা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)  শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এর আগে আরও এক দফা দাম বাড়ানো হয়েছিল।
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
তিন দেশে বাড়ছে পোপা শুঁটকির চাহিদা, সাগরে কমছে মাছ
কক্সবাজার উপকূলে উৎপাদিত পোপা শুঁটকির চাহিদা বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র, হংকং ও চীনে। সুস্বাদু স্যুপের পাশাপাশি পোপা মাছের পটকা ও আঁইশ থেকে কোলাজেন, প্রসাধনী ও ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার হয়। চাহিদা থাকলেও সাগরে মাছের সংকটের কারণে কমছে উৎপাদন ও রপ্তানি। ফলে এ বছর নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তিন দেশে বাড়ছে পোপা শুঁটকির চাহিদা, সাগরে কমছে মাছ
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের মধ্যে আরও ১১টি অত্যাধুনিক বোয়িং উড়োজাহাজ সংগ্রহের লক্ষ্যে একটি সম্পূরক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি উইলিয়াম কিমিট, বোয়িং গ্লোবালের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসন, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফানি পোপ, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. পল কাপুর, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের ইউরেশিয়া, ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বাণিজ্যিক বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগি এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন বলেন, “আজকের এই সম্পূরক চুক্তি বিমানের চলমান বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমাদের বহর পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তার আলোকে এই ক্রয়াদেশ প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বোয়িংয়ের সঙ্গে আমাদের যে কার্যকর ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে, তা উড়োজাহাজ সরবরাহ ও পরবর্তী সহায়তা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আমাদের আস্থা জুগিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশে বসবাসকারী জনগণ, প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগের চাহিদা পূরণে বিমানের নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা উন্নয়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী বছরগুলোতে দেশের আন্তর্জাতিক আকাশ যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার জন্য একটি বিস্তৃত ও সুপরিকল্পিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।” নতুন এই চুক্তি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দীর্ঘমেয়াদি বহর আধুনিকায়ন কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে এটি বিমানের পরিচালন সক্ষমতা, পরিচালনাগত নমনীয়তা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। বিদ্যমান বোয়িং বহরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এই চুক্তি সহায়ক হবে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দেশের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক যোগাযোগের চাহিদা পূরণ এবং দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় বিমান পরিবহন সক্ষমতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি আধুনিক, দক্ষ ও বাণিজ্যিকভাবে টেকসই বহর গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতীয় অগ্রাধিকার, প্রযোজ্য আইন ও বিধিবিধান এবং বৈশ্বিক বিমান পরিবহন খাতের ক্রমবিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ভবিষ্যতেও তার বহর ও নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করবে।
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
সার ও মসুর ডাল আমদানি নিয়ে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
দেশের বর্ধমান চাহিদা মেটাতে সরকার পৃথক প্রস্তাবে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল এবং ১ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি ও ডিএপি সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে।
সার ও মসুর ডাল আমদানি নিয়ে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
আরও পড়ুন
সিগারেট-ওষুধ-মোবাইলসহ ১১ খাতের জন্য এনবিআরের নতুন আদেশ 
সিগারেটের ক্ষেত্রে যুক্ত হলো নতুন বিধান
নতুন দামে কোন সিগারেট কত টাকা?
দিনে তালা, রাতে ব্যবসা: আবাসিক ভবন থেকে ৩ লাখ সিগারেট জব্দ