পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ফিলিস্তিনিদের আল-আকসা মসজিদে প্রবেশে বাধা দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ফলে শত শত মুসল্লি মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে প্রবেশদ্বার ও আশপাশের সড়কে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমের বিভিন্ন প্রবেশপথ বিশেষ করে দামাস্কাস গেটসহ এলাকায় বিপুলসংখ্যক মুসল্লি জড়ো হন। তবে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী মসজিদে প্রবেশের সব পথ বন্ধ করে দিলে তারা বাইরে ঈদের জামাত আদায় করতে বাধ্য হন।
এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জেরুজালেম গভর্নরেট। তারা এই পদক্ষেপকে ‘বিপজ্জনক উসকানি’ এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত বলে অভিহিত করেছে। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফার বরাতে জানানো হয়, এমন পদক্ষেপের লক্ষ্য আল-আকসাকে তার ইসলামি ও ফিলিস্তিনি পরিচয় থেকে বিচ্ছিন্ন করা।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, টানা ২১ দিন ধরে আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখা হয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।
অন্যদিকে, গাজায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই ঈদ উদযাপন করছেন ফিলিস্তিনিরা। উপত্যকাজুড়ে খোলা জায়গা ও ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদের সামনে পরিবারসহ ঈদের নামাজ আদায় করতে দেখা গেছে তাদের। চলমান সংঘাত, প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও ধর্মীয় ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা করছেন সাধারণ মানুষ।
উল্লেখ্য, গাজা উপত্যকায় প্রায় ১,২৪০টি মসজিদের মধ্যে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে ১,১০০টির বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
আরটিভি/এসকে





