যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ চীন সাগর থেকে একটি বিমানবাহী রণতরী ও তার স্ট্রাইক গ্রুপকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগনের এই নির্দেশনা অনুযায়ী, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরী ও তার সঙ্গে থাকা যুদ্ধজাহাজগুলো ইতোমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য বা ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন নেই।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, গত অক্টোবরে ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড বিমানবাহী রণতরীকে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে চাপ প্রয়োগের কৌশলের অংশ হিসেবে ভূমধ্যসাগর থেকে ক্যারিবীয় অঞ্চলে পাঠানো হয়েছিল। ফলে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য উত্তেজনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে মধ্যপ্রাচ্যে তাৎক্ষণিক ব্যবহারযোগ্য কোনো বিমানবাহী রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপ ছিল না।
একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যারিবীয় অঞ্চলে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন রয়েছে, যেখানে মধ্যপ্রাচ্যে মাত্র ৬টি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে।
অপরদিকে, সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্য দিয়ে ইরান তার আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করার পর আবারও খুলে দিয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, ইরানের আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে এবং তেহরানের দিকে বিমান প্রবেশ করতে দেখা যাচ্ছে।
ফ্লাইটরাডার২৪ জানায়, ইরানের আকাশসীমায় চলাচল নিষেধাজ্ঞার নোটিশ (নোটাম) এর মেয়াদ শেষ হয়েছে। এর ফলে একাধিক বিমান দেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছে। এর আগে নিরাপত্তাজনিত কারণে ইরান সমস্ত ধরনের বিমান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করেছিল এবং কিছু অনুমোদিত ফ্লাইট সীমিত পরিসরে চলাচলের অনুমতি পেয়েছিল।
ইরানের প্রাথমিক ঘোষণায় জানানো হয়েছিল, ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তেহরানের আকাশসীমা বন্ধ থাকবে এবং শুধুমাত্র নির্দিষ্ট অনুমোদিত ফ্লাইটগুলো চলাচল করতে পারবে। এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার নতুন দিক নির্দেশ করছে।
আরটিভি/এসকে





