ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

ইলেকট্রিক গাড়ির নীতিমালা নিয়ে সরকারের বড় উদ্যোগ

বাসস

প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৯ পিএম
ইলেকট্রিক গাড়ির পুরনো ছবি

দেশে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করতে ‘ইলেকট্রিক ভেহিকেল শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা ২০২৫’ প্রণয়ন করছে সরকার। শিল্প মন্ত্রণালয় এ কাজ করছে।

নীতিমালায় কার্বন নিঃসরণ কমানো, জ্বালানি সাশ্রয় এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিসহ একটি সমন্বিত কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইলেকট্রিক ভেহিকেল (ইভি) শিল্পকে টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক খাতে রূপান্তরের রূপরেখাও নির্ধারণ করা হয়েছে।

এজন্য ইলেকট্রিক ভেহিকেল ও তার যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে উৎপাদন কাজে ব্যবহারের জন্য শিল্পের কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশ আমদানির ওপর ১ শতাংশ হারে সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি (এসডি) আরোপ এবং আমদানি, স্থানীয় ক্রয় ও সরবরাহ পর্যায়ে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ২০৪০ সাল পর্যন্ত আয়কর অব্যাহতি দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ইলেকট্রিক ভেহিকেলে ব্যবহৃত লেড ব্যাটারি ও লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি উৎপাদনে কর অব্যাহতি দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে খসড়া প্রণয়নের কাজ শেষ করা হয়েছে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের নীতি, আইন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অনুবিভাগের যুগ্মসচিব সুলতানা ইয়াসমীন জানান, চলতি বছরেই এ নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে। আগামী দিনে দেশে ইলেকট্রিক ভেহিকেলের ব্যবহার বাড়বে। এ অবস্থায় দেশেই যেন ইলেকট্রিক ভেহিকেল ও যন্ত্রাংশ তৈরি করা যায়, সে লক্ষ্যেই এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামতের জন্য এটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। শিগগিরই সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় পরিবহন খাতে কার্বন নিঃসরণ কমানো অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে পরিবহন খাত বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের অন্যতম প্রধান উৎস। এ প্রেক্ষাপটে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রিক ভেহিকেলের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালার ভিশন অনুযায়ী, দেশে ইলেকট্রিক ভেহিকেল শিল্পকে একটি শক্তিশালী ও টেকসই শিল্পে পরিণত করা হবে। আর মিশন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এতে ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবহন খাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

একইসঙ্গে স্থানীয়ভাবে ইভি উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানি সম্ভাবনা সৃষ্টি এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। নীতিমালায় আরও বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশের জন্য বড় হুমকি। পরিবহন খাত থেকে ব্যাপক কার্বন নিঃসরণ এ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এ কারণে ইলেকট্রিক ভেহিকেল ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

নীতিমালার লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে: স্থানীয়ভাবে ইভি উৎপাদন ও প্রযুক্তি উন্নয়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের ব্যবহার কমানো।

পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ হ্রাসও অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। ইভি খাতে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে নীতিমালায় বিভিন্ন কর সুবিধা ও প্রণোদনা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইভি নিবন্ধন ফি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস; ২০৩০ সাল পর্যন্ত অগ্রিম আয়কর (এআইটি) অব্যাহতি; আমদানিতে কম শুল্কহার; ২০৪০ সাল পর্যন্ত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য আয়কর ছাড় এবং ব্যাটারি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক সুবিধা।

এ ছাড়া স্থানীয়ভাবে যন্ত্রাংশ উৎপাদন, গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

এতে দেশীয় শিল্পের বিকাশ ঘটবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ইলেকট্রিক ভেহিকেল ব্যবহারে সহায়ক অবকাঠামো গড়ে তুলতে সারাদেশে চার্জিং স্টেশন স্থাপনেরও উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি খাতকে উৎসাহ দেওয়া হবে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে চার্জিং সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে। নতুন ভবন নির্মাণেও ইভি চার্জিং সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নীতিমালায় ইভির নিরাপত্তা, ব্যাটারি ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। যানবাহনের নিবন্ধন, ফিটনেস ও মান নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করা হবে। এ ছাড়া দেশের বিপুলসংখ্যক তিন চাকাবিশিষ্ট ইলেকট্রিক ভেহিকেলকে (যা ইজি বাইক নামে পরিচিত) বিআরটিএ কর্তৃক নির্ধারিত মান ও টেস্টিং সম্পন্ন করে নিবন্ধন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ডিলার, এজেন্ট, আমদানিকারক, স্থানীয় প্রস্তুতকারক এবং উৎপাদনকারীরা কোনোক্রমেই নিবন্ধন ছাড়া ইলেকট্রিক থ্রিহুইলার ও মোটরসাইকেল ক্রেতার কাছে হস্তান্তর করতে পারবে না।

