আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে। ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ায় এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা কমে আসায় এই দরপতন দেখা গেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি সংঘাতের অবসান ঘটাতে একটি বৃহত্তর সমঝোতার সম্ভাবনা এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে চালু হওয়ার আশাবাদ বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এর ফলে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ কমেছে এবং দাম নিম্নমুখী হয়েছে।
জিএমটি সময় সকাল ১০টা ২২ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ১৪ ডলার বা ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে ৯৬ দশমিক ৬৭ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৯০ সেন্ট বা ০ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ দশমিক ১২ ডলারে দাঁড়ায়।
এর আগে কুয়েতে ইরানের হামলা এবং হরমুজ প্রণালির আশপাশে মার্কিন সামরিক তৎপরতাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হলে তেলের দাম প্রায় ২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। তবে পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়ায় একদিনের ব্যবধানে আবারও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে পতন দেখা দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর আগামী দিনগুলোতে তেলের বাজারের গতিপ্রকৃতি অনেকাংশে নির্ভর করবে। যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক অগ্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে তেলের দামে আরও স্থিতিশীলতা আসতে পারে।
আরটিভি/এসকে




