ইরানের পর যে দেশের দিকে নজর দিতে পারেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ , ০৮:৫৩ এএম


ইরানের পর যে দেশের দিকে নজর দিতে পারেন ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের চলমান সংকট বা যুদ্ধ পরিস্থিতির সুরাহা হওয়ার পর কিউবার দিকে নজর দেবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী এবং খুব শিগগিরই দুই দেশের মধ্যে হয় কোনো সমঝোতা হবে, নতুবা ওয়াশিংটন অন্য কোনো পদক্ষেপ নিতে পারে।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সময় রোববার (১৫ মার্চ) প্রেসিডেন্টের সরকারি উড়োজাহাজ এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। খবর রয়টার্স

ট্রাম্প বলেন, কিউবার সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা চলছে, তবে ইরানের ইস্যুটি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তিনি কিউবার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চান না। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্কের দেশ দুইটির মধ্যে নতুন কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, আমার মনে হয় খুব শিগগিরই আমরা হয় একটি চুক্তিতে পৌঁছাব, নয়তো আমাদের যা করার তা-ই করব। আমরা কিউবার সঙ্গে কথা বলছি, কিন্তু কিউবার আগে আমরা ইরানের বিষয়টি শেষ করতে যাচ্ছি।

দীর্ঘদিন ধরে চলা নিষেধাজ্ঞা, কূটনৈতিক টানাপড়েন এবং অভিবাসন ইস্যুকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও হাভানার সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সময় কিউবার জ্বালানি আমদানির ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করা হলে দেশটিতে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট দেখা দেয়।

বিজ্ঞাপন

বর্তমানে কিউবা কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করছে বলে স্বীকার করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ কানেল। এই পরিস্থিতিতে উত্তেজনা কমাতে কিউবা সরকার যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে এবং দ্বিপাক্ষিক মতপার্থক্য নিরসনে সম্ভাব্য সমাধান খুঁজছে।

ট্রাম্প আরও বলেন, মানুষ কিউবার এই গল্পের ইতি শোনার জন্য ৫০ বছর ধরে অপেক্ষা করছে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে কিউবার অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ভোরে দেশটির মোরন শহরে বিক্ষোভকারীরা স্থানীয় কমিউনিস্ট পার্টির কার্যালয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও অগ্নিসংযোগ করে। এ ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আরও পড়ুন

সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্প দাবি করে আসছেন, কিউবা ভেঙে পড়ার মুখে রয়েছে। এমনকি তিনি মন্তব্য করেছেন, দেশটি বন্ধুত্বপূর্ণ দখল এর মুখেও পড়তে পারে।

তবে মার্কিন কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, কিউবার ওপর থেকে চাপ কমানোর বিষয়টি অনেকটাই নির্ভর করবে হাভানার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের ওপর। অন্যদিকে কিউবার নেতৃত্ব সংলাপের কথা বললেও দেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে কোনো আপস করবে না বলে জানিয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission