যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’-এর দ্বিতীয় দিনে ভয়াবহ পাল্টা আঘাত হেনেছে ইরান।
রোববার(১ মার্চ) সকালে ইরানের ছোঁড়া শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জেরুজালেমের প্রায় ৩০ কিলোমিটার (১৯ মাইল) পশ্চিমে অবস্থিত ইসরায়েলের বেইত শেমেশ শহরে অন্তত আটজন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং হতাহতদের উদ্ধারে জাতীয় জরুরি সেবা মাগেন ডেভিড অ্যাডমের (এমডিএ) প্রায় ৩০টি অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, হোম ফ্রন্ট কমান্ডের বিশেষ উদ্ধারকারী দল এবং কয়েকশ চিকিৎসাকর্মী বর্তমানে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ করছেন। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য সামরিক হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সরাসরি আঘাত ছাড়াও ইসরায়েলজুড়ে জারি করা রেড অ্যালার্ট বা সাইরেনের শব্দে জনমনে চরম ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে। রোববার সকালে প্রথম দফা সাইরেন বাজার সময় নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ‘সেফ রুমে’ যাওয়ার পথে ৬০ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
ইচিলভ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ জানিয়েছে, সাইরেন শুনে দৌড়ে সেফ রুমে যাওয়ার সময় ওই নারী তীব্র শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন। প্যারামেডিকরা তাকে কৃত্রিমভাবে শ্বাস দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরটিভি/এআর




