যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শহর নিউইয়র্কে ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম এবং দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত রাজনীতিবিদ হিসেবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন জোহরান মামদানি। তরুণ ডেমোক্র্যাট এই নেতার বিপুল বিজয়কে ডেমোক্র্যাটিক পার্টিতে নতুন ধারার সূচনা বলে উল্লেখ করেছেন বিশ্লেষকরা। একই সঙ্গে কেউ কেউ আমেরিকার ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্ট হিসেবেও কল্পনা করছেন তাকে। তবে তিনি কি আসলেই পারবেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হতে?
বিপুল জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও, জোরান মামদানির প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে প্রধান বাধা হলো সাংবিধানিক শর্ত। আমেরিকার সংবিধানের আর্টিকেল টু-এর সেকশন ওয়ানে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর জন্য তিনটি প্রাথমিক শর্তের কথা বলা হয়েছে।
যার প্রথমটি হলো জন্মসূত্রে আমেরিকার নাগরিক হতে হবে। দ্বিতীয়টি হলো কমপক্ষে ৩৫ বছর বয়স হতে হবে এবং সর্বশেষটি হলো দেশটিতে অন্তত ১৪ বছর বসবাসের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
মামদানির জন্ম তার বাবার কর্মস্থল উগান্ডার কাম্পালায়, তাই তিনি প্রথম সাংবিধানিক শর্তটি পূরণ করতে পারেন না। জন্মসূত্রে নাগরিক না হওয়ায় তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। যদিও মেয়রের দায়িত্ব পালন শেষে তার বয়স হবে ৩৮ বছর এবং ১৪ বছর বসবাসের অভিজ্ঞতাও তার রয়েছে।
মামদানির প্রেসিডেন্ট হওয়ার একমাত্র পথ হলো আমেরিকার সংবিধান সংশোধন করা, যা খুবই জটিল একটি প্রক্রিয়া। যেখানে কংগ্রেসের দুই চেম্বারের তিন ভাগের দুই ভাগ সমর্থন লাগবে। একই সঙ্গে দুই তৃতীয়াংশ স্টেইটের সমর্থন পেতে হবে।
আরটিভি/এআর




