মার্কিন গণমাধ্যম সিবিএস জানিয়েছে, শনিবারের (২১ ফেব্রুয়ারি) মধ্যেই ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হামলার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্য হতে পারে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়োতুল্লাহ আলি খামেনি ও ইরানের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব। একই সঙ্গে ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচিতে হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল।
ইরানও সরাসরি শক্তি প্রদর্শন করেছে। চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ নৌ মহড়া করেছে ওমান সাগর ও ভারত মহাসাগরে। এর আগে হরমুজ প্রণালীতে নৌ মহড়া চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
এক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য হামলার সম্ভাবনা প্রায় ৯০ শতাংশ। রয়টার্স জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে কিছু সেনা সদস্যকে ফেরত আনা এবং ইউরোপে মোতায়েন করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার চূড়ান্ত লক্ষ্য ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন করা। ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানায়, ট্রাম্প প্রশাসন আয়োতুল্লাহ খামেনি ও অন্যান্য শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের হত্যার পরিকল্পনা করছে। তবে কূটনৈতিক পথও খোলা রেখেছেন ট্রাম্প।
ইসরাইলের গণমাধ্যম কেএনএন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন পেলে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতায় হামলার প্রস্তুতি নেবে ইসরাইল। এর সঙ্গে ইসরাইলি সেনাবাহিনী সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু হোম ফ্রন্ট কমান্ড ও উদ্ধার সংস্থাগুলোকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, গত একদিনে ইরানের কাছে এফ-৩৫, এফ-২২ এবং এফ-১৬ মিলিয়ে ৫০টির বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যা ২০০৩ সালে ইরাকে হামলার সময় মোতায়েন সেনার চেয়ে বেশি।
আরটিভি/এসকে




