ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আম উৎপাদনে অতীতের সব রেকর্ড ভাঙতে পারে বাংলাদেশ

বাসস

প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৮ এএম
আমের পুরনো ছবি

অনুকূল আবহাওয়ার কারণে চলতি মৌসুমে দেশে আমের বাম্পার ফলনের আশা করা হচ্ছে। আম উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চাষি ও কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, উৎপাদন ২৭ লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যেতে পারে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬ লাখ ৬৬ হাজার মেট্রিক টন। তবে আবহাওয়া সহায়ক থাকলে এবার সেই লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।

ডিএই’র তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৮টি দেশে ২ হাজার ১৯৪ মেট্রিক টন আম রপ্তানি করে রেকর্ড গড়েছিল। এবারও রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের আশা, অন্তত ৩ হাজার মেট্রিক টন আম রপ্তানি সম্ভব হতে পারে। নতুন করে মালয়েশিয়া ও জাপানের বাজারেও আম রপ্তানির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ডিএই’র ‘রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্প’-এর পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, এ বছর ২ লাখ ৪ হাজার হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার ফলন বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন পর্যন্ত উৎপাদনে বড় কোনো সমস্যা দেখা দেয়নি।

7bfa63d35

তিনি আরও জানান, আগামী মে মাস থেকে আম সংগ্রহ শুরু হয়ে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত চলবে। প্রধান উৎপাদনকারী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, সাতক্ষীরা ও দিনাজপুর।

মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, কালবৈশাখি ঝড়ে ক্ষতি না হলে ২৭ লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি রপ্তানিতেও নতুন রেকর্ড হতে পারে। গত বছর চীনের বাজারে ৩ মেট্রিক টন আম পাঠিয়ে প্রথমবারের মতো রপ্তানি শুরু হয়।

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা ইউনিয়নের কাঠালপাড়া গ্রামের আমচাষি ফারুখ প্রধান জানান, এবারের আবহাওয়া আমের জন্য অনুকূলে রয়েছে। শীত শেষে সময়মতো তাপমাত্রা বৃদ্ধি, স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত এবং বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় অধিকাংশ বাগানে এ বছর মুকুলের পরিমাণ ব্যাপক বেড়েছে। গুটি ঝরাও তুলনামূলক কম হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এত মুকুল অনেকদিন দেখিনি। বড় ধরনের ঝড় না হলে ফলন খুব ভালো হবে।’

এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বাগান মালিক শাফিউল আলম ইমরান বলেন, ‘গাছের অবস্থা দেখে এ বছর আমের বাম্পার উৎপাদনের আশা করছি। কৃষি বিভাগের পরামর্শ, উন্নত জাতের চারা, সুষম সার প্রয়োগ এবং আধুনিক বাগান ব্যবস্থাপনা এ ক্ষেত্রে সহায়ক হয়েছে।’

পাশাপাশি সাতক্ষীরার চাষিরাও ভালো ফলনের আশা করেছেন।

আরও পড়ুন

ডিএই’র তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে ২১ লাখ ৪৩ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদন হয়, যার মধ্যে রপ্তানি হয় মাত্র ৩০৯ টন। ২০১৯-২০ অর্থবছরে উৎপাদন প্রায় ২৫ লাখ টন হলেও রপ্তানি হয় ২৮৩ টন। ২০২০-২১ অর্থবছরে উৎপাদন ছিল ২৩ লাখ ৫০ হাজার ৪৯৯ টন, রপ্তানি ১ হাজার ৭৫৭ টন।

২০২২-২৩ অর্থবছরে উৎপাদন হয় ২৭ লাখ ৭ হাজার ৪৫৯ টন, রপ্তানি ৩ হাজার ১০০ টন। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উৎপাদন হয় ২৫ লাখ ৮ হাজার ৯৭৩ টন, রপ্তানি হয় ১ হাজার ৩২১ টন।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২ লাখ ৫ হাজার হেক্টর জমিতে আমের আবাদ করে ২৬ লাখ ৭০ হাজার টন আম উৎপাদন হয়, রপ্তানি হয় ২ হাজার ১৯৪ টন।

