ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

মজুদ প্রায় শেষের পথে যুক্তরাষ্ট্রের ভয়ংকর ক্রুজ মিসাইলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সামরিক ঘাঁটির ওপর উপর্যুপরি হামলা চালাতে গিয়ে নিজেদের সবচেয়ে আধুনিক ও শক্তিশালী 'জেএএসএসএম-ইআর' ক্রুজ মিসাইলের প্রায় পুরো ভাণ্ডারই খালি করে ফেলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক যে বিশ্বের অন্য অঞ্চলে সম্ভাব্য যেকোনো বড় সংঘাত বা যুদ্ধ মোকাবিলার জন্য আপদকালীন সংরক্ষিত মজুদ থেকেও এখন এই দূরপাল্লার বিধ্বংসী মিসাইলগুলো সরাতে বাধ্য হচ্ছে পেন্টাগন।

এই স্পর্শকাতর বিষয়ে সরাসরি অবগত আছেন এমন এক সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রতিটি ১৫ লাখ ডলার মূল্যের আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য এই মিসাইলগুলো গত মার্চের শেষ নাগাদ প্যাসিফিক কমান্ডের মজুদ থেকে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেন্ট্রাল কমান্ডের আওতাধীন চলমান যুদ্ধক্ষেত্র এবং যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে এসব মারণাস্ত্র অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে দ্রুত মোতায়েন করা হচ্ছে।

সামরিক তথ্য অনুযায়ী চলমান এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঠিক আগে খোদ আমেরিকার কাছে সব মিলিয়ে সর্বমোট ২৩০০টি এই 'জেএএসএসএম-ইআর' ক্রুজ মিসাইলের শক্তিশালী মজুদ ছিল। কিন্তু যুদ্ধের প্রথম চার সপ্তাহেই তারা অন্তত ১০০০টির বেশি মিসাইল খরচ করে ফেলেছে।

এদিকে, বর্তমানে এই স্থানান্তরের পর বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোর জন্য সব মিলিয়ে মাত্র ৪২৫টি এই ধরনের মিসাইল অবশিষ্ট থাকবে যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য বলে মনে করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন

তাদের মতে, ফুরিয়ে আসা এই সীমিত মজুদ দিয়ে মাত্র ১৭টি বি-১বি বোমারু বিমানের একটি একক মিশন পরিচালনা করা সম্ভব। এছাড়াও ত্রুটি বা যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে আরও ৭৫টির মতো মিসাইল বর্তমানে অকার্যকর অবস্থায় পড়ে আছে।

যদিও হোয়াইট হাউস এবং ইসরায়েলের সামরিক কমান্ড যৌথভাবে দাবি করছে, তারা ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি বিশাল অংশ বোমাবর্ষণ করে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে তবে রণক্ষেত্রের বাস্তব চিত্র ভিন্ন কথা বলছে। কারণ এই তথাকথিত সফলতার মধ্যেও গত শুক্রবার(৩ এপ্রিল) একটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ফাইটার বিমান ইরানের ভূখন্ডে ভূপাতিত হয়েছে। শুধু তাই নয় এরপর একটি শক্তিশালী এ-১০ অ্যাটাক জেট এবং পাইলট উদ্ধার করতে যাওয়া দুটি বিশেষ হেলিকপ্টারও ইরানি বিমানবাহিনীর তীব্র আক্রমণের মুখে পড়ে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ইরানের হামলায় ১২টিরও বেশি পেন্টাগনের অত্যন্ত চৌকস এমকিউ-৯ ড্রোন আকাশে ছাই হয়ে গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক উসকানিমূলক ভাষণে ইরানকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে তারা ইরানকে এমন এক চরম অবস্থায় নিয়ে যাবেন যা তাদের প্রাপ্য। মার্কিন মেরিন ও প্যারাট্রুপাররা ইরানের প্রধান তেল টার্মিনাল 'খার্গ দ্বীপ' সশরীরে দখলের গভীর পরিকল্পনা করছে বলেও গুঞ্জন উঠেছে। তবে দূরপাল্লার ও দামি মিসাইল শেষ হয়ে আসায় এখন বাধ্য হয়ে পুরোনো আমলের বি-৫২ বোমারু বিমান উড়িয়ে বেশ সস্তা ও সাধারণ জেডিএএম বোমা ফেলার এক চরম ঝুঁকিপূর্ণ কৌশল নিচ্ছে পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র।

আক্রমণাত্মক মেজাজে থাকা মার্কিন বাহিনীর বিপরীতে হাত গুটিয়ে বসে নেই ইরানও। আঞ্চলিক বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার দেওয়া তথ্যমতে ইরান ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুগুলোতে ১৬০০টি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৪০০০-এর বেশি আত্মঘাতী শাহেদ ড্রোন ছুড়েছে।

