ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ইলেকট্রিক গাড়ির নীতিমালা নিয়ে সরকারের বড় উদ্যোগ

বাসস

প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৯ পিএম
ইলেকট্রিক গাড়ির পুরনো ছবি

দেশে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করতে ‘ইলেকট্রিক ভেহিকেল শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা ২০২৫’ প্রণয়ন করছে সরকার। শিল্প মন্ত্রণালয় এ কাজ করছে।

নীতিমালায় কার্বন নিঃসরণ কমানো, জ্বালানি সাশ্রয় এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিসহ একটি সমন্বিত কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইলেকট্রিক ভেহিকেল (ইভি) শিল্পকে টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক খাতে রূপান্তরের রূপরেখাও নির্ধারণ করা হয়েছে।

এজন্য ইলেকট্রিক ভেহিকেল ও তার যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে উৎপাদন কাজে ব্যবহারের জন্য শিল্পের কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশ আমদানির ওপর ১ শতাংশ হারে সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি (এসডি) আরোপ এবং আমদানি, স্থানীয় ক্রয় ও সরবরাহ পর্যায়ে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ২০৪০ সাল পর্যন্ত আয়কর অব্যাহতি দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ইলেকট্রিক ভেহিকেলে ব্যবহৃত লেড ব্যাটারি ও লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি উৎপাদনে কর অব্যাহতি দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে খসড়া প্রণয়নের কাজ শেষ করা হয়েছে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের নীতি, আইন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অনুবিভাগের যুগ্মসচিব সুলতানা ইয়াসমীন জানান, চলতি বছরেই এ নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে। আগামী দিনে দেশে ইলেকট্রিক ভেহিকেলের ব্যবহার বাড়বে। এ অবস্থায় দেশেই যেন ইলেকট্রিক ভেহিকেল ও যন্ত্রাংশ তৈরি করা যায়, সে লক্ষ্যেই এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামতের জন্য এটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। শিগগিরই সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় পরিবহন খাতে কার্বন নিঃসরণ কমানো অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে পরিবহন খাত বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের অন্যতম প্রধান উৎস। এ প্রেক্ষাপটে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রিক ভেহিকেলের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নীতিমালার ভিশন অনুযায়ী, দেশে ইলেকট্রিক ভেহিকেল শিল্পকে একটি শক্তিশালী ও টেকসই শিল্পে পরিণত করা হবে। আর মিশন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এতে ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবহন খাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

একইসঙ্গে স্থানীয়ভাবে ইভি উৎপাদন বৃদ্ধি, রপ্তানি সম্ভাবনা সৃষ্টি এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। নীতিমালায় আরও বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশের জন্য বড় হুমকি। পরিবহন খাত থেকে ব্যাপক কার্বন নিঃসরণ এ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এ কারণে ইলেকট্রিক ভেহিকেল ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

নীতিমালার লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে: স্থানীয়ভাবে ইভি উৎপাদন ও প্রযুক্তি উন্নয়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের ব্যবহার কমানো।

পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ হ্রাসও অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। ইভি খাতে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে নীতিমালায় বিভিন্ন কর সুবিধা ও প্রণোদনা রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইভি নিবন্ধন ফি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস; ২০৩০ সাল পর্যন্ত অগ্রিম আয়কর (এআইটি) অব্যাহতি; আমদানিতে কম শুল্কহার; ২০৪০ সাল পর্যন্ত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য আয়কর ছাড় এবং ব্যাটারি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক সুবিধা।

এ ছাড়া স্থানীয়ভাবে যন্ত্রাংশ উৎপাদন, গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

এতে দেশীয় শিল্পের বিকাশ ঘটবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ইলেকট্রিক ভেহিকেল ব্যবহারে সহায়ক অবকাঠামো গড়ে তুলতে সারাদেশে চার্জিং স্টেশন স্থাপনেরও উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি খাতকে উৎসাহ দেওয়া হবে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে চার্জিং সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে। নতুন ভবন নির্মাণেও ইভি চার্জিং সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নীতিমালায় ইভির নিরাপত্তা, ব্যাটারি ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। যানবাহনের নিবন্ধন, ফিটনেস ও মান নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করা হবে। এ ছাড়া দেশের বিপুলসংখ্যক তিন চাকাবিশিষ্ট ইলেকট্রিক ভেহিকেলকে (যা ইজি বাইক নামে পরিচিত) বিআরটিএ কর্তৃক নির্ধারিত মান ও টেস্টিং সম্পন্ন করে নিবন্ধন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ডিলার, এজেন্ট, আমদানিকারক, স্থানীয় প্রস্তুতকারক এবং উৎপাদনকারীরা কোনোক্রমেই নিবন্ধন ছাড়া ইলেকট্রিক থ্রিহুইলার ও মোটরসাইকেল ক্রেতার কাছে হস্তান্তর করতে পারবে না।

