ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

কয়েদিরা যা পারেনি, তা-ই করে দেখাল এক বন্য কোয়োট!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ০৮:০৭ পিএম

সান ফ্রান্সিসকো উপসাগরের মাঝখানে অবস্থিত আলকাট্রাজ দ্বীপের নাম শুনলে আজও মানুষের মনে ভেসে ওঠে এক দুর্ভেদ্য কারাগারের ছবি। যে দ্বীপের চারপাশের বরফশীতল পানি আর উত্তাল স্রোত একসময় বিশ্বের দুর্ধর্ষ অপরাধীদের পালানোর স্বপ্নকে চুরমার করে দিত, সেই ‘অজেয়’ জলপথ জয় করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে একটি বন্য কোয়োট। নেকড়ে সদৃশ এই প্রাণীর এমন দুঃসাহসিক অভিযানে খোদ বিজ্ঞানীরাও বিস্মিত। খবর এপির।

বছরের শুরুতে যখন আলকাট্রাজ দ্বীপে প্রথম কোয়োটটিকে দেখা যায়, তখন জীববিজ্ঞানীরা ভেবেছিলেন এটি হয়তো নিকটবর্তী সান ফ্রান্সিসকো শহর থেকে মাত্র এক মাইল পথ সাঁতরে এসেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক ডিএনএ পরীক্ষা বিজ্ঞানীদের সেই ধারণা পুরোপুরি বদলে দিয়েছে। ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের বন্যপ্রাণী পরিবেশবিদ বিল মের্কেল এক বিবৃতিতে জানান, এই পুরুষ কোয়োটটি আসলে সান ফ্রান্সিসকো নয়, বরং ৩ দশমিক ২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ‘অ্যাঞ্জেল আইল্যান্ড’ থেকে সাঁতরে আলকাট্রাজে পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন

সমুদ্রের প্রতিকূল স্রোত ও হাড়কাঁপানো ঠান্ডা জয় করে ৩ কিলোমিটারেরও বেশি পথ পাড়ি দেওয়া কোনো বন্য প্রাণীর জন্য বিরলতম ঘটনা। জানুয়ারির প্রথম দিকে ধারণ করা একটি ভিডিওতে কোয়োটটির সেই মরণপণ লড়াইয়ের চিত্র উঠে এসেছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে কেবল মাথাটুকু ভাসিয়ে প্রাণীটি আপ্রাণ চেষ্টা করছে তীরে ওঠার। দীর্ঘক্ষণ সাঁতার কাটার পর যখন সে পাথুরে দ্বীপে পা রাখে, তখন তাকে দেখতে ছিল পুরোপুরি বিধ্বস্ত।

রেবেকা হাসন নামের এক পর্যটক আলকাট্রাজ ভ্রমণে গিয়ে কোয়োটটির ছবি তুলেছিলেন। তিনি জানান, দ্বীপে ওঠার সময় ওকে ভেজা ইঁদুরের মতো দেখাচ্ছিল। কিন্তু কিছুক্ষণ পর সে যখন পর্যটকদের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল, তখন তাকে বেশ সুস্থ ও সাবলীল লাগছিল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোয়োটরা সাধারণত নতুন সঙ্গী অথবা নিজের জন্য নিরাপদ কোনো নতুন এলাকার সন্ধানে এমন ভয়ঙ্কর ঝুঁকি নিয়ে থাকে। তবে আলকাট্রাজের মতো জায়গায় পৌঁছানো কোনোভাবেই সাধারণ ব্যাপার নয়।

১৯৩০ থেকে ১৯৬০-এর দশক পর্যন্ত এই দ্বীপে অবস্থিত ফেডারেল কারাগার থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন ৩৬ জন কয়েদি। কিন্তু সমুদ্রের তীব্র স্রোত আর ঠান্ডার কাছে হার মেনে প্রায় সবাই ধরা পড়েছেন অথবা প্রাণ হারিয়েছেন। যে পথ মানুষের কাছে ছিল যমদূত, সেই পথই অবলীলায় জয় করল এই বন্য প্রাণী। এটি যেন প্রকৃতির এক রহস্যময় শক্তির প্রকাশ।

আলকাট্রাজ দ্বীপটি সামুদ্রিক পাখিদের নিরাপদ প্রজনন ক্ষেত্র হওয়ার কারণে কর্তৃপক্ষ কোয়োটটিকে ধরে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু কোয়োটটি যেন বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কানামাছি খেলছে। জানুয়ারি মাসের পর থেকে সেটিকে আর দ্বীপে দেখা যায়নি। কোনো ক্যামেরা বা ফাঁদেও সে ধরা দেয়নি।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, হয়তো আবারও কোনো নতুন গন্তব্যের টানে সে একইভাবে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে অন্য কোথাও চলে গেছে। এই ঘটনা প্রাণীবিজ্ঞানের ইতিহাসে এক বিস্ময়কর অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও লেখক ফরিদ আহাম্মদ রনির আলোকচিত্রভিত্তিক গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার পর এবার রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার সৃজনশীল উদ্যোগকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে নিজের প্রকাশিত গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ তুলে দেওয়ার সুযোগ পান ফরিদ আহাম্মদ রনি। প্যারিসের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সৌন্দর্যকে আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা এই গ্রন্থ রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছে দেওয়া তার দীর্ঘদিনের সৃজনশীল যাত্রার একটি স্মরণীয় ঘটনা। এর আগে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর এবং প্যারিসের মেয়র দপ্তর থেকেও গ্রন্থটির জন্য প্রশংসাপত্র ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার কথা জানান লেখক। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে প্রাপ্ত আনুষ্ঠানিক চিঠি তার এই উদ্যোগে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রাপ্ত চিঠিতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক মর্যাদা ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশটির ভাবমূর্তি তুলে ধরার ক্ষেত্রে লেখকের উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্রান্স ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক বন্ধন সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে তার অবদানের স্বীকৃতিও উল্লেখ করা হয়েছে। ‘প্যারিসের ছবি’ কেবল একটি আলোকচিত্রের বই নয়, বরং ফ্রান্সের রাজধানীর ইতিহাস, স্থাপত্য, শিল্প, সংস্কৃতি ও নগরজীবনের এক নান্দনিক উপস্থাপনা। গ্রন্থটিতে আইফেল টাওয়ার, লুভর জাদুঘর, ঐতিহাসিক স্থাপনা, ভাস্কর্য, নগরজীবন এবং প্যারিসের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলা, ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় প্রকাশিত গ্রন্থটি বাংলাদেশের প্রকাশনা ও আলোকচিত্রচর্চার আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। বহুভাষিক উপস্থাপনার মাধ্যমে বইটি বাংলাদেশ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের পাঠক ও শিল্পানুরাগীদের কাছে প্যারিসের সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনেও গ্রন্থটির বহুভাষিক প্রকাশনা এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। ফরিদ আহাম্মদ রনির এই গ্রন্থ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের কাছে পৌঁছেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর পাশাপাশি প্যারিসের সাবেক মেয়র আন্নে ইদালগোর হাতেও বইটি তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্যারিসের ঐতিহাসিক গ্রঁ পালে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ChangeNOW Summit-এ মোনাকোর যুবরাজ প্রিন্স আলবার্ট দ্বিতীয়, ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লরাঁ ফাবিউস এবং জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল মেলিসা ফ্লেমিংয়ের হাতেও গ্রন্থটি পৌঁছে দেন তিনি। ২০২৬ সালের জুনে প্যারিসের বর্তমান মেয়র ইমানুয়েল গ্রেগোয়ারের কাছেও গ্রন্থটি উপহার দেওয়া হয়। একই বছরের আগস্টে ফ্রান্সের সাবেক রাষ্ট্রপতি ফ্রাঁসোয়া ওলান্দের হাতেও বইটি তুলে দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। ফ্রান্স ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর প্রতিষ্ঠিত। শিল্প, সাহিত্য, আলোকচিত্র ও সংস্কৃতির মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরও গভীর করার সুযোগ রয়েছে। ফরিদ আহাম্মদ রনির ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সাংস্কৃতিক যোগাযোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। একজন বাংলাদেশি আলোকচিত্রীর দৃষ্টিতে ফ্রান্সের রাজধানীকে আন্তর্জাতিক পাঠকের সামনে তুলে ধরার এই প্রচেষ্টা দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়কে নতুনভাবে পরিচিত করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার ব্যক্তিগত সৃজনশীল অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশের আলোকচিত্র ও প্রকাশনা জগতের জন্যও অনুপ্রেরণার বিষয়। সংস্কৃতির কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। শিল্প ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানুষে মানুষে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, দেশ থেকে দেশে তৈরি হয় বন্ধুত্বের সেতু। ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সেতুবন্ধনেরই একটি নান্দনিক প্রয়াস, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর ডলারের দরপতনে বিশ্ববাজারে সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলেন লেটিশিয়া জেমস
নিউ ইয়র্ক অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে জয়ী হয়েছেন লেটিশিয়া জেমস। তিনি রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী সারিতা কোমাতিরেডিকে পরাজিত করেছেন বলে ঘোষণা করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস। স্থানীয় সময় বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়, যেখানে জেমস ৬০ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ২০১৯ সাল থেকে জেমস নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কর্মজীবী ​​পরিবারগুলোর ব্যয় কমানো, অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং নিউ ইয়র্কবাসীর অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করেছেন। দায়িত্বকালে গত সাত বছরে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ৫০ বারেরও বেশি মামলা করেছেন। ২০২০ সালে ট্রাম্প কোমাতিরেডিকে নিউ ইয়র্কের পূর্বাঞ্চলীয় ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক হিসেবে মনোনীত করেছিলেন। তিনি নিউ ইয়র্কে নিরাপত্তা বৃদ্ধি, মানসিক অসুস্থতার মোকাবিলা এবং নিউ ইয়র্কবাসীর অধিকার রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলেন লেটিশিয়া জেমস
নিজেদের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারিয়ে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার মার্কিন কংগ্রেসে নতুন ইতিহাস গড়ার পথে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিস। 
নিজেদের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে ৫ কারণে ভরাডুবি হলো রিপাবলিকানদের
এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের ব্যাপকতাকে হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের দুই বছরের শাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন ভোটারদের জোরালো প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে ৫ কারণে ভরাডুবি হলো রিপাবলিকানদের
আরও পড়ুন
স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যার পর আত্মহত্যা, শোকের ছায়া সান ফ্রান্সিসকো পুলিশ বিভাগে
ভাইরাল ভিডিও ঘিরে স্বামীকে নিয়ে বিতর্ক, মুখ খুললেন ‘বর্ষসেরা মা’ খ্যাত স্ত্রী
সান ফ্রান্সিসকোতে বিরল ভাসমান বাড়ি বিক্রি হচ্ছে ১৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারে
শিল্পীদের ধর্মঘটে বাতিল সান ফ্রান্সিসকো অপেরার উদ্বোধনী প্রদর্শনী