ইরানের ছোড়া ঝাঁকে ঝাঁকে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থার বিপুল পরিমাণ ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিরক্ষামূলক দামি ক্ষেপণাস্ত্রও শেষের পথে। মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন ও আরটিএক্স কর্পোরেশন রাতদিন এক করে উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চালালেও যুদ্ধের তীব্রতার তুলনায় তা যৎসামান্য। ফলে দীর্ঘমেয়াদী এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে আমেরিকার সামগ্রিক বৈশ্বিক সামরিক সক্ষমতা এবার সত্যিই এক বিশাল ও দীর্ঘস্থায়ী চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে তীব্র আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের ভয়ংকর ফাঁদ, শিকার পেন্টাগন-ন্যাটো-জাতিসংঘও
অনলাইনে বিজ্ঞাপনের বিশাল ফাঁদ পেতে বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ওপর নজরদারি এবং তাদের ডিভাইসে আড়িপাতার প্রমাণ পাওয়া গেছে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে। এমনকি তাদের এই ভয়ংকর ফাঁদের শিকার হয়েছে পেন্টাগন, ন্যাটো এবং জাতিসংঘের মতো সংস্থাগুলোও। 
বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের ভয়ংকর ফাঁদ, শিকার পেন্টাগন-ন্যাটো-জাতিসংঘও
ক্ষুধা-দারিদ্র্যে বিপর্যস্ত পাকিস্তান, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ স্কোর
অর্থনৈতিক অস্থিরতা, জলবায়ু বিপর্যয় এবং বৈশ্বিক সংঘাতের কারণে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তা সংকটে থাকা পাকিস্তান ‘গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স (জিএইচআই) ২০২৬’-এ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ স্কোর রেকর্ড করেছে।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) ‘নো সিকিউরিটি উইদাউট ফুড সিকিউরিটি’ (খাদ্য নিরাপত্তা ছাড়া নিরাপত্তা নেই) শীর্ষক প্রতিপাদ্য নিয়ে ক্ষুধা সূচকের এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।  এটি যৌথভাবে প্রকাশ করেছে ‘ওয়েল্টহাঙ্গারহিলফ’, রুহর ইউনিভার্সিটি বোখুমের ‘ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল ল অব পিস অ্যান্ড আর্মড কনফ্লিক্ট’ এবং সুইজারল্যান্ডের সংস্থা ‘হেলভেটাস’। খবর দ্য ডনের। প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষুধা পরিস্থিতির অগ্রগতি ব্যাপকভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ২০১৮ সালের পর থেকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে গেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পাকিস্তানে অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং খাদ্যপণ্যের তীব্র মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে এবং খাদ্যের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। দেশটিতে অপুষ্টির হার ২০১৮ সালের ‘নিম্ন’ স্তর থেকে বেড়ে ‘মাঝারি’ স্তরে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে শিশুদের তীব্র অপুষ্টির হার উচ্চ পর্যায়ের দিকে এগিয়েছে। পুরো দক্ষিণ এশিয়া জুড়েই খাদ্য সংকট এখনও গুরুতর পর্যায়ে রয়েছে, যার আঞ্চলিক স্কোর ২৩ দশমিক ৫। যদিও ২০০০ সালের অতি আশঙ্কাজনক ৩৭ দশমিক ৫ স্কোর থেকে পরিস্থিতি অনেকটা উন্নত হয়েছিল, তবে তার অধিকাংশ অগ্রগতিই ঘটেছে ২০১৮ সালের আগে।  ২০০০ সালের পর পাকিস্তান ও আফগানিস্তান অতি আশঙ্কাজনক স্তর থেকে নেমে কিছুটা উন্নতি দেখালেও এসব দেশে শিশুদের খর্বকায়তা এখনো অনেক বেশি। পাকিস্তানে শিশুদের খর্বকায়তার হার ধীরে ধীরে কমলেও ২০১৮ সালের পর থেকে আফগানিস্তানে এটি কিছুটা বেড়েছে। তবে দুটি দেশেই ২০০০ সালের অতি উচ্চ শিশু মৃত্যুর হার বর্তমানে মাঝারি স্তরে নেমে এসেছে। প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় চরম খাদ্য নিরাপত্তার উচ্চ ঝুঁকি বজায় থাকবে। ভারি বৃষ্টিপাত ও বন্যার কারণে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কিছু কিছু জায়গায় স্থানীয়ভাবে