সরকারি ব্যবহারে ইভির বাধ্যবাধকতা: নীতিমালায় বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন ক্রয়ের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ ইলেকট্রিক ভেহিকেল অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ইলেকট্রিক ভেহিকেল শিল্পের সার্বিক উন্নয়নে একটি উচ্চপর্যায়ের ‘ইলেকট্রিক ভেহিকেল শিল্প উন্নয়ন কাউন্সিল’ গঠন করা হবে। এই কাউন্সিল নীতিমালা বাস্তবায়ন, সমন্বয়, তদারকি ও মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

এ ছাড়া বাস্তবায়ন কমিটি ও কারিগরি কমিটিও গঠন করা হবে। নীতিমালায় গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র স্থাপন, দক্ষ জনবল তৈরি এবং কারিগরি শিক্ষায় ইভি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে একটি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ নীতিমালা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হলে দেশে পরিবেশ সুরক্ষা, জ্বালানি সাশ্রয়, শিল্পায়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।

পাশাপাশি বৈশ্বিক ইলেকট্রিক ভেহিকেল বাজারেও বাংলাদেশ নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে পারবে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশে আরও তিনটি নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের
এর মধ্যে ভোলায় দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া, চট্টগ্রামে বছরে ৪ লাখ মেট্রিক টন টিএসপি ও নরসিংদীর পলাশে বছরে ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া ফরমালডিহাইড-৮৫ (ইউএফ-৮৫) উৎপাদন ক্ষমতার কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ রয়েছে। 
দেশে আরও তিনটি নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের
হাতিরঝিলে ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
আন্তর্জাতিক হিসাববিজ্ঞান দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে রাজধানীর হাতিরঝিলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভোর ৫টায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত দেশের শীর্ষস্থানীয় পেশাদার অ্যাকাউন্টিং সংস্থা, ইনষ্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ বাংলাদেশের (আইসিএবি) ঢাকা আঞ্চলিক কমিটি (ডিআরসি) ঢাকার হাতিরঝিলে ‘স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সৌজন্যে সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬-এর আয়োজন করেছে। অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্টারন্যাশনাল ম্যারাথনস অ্যান্ড ডিসট্যান্স রেসেস (AIMS)-এর সাথে অনুমোদিত এবং ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স-স্বীকৃত এই ইভেন্টটির লক্ষ্য হলো অ্যাকাউন্টিং পেশাজীবী এবং বৃহত্তর সম্প্রদায়ের মধ্যে শারীরিক সুস্থতা, মানসিক প্রশান্তি এবং স্বাস্থ্যকর কর্ম-জীবনের ভারসাম্যকে উৎসাহিত করা। আইসিএবি প্রেসিডেন্ট জনাব সাব্বির আহমেদ এফসিএ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর সিইও জনাব মোহাম্মদ এনামুল হক, ডিআরসি চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান এফসিএ, ডিআরসি সেক্রেটারি মোহাম্মদ এখলাস উদ্দিন এফসিএ, ডিআরসি কোষাধ্যক্ষ রাশিদুল ইসলাম এফসিএ, ইভেন্ট কনভেনার পারুল দাস এফসিএ, ইভেন্ট চেয়ারম্যান মো. মাকসুদুর রহমান এফসিএ এবং ডিআরসি সদস্যবৃন্দসহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ‘সুস্থতা ও অ্যাকাউন্টিংয়ের মেলবন্ধন’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে, ইভেন্টটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনকে উৎসাহিত করা, সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা জোরদার করা এবং পেশাগত উৎকর্ষের পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার গুরুত্বকে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকদের মতে, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, তাদের পরিবার, সিএ শিক্ষার্থী, কর্পোরেট পেশাজীবী এবং বিভিন্ন অঙ্গনের দৌড়বিদসহ ৩,৮০০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণকারী এই ইভেন্টে অংশ নিয়েছেন। অংশগ্রহণকারীরা ১৫ কিমি, ৭.৫ কিমি এবং ১ কিমি—এই তিনটি ক্যাটাগরিতে দৌড়েছেন, যার মধ্যে ১ কিমি ক্যাটাগরিটি বিশেষভাবে মা ও শিশুদের জন্য রাখা হয়েছিল। দৌড়টি শুক্রবার ভোর ৫টায় হাতিরঝিল অ্যাম্ফিথিয়েটার থেকে শুরু হয়। অংশগ্রহণকারীরা হাতিরঝিলের মনোরম পথ ধরে দৌড়ে নির্দিষ্ট ফিনিশ লাইনে ফিরে আসেন, যা সহনশীলতা, দৃঢ়সংকল্প এবং ঐক্যবোধের এক উদযাপনে পরিণত হয়। দৌড়ের দিনটির আগে, ২ নভেম্বর তারিখে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা বাই আইএইচজি (IHG)-তে দুপুর ১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত একটি এক্সক্লুসিভ কিট এক্সপো অনুষ্ঠিত হয়। নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারীরা এক্সপো চলাকালীন তাদের অফিসিয়াল রেস কিট এবং বিশেষ গুডি ব্যাগ সংগ্রহ করেন। এই ইভেন্টে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, সিটি ব্যাংক পিএলসি, স্প্রিন্ট বাই অ্যাপেক্স, আমিন মোহাম্মদ এগ্রো, ব্র্যাক ব্যাংক, শাহ সিমেন্ট, বিকাশ, পূবালী ব্যাংক, রানার, ট্রান্সকম লিমিটেড, ফকির টেকনোলজিস, রুচি এবং ডিবিএল সিরামিকসসহ বেশ কিছু শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট পৃষ্ঠপোষক যুক্ত ছিল। ইভেন্টের বিশিষ্ট অংশীদারদের মধ্যে রয়েছে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা বাই আইএইচজি, এসএমসি প্লাস, গ্লুকোম্যাক্স-ডি, ইস্পাহানি, কোকা-কোলা, আরাম, ম্যাগি, ডেটল, জিরোক্যাল, মাইলো, নেসকাফে, পোলার আইসক্রিম, রিন, ভিম, কল্লোল গ্রুপ অফ কোম্পানিজ, কিটক্যাট, নাফকো ফার্মা, লাক্স, সেনোরা কনফিডেন্স, ব্লেন্ডারস চয়েস টি, জিরোক্যাল, টিকিফাই, আপসাইট বাংলাদেশ, স্পোর্টস বাংলা, ইউসিআর রেস ক্রু, কন্টিনেন্টাল হাসপাতাল এবং কোটপিন বিডি। তাদের অবদান রেস-দিনের সামগ্রিক অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। আরটিভি এই ইভেন্টের অফিসিয়াল মিডিয়া পার্টনার হিসেবে কাজ করেছে, যা ইভেন্টটির প্রচার প্রসার ঘটিয়েছে এবং দেশব্যাপী দর্শকদের কাছে সুস্থতা ও ফিটনেসের বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। কেবল একটি ক্রীড়া ইভেন্ট নয়, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সৌজন্যে আয়োজিত ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’ সুস্থতা, সহনশীলতা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আইসিএবি-এর অঙ্গীকারকে তুলে ধরে। পেশাজীবী, পরিবার এবং ফিটনেস উৎসাহীদের একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে একত্রিত করার মাধ্যমে, এই উদ্যোগটি শৃঙ্খলার মূল্যবোধ, দৃঢ়সংকল্প এবং পেশাগত উৎকর্ষ উদযাপন করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রায় অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এই ইভেন্টটি ছিল ফিটনেস, ঐক্য এবং অ্যাকাউন্টিং পেশার এক অসাধারণ উদযাপন, যা এই বার্তাকেই শক্তিশালী করে যে পেশাগত সাফল্য এবং ব্যক্তিগত সুস্থতা একে অপরের পরিপূরক। আরটিভি/টিআর
হাতিরঝিলে ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
রমজানের আগেই বাড়ছে ছোলার দাম, কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকট
রমজান শুরু হওয়ার এখনো কয়েক মাস বাকি। এরই মধ্যে ছোলার কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে বাজারে। পণ্যটির দাম কেজিতে বেড়ে গেছে  প্রায় ১০ থেকে ১৫ টাকা। কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকটও; বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। সেইসঙ্গে এখনো চড়া মাছের বাজার।
রমজানের আগেই বাড়ছে ছোলার দাম, কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকট
হঠাৎ দেশবাসীর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে এ সতর্কবার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
হঠাৎ দেশবাসীর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা
দেশের রিজার্ভ এখন ৩৪ বিলিয়ন ডলার
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৮৫ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার ডলার বা ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আকুর বিল পরিশোধ করা হয়েছে ১ হাজার ৬৪২ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন বা ১ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। এতে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৮৫ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার ডলার বা ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবায়ন পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৯৮ কোটি ৫৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার বা ২৯ দশমিক ৯৮ বিলিয়ন ডলারে। এর আগে গত ৪ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ হাজার ৩৮৩ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন বা ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিত রিজার্ভ ছিল ৩১ হাজার ৫১৫ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন বা ৩১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার। উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়। আকু কী? আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যকার একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ এশিয়ার ৯টি দেশের মধ্যে যেসব আমদানি-রফতানি হয়, তার মূল্য দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। অন্য দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আমদানি-রফতানিসংক্রান্ত লেনদেন আকুর মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হয়। আমদানি বিল পরিশোধ করার ফলে রিজার্ভ সাময়িকভাবে কিছুটা হ্রাস পায়। জাতিসংঘের এশিয়া অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইএসক্যাপ) উদ্যোগে ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর আকু প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দফতর ইরানের তেহরানে। আকুর সদস্যদেশগুলো হচ্ছে-বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ। আরটিভি/টিআর
দেশের রিজার্ভ এখন ৩৪ বিলিয়ন ডলার
আরও পড়ুন
ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলে নতুন নীতিমালা
নতুন এমপিও নীতিমালায় ঠাঁই হয়নি ডিগ্রি স্তরের তৃতীয় শিক্ষকদের 
২০২৭ শিক্ষাবর্ষে স্কুলে ভর্তি নীতিমালায় যা আছে
ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় ‘বড় পরিবর্তন’