ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

নগদ লভ্যাংশের ‘নতুন শর্তে’ চাপে অধিকাংশ ব্যাংক, পুঁজিবাজারে প্রভাবের শঙ্কা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৬, ১১:৫৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ব্যাংকিং খাতের মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের নেওয়া নতুন এক সিদ্ধান্তের কারণে চরম চাপে পড়েছে দেশের অধিকাংশ বাণিজ্যিক ব্যাংক। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকার নিচে থাকা ব্যাংকগুলো শেয়ারহোল্ডারদের কোনো নগদ লভ্যাংশ (ক্যাশ ডিভিডেন্ড) দিতে পারবে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই কঠোর শর্তের কারণে আগামী বছর থেকে দেশের তালিকাভুক্ত প্রায় সব ব্যাংকই নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার যোগ্যতা হারাচ্ছে, যা সামগ্রিক পুঁজিবাজারে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

শনিবার (২৩ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের সাস্টেইনেবিলিটি অ্যান্ড সুপারভিশন পলিসি ডিপার্টমেন্ট থেকে জারি করা এক পরিপত্রের মাধ্যমে এই নতুন নীতিমালার কথা জানানো হয়। ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের বার্ষিক হিসাব ও তার পরবর্তী লভ্যাংশ ঘোষণার ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে কেবল ব্র্যাক ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি-এর পরিশোধিত মূলধন ২ হাজার কোটি টাকার ওপরে রয়েছে। তবে ন্যাশনাল ব্যাংক ধারাবাহিক লোকসানের মধ্যে থাকায় আইন অনুযায়ী তারা কোনো লভ্যাংশ দিতে পারবে না। ফলে দেশের এতগুলো তালিকাভুক্ত ব্যাংকের মধ্যে একমাত্র ব্র্যাক ব্যাংকই আগামী বছর নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সুযোগ পাবে। এ ছাড়া ২ হাজার কোটি টাকার শর্ত পূরণ করা ব্যাংকের ক্ষেত্রেও নগদ লভ্যাংশের ওপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশের সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে এবং বাকি অংশ বোনাস শেয়ার হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই আকস্মিক পদক্ষেপে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ভালো ব্যাংকগুলোর শেয়ারহোল্ডার ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ পাওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেলে বাজারে এর বড় ধাক্কা লাগবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

সিএফএ সোসাইটি বাংলাদেশের সভাপতি আসিফ খান এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে বলেন, বর্তমানে মাত্র একটি ব্যাংক কার্যকরভাবে এই শর্ত পূরণ করতে পারছে। ফলে বেশির ভাগ সবল ব্যাংকও আগামী বছর থেকে নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না, যা নিশ্চিতভাবেই পুঁজিবাজারকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করবে।

আরও পড়ুন

আসিফ খান আরও বলেন, অনেক ব্যাংকের মূলধন পর্যাপ্ততা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং কোনো প্রভিশন ঘাটতি নেই, তারপরও কেবল পরিশোধিত মূলধন কম হওয়ার কারণে তাদের নগদ লভ্যাংশ দেওয়া থেকে বিরত রাখা অযৌক্তিক। এ ছাড়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নিয়মের সঙ্গেও এর নীতিগত সংঘাত তৈরি হবে, কারণ লভ্যাংশ না দিলে তালিকাভুক্ত কোম্পানির ওপর বাড়তি কর আরোপের নিয়ম রয়েছে।

অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি)-এর চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, ‘এই নিয়মের কারণে এখন সুস্থ ও ভালো ব্যাংকগুলোর শেয়ারহোল্ডাররা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বিনিয়োগের জন্য মানুষকে পুঁজিবাজারে যেতে উৎসাহিত করার যে সরকারি এজেন্ডা রয়েছে, এই সিদ্ধান্ত তাতে মোটেও সাহায্য করবে না।’ তিনি পরিশোধিত মূলধনের পরিবর্তে ‘মূলধন পর্যাপ্ততার অনুপাত’ বা সিএআর বিবেচনা করার দাবি জানান।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, সিটি ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৭৪৯ কোটি, ইস্টার্ন ব্যাংকের ১ হাজার ৬৪৩ কোটি, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের ১ হাজার ৬০৯ কোটি এবং ইউসিবির ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। এ ছাড়া পূবালী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, সাউথইস্ট ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংকসহ অন্য সব শীর্ষ ব্যাংকই এই ২ হাজার কোটি টাকার সীমার নিচে রয়েছে। এখন নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার যোগ্যতা ফিরে পেতে ব্যাংকগুলোকে দ্রুত রাইট শেয়ার ছাড়ার মাধ্যমে পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর চাপ সামলাতে হবে।

