ভারতের গাজিয়াবাদের ইন্দিরাপুরম এলাকায় এক ক্লিনিকে চুরি করতে গিয়ে অদ্ভুতভাবে আটকে গেছে এক কিশোর। ঘুটঘুটে অন্ধকারে ক্লিনিকের শাটার আর দেওয়ালের মাঝখানের সরু ফাঁক দিয়ে ঢুকতে গিয়ে তার মাথা আটকে যায় শাটারের খাঁজে। পরে সারারাত এভাবেই ঝুলে থাকে সে। পরদিন সকালে ক্লিনিকের কর্মীরা এসে দেখেন শাটার আর নড়ছে না। ভিতর থেকে গোঙানির শব্দ শুনে তাঁরা ভেবেছিলেন কোনো পশু আটকেছে। কিন্তু ভিতরে ঢুকে দেখেন এক কিশোর তখন দেওয়ালের সঙ্গে লেপ্টে ঝুলে আছে।
গাজিয়াবাদের ডাক্তার পবন শর্মার ক্লিনিকে ঘটনাটি ঘটেছে। ওই ক্লিনিক প্রতিদিন খোলে না। মঙ্গলবার সকালে কর্মীরা এসে দেখেন শাটার জ্যাম হয়ে আছে। সন্দেহ হওয়ায় তারা পুলিশ ও দমকলে খবর দেন। উদ্ধারকারীরা এসে দেখেন, কিশোরের মাথা দেওয়াল আর শাটারের মাঝখানে এমনভাবে আটকে আছে যে নড়ার ক্ষমতা নেই।
এরপর মই আর কাটার ব্যবহার করে অত্যন্ত সাবধানে তাকে বের করা হয়। সারারাত ওভাবে ঝুলে থাকায় তার মুখে ও শরীরে চোট লেগেছে। উদ্ধারের পর তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে সে একা ছিল নাকি তার সঙ্গে আরও কেউ ছিল।
এই চুরির ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই শোরগোর পড়ে গেছে। অনেকেই মজা করে বলছেন, একে দিয়ে আর যাই হোক, চুরি হবে না। কেউ কেউ আবার বলছেন, বেচারাকে তো ভগবান হাতেনাতেই শাস্তি দিয়ে দিয়েছেন। এ বার ছেড়ে দেওয়া হোক। কেউ আবার বলছেন, ক্যায়া চোর বনেগা রে তু। সূত্র: এইসময়
আরটিভি/এমএইচজে



