ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘২০২ দেশে পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ’

বাসস

প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:১১ পিএম
ফাইল ছবি

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিশ্বের ২০২টি দেশে পণ্য রপ্তানি করেছে।

আজ সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ এবং একটি খাতের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত থেকে আসে। এ নির্ভরতা কমাতে সরকার চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, ওষুধ শিল্প, আইসিটি ও সফটওয়্যার সেবা, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, হিমায়িত খাদ্য ও মাছ এবং প্লাস্টিক পণ্যের মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে একই ধরনের নীতিগত সহায়তা দিচ্ছে।

তিনি জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনার আলোকে এসব খাতের আংশিক রপ্তানিকারকদের ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে বন্ড সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

আঞ্চলিক রপ্তানি বৃদ্ধি ও পণ্যের বৈচিত্র্য আনতে জাপানের ‘ওয়ান ভিলেজ ওয়ান প্রোডাক্ট’ মডেলের আদলে ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট (ওডিওপি)’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আওতায় দেশের ৬৪ জেলার জন্য ইতোমধ্যে ১৪টি পণ্য চিহ্নিত করা হয়েছে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের ফলে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা হারানোর আশঙ্কা রয়েছে, যা প্রায় ১৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানিকে প্রভাবিত করতে পারে।

এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষর করেছে। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির আলোচনা চলছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আরসিইপি সদস্য দেশসমূহ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, চীনসহ অন্যান্য সম্ভাব্য বাজারের সঙ্গে ইপিএ, সিইপিএ ও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি জানান, টেকসই রপ্তানি প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে রপ্তানি নীতি ২০২৪-২০২৭ প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রচলিত বাজার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাইরে নতুন বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ব্রাজিল, মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, সিআইএসভুক্ত দেশ এবং বিভিন্ন আফ্রিকান দেশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ।

মন্ত্রী বলেন, লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা ও সিআইএসভুক্ত দেশগুলোতে বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ বাণিজ্য প্রতিনিধি দল পাঠানো হচ্ছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা ও সিআইএস অঞ্চলে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি জানান, শুল্ক ও অশুল্ক বাধা দূর করতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সিআইপি মর্যাদা ও এক্সপোর্ট ট্রফি প্রদানের মাধ্যমে রপ্তানিকারকদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।

রপ্তানিকারকদের দক্ষতা উন্নয়নে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, কাঁচামাল আমদানিতে সহায়তার জন্য এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইডিএফ) থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ‘৫ হাজার কোটি টাকার প্রি-শিপমেন্ট ঋণ তহবিল’ গঠন করেছে, যেখানে স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোর মাধ্যমে অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করা হয়েছে এবং বাণিজ্য উইংগুলো রপ্তানি বৃদ্ধি ও বাংলাদেশি পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ে কাজ করছে।

পণ্যের বৈচিত্র্য, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা, নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সরকার ‘পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টস’কে ২০২৬ সালের বর্ষসেরা রপ্তানি পণ্য ঘোষণা করেছে।

তিনি আরও জানান, পণ্যের মান ও বৈচিত্র্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজন অব্যাহত রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করেছে, যা রপ্তানি উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সময়ে ইপিবি ৪৬টি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলাকে তাদের ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার পার্শ্ব-আয়োজন হিসেবে ৮টি সেমিনারের আয়োজন করেছে।

মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক মূল্য শৃঙ্খলে (গ্লোবাল ভ্যালু চেইন) অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং রপ্তানিনির্ভর বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে এফটিএ, ইপিএ ও সিইপিএভিত্তিক উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

এলডিসি উত্তরণ এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নিয়ম মেনে নগদ সহায়তার পরিবর্তে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডসম্মত বিকল্প প্রণোদনা ব্যবস্থা চালুর বিষয়েও সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান।

দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কার সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও গভীর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে এলডিসি-উত্তর সময়ে বাংলাদেশ নির্বিঘ্ন ও টেকসইভাবে এগিয়ে যেতে পারে।