যদিও বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আমানতকারীদের সুরক্ষা ও দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতার কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে এটি ব্যাংকগুলোর আর্থিক নমনীয়তা যেমন কমাবে, তেমনি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থায় বড় ফাটল ধরাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি
বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ দ্বিতীয় কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি ৭.০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। নতুন কারখানাটিতে প্রায় ২০০ বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকায় বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সঙ্গে কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।  বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ঝ্যাং ইউগিউ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।  বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ। নতুন কারখানাটি বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ ৭ হাজার ২০০ বর্গমিটার জমিতে স্থাপন করা হবে। সেখানে ফুটওয়্যার অ্যাকসেসরিজ, ব্যাগ ও লাগেজের যন্ত্রাংশ, কাগজজাত পণ্য, মুদ্রিত সামগ্রী এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক পণ্য উৎপাদন করা হবে। কারখানাটিতে বছরে ১১ মিলিয়ন জোড়া ফুটওয়্যার অ্যাকসেসরিজ, ২৪ হাজার ঘনমিটার ফোম, দুই লাখ পিস কাটিং বোর্ড এবং আড়াই লাখ পিস কাটিং ডাইস ও মোল্ড উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। উৎপাদিত পণ্য ভারত ও কম্বোডিয়ার জুতা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী জুতা কারখানাগুলোতে সরবরাহ করা হবে। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান এ বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বেপজার ওপর অব্যাহত আস্থা রাখার জন্য কেপিএসটিকে ধন্যবাদ জানান। কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক ঝ্যাং ইউগিউ বলেন, ‘আমাদের প্রথম কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা ও ক্রয়াদেশ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন আরেকটি কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশ বিবেচনায় এ সম্প্রসারণের জন্য বেপজাকে বেছে নিয়েছি। আমরা আশাবাদী, এ নতুন উদ্যোগ আমাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে আরও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।’  চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, নির্বাহী পরিচালক (নিরাপত্তা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোহসীন হাসান, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মসিহউদ্দিন বিন মেসবাহ, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ.এস.এম. আনোয়ার পারভেজসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি
এফবিসিসিআই রপ্তানি গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে বিভিন্ন খাত ভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশন এবং চেম্বারসমূহকে নিয়ে সভা করেছে এফবিসিসিআইয়ের রপ্তানি গবেষণা সেল।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) এফবিসিসিআই’র মতিঝিল কার্যালয়ে উক্ত গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এক সংবাদ বিপ্তিতে বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। এতে বলা হয়, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, সম্ভাবনাময় খাতসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুযোগ-সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে সম্প্রতি সকল চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনে রপ্তানি গবেষণা সেল গঠণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায়, দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) একটি রপ্তানি গবেষণা সেল গঠন করে। সেলটি মূলত বাজার বিশ্লেষণ, পলিসি অ্যাডভোকেসি এবং বিভিন্ন চেম্বার ও খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত গবেষণা ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবে। সেলের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে এফবিসিসিআইয়ের সদস্যভুক্ত সকল চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনকে নিজ নিজ খাতের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানায় সংগঠনের প্রশাসক মো. ফজলুল হক।  সভায় রপ্তানি গবেষণা সেলের কার্যক্রমের ওপর একটি বিষদ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর। সভার মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ তাদের মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। সভায় সরাসরি এবং ভার্চুয়্যালি অংশগ্রহণ করেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, এমসিসিআইর প্রতিনিধি, চাঁদপুর উইমেন চেম্বার, কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন, ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, অ্যালুমিনিয়াম ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ হালকা প্রকৌশল এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের নেতারা। আরটিভি/এসআর  
এফবিসিসিআই রপ্তানি গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
১৩ দিনে এলো ১৭ হাজার ২৮১ কোটি টাকা রেমিট্যান্স
চলতি মাসের প্রথম ১৩ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১৪০ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ১৭ হাজার ২৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।
১৩ দিনে এলো ১৭ হাজার ২৮১ কোটি টাকা রেমিট্যান্স
দুই দিন বন্ধ থাকবে সোনালী ব্যাংকের সব সেবা
কোর ব্যাংকিং সিস্টেম (সিবিএস) আপগ্রেডেশনের কারণে টানা দুই দিন বন্ধ থাকবে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের এটিএম সেবা, কার্ড সার্ভিসসহ সব ধরনের ডিজিটাল ও আর্থিক লেনদেন।
দুই দিন বন্ধ থাকবে সোনালী ব্যাংকের সব সেবা
গাছের রসে ১৫০ কোটি টাকার অর্থনীতি, গতি ফিরছে যশোরের গ্রামীণ জীবনে
‘যশোরের যশ, খেজুরের রস’—শত বছরের এই চেনা প্রবাদটি কেবল লোকসংস্কৃতির অংশই নয়, বরং দেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। 
গাছের রসে ১৫০ কোটি টাকার অর্থনীতি, গতি ফিরছে যশোরের গ্রামীণ জীবনে
আরও পড়ুন
দুই দিন বন্ধ থাকবে সোনালী ব্যাংকের সব সেবা
কমিউনিটি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে
অর্থপাচার ও নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনে ব্যাংক অব আমেরিকাকে ১২১ কোটি ডলার জরিমানা
১২ দিনে এলো ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়