লঞ্চ, জাহাজ বা স্টিমারে চলাচলের সময় অনেকেই খেয়াল করে থাকেন এসব নৌযানের নামের আগে লেখা থাকে ‘এমভি’ (M.V)। যেমন, এমভি সুন্দরবন, এমভি কীর্তনখোলা বা এমভি রাজনগর এক্সপ্রেস। কিন্তু কখনো ভেবেছেন কি, এই ‘এমভি’ কথাটির মানে কী?
‘এম.ভি’ বা M.V এর পূর্ণরূপ হলো ‘Motor Vessel’, যার অর্থ ‘মোটরচালিত নৌযান’। অর্থাৎ, নৌযানটি ইঞ্জিন বা মোটরের সাহায্যে চলে। সাধারণত যেসব নৌযান ইঞ্জিনচালিত নয়, সেগুলোর নামের আগে এমভি লেখা হয় না।
এই নামকরণ মূলত আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক প্রথা অনুসারে হয়ে থাকে। নৌপরিবহন খাতে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, ইঞ্জিনচালিত জাহাজের নামের আগে M.V (Motor Vessel), আর স্টিমচালিত জাহাজের আগে S.S (Steam Ship) লেখা হয়।
বাংলাদেশেও ইঞ্জিনচালিত যাত্রীবাহী বা মালবাহী নৌযানের নামের আগে এমভি লেখা বাধ্যতামূলক। এসব নৌযান দূরপাল্লার পথে যাত্রী ও ভারী মালামাল পরিবহনে ব্যবহৃত হয়।
সরকারের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি নৌযান চলাচলের আগে নিবন্ধন ও লাইসেন্স নিতে হয়। নিবন্ধনের সময় নৌযানের নামের সঙ্গেই ‘এমভি’ সংযুক্ত করে অনুমোদন দেওয়া হয়। এ ছাড়া বৈধ কলসাইনসহ বেতারযন্ত্রও (রেডিও) রাখতে হয়, যাতে নদী বা সাগরে চলাচলরত জাহাজগুলো একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সাহায্য চাইতে পারে।
অর্থাৎ, ‘এমভি’ শুধু একটি নাম নয়, এটি নৌযানের ধরন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার প্রতীকও বটে।
আরটিভি/এসকে