Capture

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উৎপাদন ২৭ লাখ টন ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপ বাংলাদেশের আমের প্রধান রপ্তানি বাজার। ক্ষীরসাপাতি, গোপালভোগ, ফজলি, হাঁড়িভাঙা ও আম্রপালি জাতের আম যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স, কানাডা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, সৌদি আরব, জার্মানি ও সুইডেনসহ অন্তত ৩৮টি দেশে রপ্তানি করা হয়। গত বছর প্রথমবারের মতো চীনে আম রপ্তানি শুরু হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্প’-এর পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, ‘আমরা মাঠে থেকে কৃষকদের সহযোগিতা করে যাচ্ছি। তাদের আম চাষে সক্ষমতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি দিয়ে সহায়তা করার ফলে আমের উৎপাদন প্রতি বছর বেড়ে চলেছে। তবে আম রপ্তানিতে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে যা নিরসনে কৃষি মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি
বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ দ্বিতীয় কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি ৭.০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। নতুন কারখানাটিতে প্রায় ২০০ বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকায় বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সঙ্গে কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।  বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ঝ্যাং ইউগিউ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।  বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ। নতুন কারখানাটি বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ ৭ হাজার ২০০ বর্গমিটার জমিতে স্থাপন করা হবে। সেখানে ফুটওয়্যার অ্যাকসেসরিজ, ব্যাগ ও লাগেজের যন্ত্রাংশ, কাগজজাত পণ্য, মুদ্রিত সামগ্রী এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক পণ্য উৎপাদন করা হবে। কারখানাটিতে বছরে ১১ মিলিয়ন জোড়া ফুটওয়্যার অ্যাকসেসরিজ, ২৪ হাজার ঘনমিটার ফোম, দুই লাখ পিস কাটিং বোর্ড এবং আড়াই লাখ পিস কাটিং ডাইস ও মোল্ড উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। উৎপাদিত পণ্য ভারত ও কম্বোডিয়ার জুতা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী জুতা কারখানাগুলোতে সরবরাহ করা হবে। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান এ বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বেপজার ওপর অব্যাহত আস্থা রাখার জন্য কেপিএসটিকে ধন্যবাদ জানান। কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক ঝ্যাং ইউগিউ বলেন, ‘আমাদের প্রথম কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা ও ক্রয়াদেশ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন আরেকটি কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশ বিবেচনায় এ সম্প্রসারণের জন্য বেপজাকে বেছে নিয়েছি। আমরা আশাবাদী, এ নতুন উদ্যোগ আমাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে আরও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।’  চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, নির্বাহী পরিচালক (নিরাপত্তা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোহসীন হাসান, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মসিহউদ্দিন বিন মেসবাহ, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ.এস.এম. আনোয়ার পারভেজসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি
এফবিসিসিআই রপ্তানি গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে বিভিন্ন খাত ভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশন এবং চেম্বারসমূহকে নিয়ে সভা করেছে এফবিসিসিআইয়ের রপ্তানি গবেষণা সেল।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) এফবিসিসিআই’র মতিঝিল কার্যালয়ে উক্ত গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এক সংবাদ বিপ্তিতে বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। এতে বলা হয়, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, সম্ভাবনাময় খাতসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুযোগ-সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে সম্প্রতি সকল চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনে রপ্তানি গবেষণা সেল গঠণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায়, দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) একটি রপ্তানি গবেষণা সেল গঠন করে। সেলটি মূলত বাজার বিশ্লেষণ, পলিসি অ্যাডভোকেসি এবং বিভিন্ন চেম্বার ও খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত গবেষণা ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবে। সেলের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে এফবিসিসিআইয়ের সদস্যভুক্ত সকল চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনকে নিজ নিজ খাতের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানায় সংগঠনের প্রশাসক মো. ফজলুল হক।  সভায় রপ্তানি গবেষণা সেলের কার্যক্রমের ওপর একটি বিষদ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর। সভার মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ তাদের মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। সভায় সরাসরি এবং ভার্চুয়্যালি অংশগ্রহণ করেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, এমসিসিআইর প্রতিনিধি, চাঁদপুর উইমেন চেম্বার, কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন, ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, অ্যালুমিনিয়াম ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ হালকা প্রকৌশল এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের নেতারা। আরটিভি/এসআর  
এফবিসিসিআই রপ্তানি গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
১৩ দিনে এলো ১৭ হাজার ২৮১ কোটি টাকা রেমিট্যান্স
চলতি মাসের প্রথম ১৩ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১৪০ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ১৭ হাজার ২৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।
১৩ দিনে এলো ১৭ হাজার ২৮১ কোটি টাকা রেমিট্যান্স
দুই দিন বন্ধ থাকবে সোনালী ব্যাংকের সব সেবা
কোর ব্যাংকিং সিস্টেম (সিবিএস) আপগ্রেডেশনের কারণে টানা দুই দিন বন্ধ থাকবে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের এটিএম সেবা, কার্ড সার্ভিসসহ সব ধরনের ডিজিটাল ও আর্থিক লেনদেন।
দুই দিন বন্ধ থাকবে সোনালী ব্যাংকের সব সেবা
গাছের রসে ১৫০ কোটি টাকার অর্থনীতি, গতি ফিরছে যশোরের গ্রামীণ জীবনে
‘যশোরের যশ, খেজুরের রস’—শত বছরের এই চেনা প্রবাদটি কেবল লোকসংস্কৃতির অংশই নয়, বরং দেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। 
গাছের রসে ১৫০ কোটি টাকার অর্থনীতি, গতি ফিরছে যশোরের গ্রামীণ জীবনে
আরও পড়ুন
উপকূলে কেওড়ার বাম্পার ফলন, বাড়ছে আয়ের সম্ভাবনা
বাম্পার ফলনে পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে দেশ
হিলিতে ধানের বদলে বেগুনের বাম্পার ফলন, চরাঞ্চলে চিনা আবাদে ঝুঁকছেন কৃষকরা