ফসলের ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে গড় বৃষ্টির চেয়ে কম বৃষ্টিপাত এবং বাড়তি তাপমাত্রার কারণে আফগানিস্তানের ২০২৬ সালের শস্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ইরানসহ দক্ষিণ এশিয়ার ২১ কোটি ৮০ লাখ মানুষ অপুষ্টির শিকার হয়েছেন, যা বৈশ্বিক মোট সংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে, প্রায় দুই দশকের অগ্রগতির পর আবারও বিশ্বজুড়ে ক্ষুধা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২৬ সালের বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকের স্কোর দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ১, যা ২০১৮ সালের ১৭ দশমিক ৬ স্কোরের চেয়ে খারাপ। ২০১৮ সালের পর থেকে বিশ্বের ৩২টি দেশে ক্ষুধা বেড়েছে এবং ৫৭টি দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুদ্রতম স্তরের ক্ষুধা কমানোর লক্ষ্যমাত্রাও অর্জন করতে পারবে না। সূচকের চারটি মানদণ্ডের মধ্যে তিনটি- অপুষ্টি, শিশুদের খর্বাকৃতি ও শিশুদের তীব্র অপুষ্টির অবনতি ঘটেছে। কেবল শিশু মৃত্যুর হার কিছুটা কমেছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র সংঘাত সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানো এবং ঘন ঘন চরম আবহাওয়া সম্পর্কিত ঘটনা বৈশ্বিক এই অবনতির মূল কারণ। ইরানের যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মানদাব প্রণালিতে নৌ-পরিবহণ ব্যাহত হওয়ার কারণে জ্বালানি, পরিবহণ এবং সারের দাম ব্যাপকভাবে বাড়ছে। পাশাপাশি ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ এবং কৃষ্ণসাগর দিয়ে রফতানি বিধিনিষেধের কারণে গমের দাম বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল বিশ্বের দরিদ্র মানুষের কাছে মৌলিক খাদ্যপণ্যকে নাগালের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। এই সংকট আরও ঘনীভূত করেছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তার অভাব। খাদ্য নিরাপত্তায় বৈশ্বিক ব্যয় ২০১৬-২০১৭ সালের স্তরে নেমে এসেছে, যার ফলে মানবিক সহায়তা কর্মসূচি ও জরুরি ত্রাণ বরাদ্দে কাটছাঁট করতে বাধ্য হচ্ছে বিভিন্ন সংস্থা।  ভবিষ্যতেও বিশ্বজুড়ে এই ধরনের চরম সংকট প্রতিরোধ ও মোকাবিলায় মানবিক সহায়তা এবং উপাত্ত সংগ্রহের বাজেটে দেওয়া কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে বিশ্বের সরকারগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে প্রতিবেদনটি। আরটিভি/এসআর
ক্ষুধা-দারিদ্র্যে বিপর্যস্ত পাকিস্তান, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ স্কোর
সৌদি আরবের নাজরান ও জিজানে জরুরি সতর্কতা
সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর নাজরান ও জিজানে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সম্ভাব্য বিপদের বিষয়ে বাসিন্দাদের সতর্ক করার পরপরই দুই শহরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার খবর জানিয়েছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স।
সৌদি আরবের নাজরান ও জিজানে জরুরি সতর্কতা
আমেরিকানদের দ্বিতীয় পাসপোর্ট কেনার নতুন সুযোগ দিচ্ছে আর্জেন্টিনা
বড় অঙ্কের অর্থ জমা বা সরকারি বন্ডে বিনিয়োগের বিনিময়ে বিদেশিদের নাগরিকত্ব দেওয়ার নতুন কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে আর্জেন্টিনা।
আমেরিকানদের দ্বিতীয় পাসপোর্ট কেনার নতুন সুযোগ দিচ্ছে আর্জেন্টিনা
রাশিয়ার তেল শোধনাগারে আবারও ইউক্রেনের হামলা, জেলেনস্কির হুঁশিয়ারি
রাশিয়ার তেল শোধনাগারে আবারও হামলা শুরু করেছে ইউক্রেন।
রাশিয়ার তেল শোধনাগারে আবারও ইউক্রেনের হামলা, জেলেনস্কির হুঁশিয়ারি
আরও পড়ুন
বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ
আমেরিকানদের দ্বিতীয় পাসপোর্ট কেনার নতুন সুযোগ দিচ্ছে আর্জেন্টিনা
‘খুব শিগগিরই শেষ হবে ইরান যুদ্ধ’, তেলের দাম কমার পূর্বাভাস ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে সামরিক শক্তি বাড়িয়েছে ইরান: পার্লামেন্ট স্পিকার