বিশ্ব অর্থনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার কারণে আন্তর্জাতিক সোনাবাজারে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দাম কমে যাওয়ার প্রবণতা খুব অল্প সময় স্থায়ী হলেও পরে আবার ঊর্ধ্বমুখী হয় মূল্যবান এই ধাতুর বাজার।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের সঙ্গে নতুন আলোচনা শুরুর সম্ভাবনা এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি কিছুটা শিথিল হওয়ার ইঙ্গিত বিশ্ববাজারে সোনার দামে প্রভাব ফেলেছে। তেলের দাম কমে যাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতির চাপ কিছুটা কমে আসে, ফলে সোনার বাজারে ওঠানামা দেখা যায়।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ ৩০ এপ্রিল রাতে সোনার দাম ভরিপ্রতি ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করে। সেই দাম অনুযায়ী ২ মে শনিবার থেকেই নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
নতুন নির্ধারিত দামে, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা,সনাতন পদ্ধতির ভরি ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা।
আন্তর্জাতিক বাজারেও সোনার পাশাপাশি অন্যান্য ধাতুর দাম বেড়েছে। স্পট গোল্ড, সিলভার, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।
বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যুক্ত হবে। গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির হার পরিবর্তিত হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে আগামী দিনগুলোতেও সোনার বাজারে ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে।
আরটিভি/এসকে