সরকারি ব্যবহারে ইভির বাধ্যবাধকতা: নীতিমালায় বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন ক্রয়ের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ ইলেকট্রিক ভেহিকেল অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ইলেকট্রিক ভেহিকেল শিল্পের সার্বিক উন্নয়নে একটি উচ্চপর্যায়ের ‘ইলেকট্রিক ভেহিকেল শিল্প উন্নয়ন কাউন্সিল’ গঠন করা হবে। এই কাউন্সিল নীতিমালা বাস্তবায়ন, সমন্বয়, তদারকি ও মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

এ ছাড়া বাস্তবায়ন কমিটি ও কারিগরি কমিটিও গঠন করা হবে। নীতিমালায় গবেষণা ও উদ্ভাবন কেন্দ্র স্থাপন, দক্ষ জনবল তৈরি এবং কারিগরি শিক্ষায় ইভি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে একটি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ নীতিমালা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হলে দেশে পরিবেশ সুরক্ষা, জ্বালানি সাশ্রয়, শিল্পায়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।

পাশাপাশি বৈশ্বিক ইলেকট্রিক ভেহিকেল বাজারেও বাংলাদেশ নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে পারবে।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
দেশের বাজারে সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিক্রি হচ্ছে সোনা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)  শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এর আগে আরও এক দফা দাম বাড়ানো হয়েছিল।
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
তিন দেশে বাড়ছে পোপা শুঁটকির চাহিদা, সাগরে কমছে মাছ
কক্সবাজার উপকূলে উৎপাদিত পোপা শুঁটকির চাহিদা বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র, হংকং ও চীনে। সুস্বাদু স্যুপের পাশাপাশি পোপা মাছের পটকা ও আঁইশ থেকে কোলাজেন, প্রসাধনী ও ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার হয়। চাহিদা থাকলেও সাগরে মাছের সংকটের কারণে কমছে উৎপাদন ও রপ্তানি। ফলে এ বছর নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তিন দেশে বাড়ছে পোপা শুঁটকির চাহিদা, সাগরে কমছে মাছ
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের মধ্যে আরও ১১টি অত্যাধুনিক বোয়িং উড়োজাহাজ সংগ্রহের লক্ষ্যে একটি সম্পূরক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি উইলিয়াম কিমিট, বোয়িং গ্লোবালের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসন, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফানি পোপ, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. পল কাপুর, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের ইউরেশিয়া, ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বাণিজ্যিক বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগি এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন বলেন, “আজকের এই সম্পূরক চুক্তি বিমানের চলমান বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমাদের বহর পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তার আলোকে এই ক্রয়াদেশ প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বোয়িংয়ের সঙ্গে আমাদের যে কার্যকর ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে, তা উড়োজাহাজ সরবরাহ ও পরবর্তী সহায়তা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আমাদের আস্থা জুগিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশে বসবাসকারী জনগণ, প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগের চাহিদা পূরণে বিমানের নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা উন্নয়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী বছরগুলোতে দেশের আন্তর্জাতিক আকাশ যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার জন্য একটি বিস্তৃত ও সুপরিকল্পিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।” নতুন এই চুক্তি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দীর্ঘমেয়াদি বহর আধুনিকায়ন কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে এটি বিমানের পরিচালন সক্ষমতা, পরিচালনাগত নমনীয়তা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। বিদ্যমান বোয়িং বহরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এই চুক্তি সহায়ক হবে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দেশের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক যোগাযোগের চাহিদা পূরণ এবং দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় বিমান পরিবহন সক্ষমতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি আধুনিক, দক্ষ ও বাণিজ্যিকভাবে টেকসই বহর গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতীয় অগ্রাধিকার, প্রযোজ্য আইন ও বিধিবিধান এবং বৈশ্বিক বিমান পরিবহন খাতের ক্রমবিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ভবিষ্যতেও তার বহর ও নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করবে।
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
সার ও মসুর ডাল আমদানি নিয়ে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
দেশের বর্ধমান চাহিদা মেটাতে সরকার পৃথক প্রস্তাবে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল এবং ১ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি ও ডিএপি সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে।
সার ও মসুর ডাল আমদানি নিয়ে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
জাপানে রপ্তানি বাড়াতে আগ্রহী তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকরা
নির্দিষ্ট কিছু বাজারের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমিয়ে তৈরি পোশাক খাতকে ঝুঁকিমুক্ত করতে নতুন বাজার হিসেবে জাপানে রপ্তানি বাড়াতে চান বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা।
জাপানে রপ্তানি বাড়াতে আগ্রহী তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকরা
আরও পড়ুন
এবার বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আসছে নীতিমালা
ফেসবুক ব্যবহারে আসছে নতুন নীতিমালা, ইতিবাচক শিক্ষকরা: শিক্ষামন্ত্রী
বদলে গেছে জমির নামজারির নিয়ম, নীতিমালায় যা আছে
দেশের পর্যটন খাত ঘিরে সরকারের মহাপরিকল্পনা, আসছে নতুন নীতিমালা