এছাড়া জিসিসি, মার্কোসুরভুক্ত দেশ, রাশিয়া, পূর্ব ইউরোপ, পূর্ব এশিয়া এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। ভিয়েতনাম, হংকং, তুরস্ক ও নাইজেরিয়ার সঙ্গে এফটিএ স্বাক্ষরের সম্ভাব্যতা সমীক্ষাও যথাসময়ে সরকারি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে বলে তিনি জানান।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি
বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ দ্বিতীয় কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি ৭.০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। নতুন কারখানাটিতে প্রায় ২০০ বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকায় বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সঙ্গে কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের ভূমি ইজারা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।  বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ঝ্যাং ইউগিউ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।  বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ। নতুন কারখানাটি বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-১ এ ৭ হাজার ২০০ বর্গমিটার জমিতে স্থাপন করা হবে। সেখানে ফুটওয়্যার অ্যাকসেসরিজ, ব্যাগ ও লাগেজের যন্ত্রাংশ, কাগজজাত পণ্য, মুদ্রিত সামগ্রী এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক পণ্য উৎপাদন করা হবে। কারখানাটিতে বছরে ১১ মিলিয়ন জোড়া ফুটওয়্যার অ্যাকসেসরিজ, ২৪ হাজার ঘনমিটার ফোম, দুই লাখ পিস কাটিং বোর্ড এবং আড়াই লাখ পিস কাটিং ডাইস ও মোল্ড উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। উৎপাদিত পণ্য ভারত ও কম্বোডিয়ার জুতা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী জুতা কারখানাগুলোতে সরবরাহ করা হবে। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান এ বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশে কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বেপজার ওপর অব্যাহত আস্থা রাখার জন্য কেপিএসটিকে ধন্যবাদ জানান। কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক ঝ্যাং ইউগিউ বলেন, ‘আমাদের প্রথম কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা ও ক্রয়াদেশ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন আরেকটি কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশ বিবেচনায় এ সম্প্রসারণের জন্য বেপজাকে বেছে নিয়েছি। আমরা আশাবাদী, এ নতুন উদ্যোগ আমাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে আরও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।’  চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) আবদুল্লাহ আল মামুন, নির্বাহী পরিচালক (নিরাপত্তা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোহসীন হাসান, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মসিহউদ্দিন বিন মেসবাহ, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ.এস.এম. আনোয়ার পারভেজসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কেপিএসটি নিউ ম্যাটেরিয়াল (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে চীনা প্রতিষ্ঠান কেপিএসটি
এফবিসিসিআই রপ্তানি গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে বিভিন্ন খাত ভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশন এবং চেম্বারসমূহকে নিয়ে সভা করেছে এফবিসিসিআইয়ের রপ্তানি গবেষণা সেল।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) এফবিসিসিআই’র মতিঝিল কার্যালয়ে উক্ত গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এক সংবাদ বিপ্তিতে বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। এতে বলা হয়, রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ, সম্ভাবনাময় খাতসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সুযোগ-সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে সম্প্রতি সকল চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনে রপ্তানি গবেষণা সেল গঠণের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায়, দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) একটি রপ্তানি গবেষণা সেল গঠন করে। সেলটি মূলত বাজার বিশ্লেষণ, পলিসি অ্যাডভোকেসি এবং বিভিন্ন চেম্বার ও খাতভিত্তিক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত গবেষণা ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করবে। সেলের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে এফবিসিসিআইয়ের সদস্যভুক্ত সকল চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনকে নিজ নিজ খাতের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানায় সংগঠনের প্রশাসক মো. ফজলুল হক।  সভায় রপ্তানি গবেষণা সেলের কার্যক্রমের ওপর একটি বিষদ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর। সভার মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ তাদের মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। সভায় সরাসরি এবং ভার্চুয়্যালি অংশগ্রহণ করেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, এমসিসিআইর প্রতিনিধি, চাঁদপুর উইমেন চেম্বার, কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন, ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, অ্যালুমিনিয়াম ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ হালকা প্রকৌশল এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের নেতারা। আরটিভি/এসআর  
এফবিসিসিআই রপ্তানি গবেষণা সেলের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত
১৩ দিনে এলো ১৭ হাজার ২৮১ কোটি টাকা রেমিট্যান্স
চলতি মাসের প্রথম ১৩ দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১৪০ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ১৭ হাজার ২৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।
১৩ দিনে এলো ১৭ হাজার ২৮১ কোটি টাকা রেমিট্যান্স
দুই দিন বন্ধ থাকবে সোনালী ব্যাংকের সব সেবা
কোর ব্যাংকিং সিস্টেম (সিবিএস) আপগ্রেডেশনের কারণে টানা দুই দিন বন্ধ থাকবে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের এটিএম সেবা, কার্ড সার্ভিসসহ সব ধরনের ডিজিটাল ও আর্থিক লেনদেন।
দুই দিন বন্ধ থাকবে সোনালী ব্যাংকের সব সেবা
গাছের রসে ১৫০ কোটি টাকার অর্থনীতি, গতি ফিরছে যশোরের গ্রামীণ জীবনে
‘যশোরের যশ, খেজুরের রস’—শত বছরের এই চেনা প্রবাদটি কেবল লোকসংস্কৃতির অংশই নয়, বরং দেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। 
গাছের রসে ১৫০ কোটি টাকার অর্থনীতি, গতি ফিরছে যশোরের গ্রামীণ জীবনে
আরও পড়ুন
সরকার শিক্ষা খাতে জিডিপির পাঁচ ভাগ বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে: ড. মাছুমা হাবিব
পাকিস্তানের সাথে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও শিল্পখাতে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা
মিশরের পোর্টসাইদ থেকে দেশে ফিরলেন ভূমধ্যসাগরে উদ্ধার হওয়া ৫৮ বাংলাদেশি
চাকরির জন্য রাশিয়ায় নিয়ে নামানো হয় যুদ্ধে, প্রথম দিনেই প্রাণ হারান ১৭ বাংলাদেশি