ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

কোটিপতিদের ‘আইভি থেরাপি’ নিয়ে নতুন হুলস্থুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৬, ১০:০৪ এএম
কোটিপতিদের ‘আইভি থেরাপি’ নিয়ে নতুন হুলস্থুল।ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে মানুষের শরীরে জমে থাকা মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এর মধ্যেই রক্ত থেকে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা কমানোর দাবি করে আলোচনায় এসেছে একটি বিশেষ ‘আইভি থেরাপি’। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, থেরাপিউটিক প্লাজমা এক্সচেঞ্জ (টিপিই) নামের এই চিকিৎসা রক্তে ভাসমান মাইক্রোপ্লাস্টিকের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ফলাফল নিয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

গবেষণাটি পরিচালনা করেছে প্লাজমা এক্সচেঞ্জ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সার্কুলেট হেলথ। এতে ১১৪ জন রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, যাদের রক্তে মাইক্রোপ্লাস্টিকের মাত্রা বেশি ছিল, একটি সেশন নেওয়ার পর প্রতি ১০০ মাইক্রোলিটার রক্তে প্লাস্টিক কণার গড় সংখ্যা ৫২ দশমিক ২ থেকে কমে ২১ দশমিক ১-এ নেমে আসে। মাঝারি মাত্রার রোগীদের ক্ষেত্রেও প্লাস্টিকের পরিমাণ কমেছে।

থেরাপিউটিক প্লাজমা এক্সচেঞ্জ বা টিপিই মূলত একটি এফডিএ-অনুমোদিত চিকিৎসা পদ্ধতি। এতে রোগীর রক্তের কোষবিহীন তরল অংশ বা প্লাজমার প্রায় ৭০ শতাংশ বের করে ফেলা হয় এবং তার পরিবর্তে অ্যালবুমিন, স্যালাইন ও নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি দেওয়া হয়। পুরো প্রক্রিয়ায় সাধারণত দুই থেকে তিন ঘণ্টা সময় লাগে। দীর্ঘদিন ধরে এটি বিভিন্ন অটোইমিউন ও স্নায়বিক রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

সার্কুলেট হেলথের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্র্যাড ইয়ংগ্রেন দাবি করেছেন, মানুষের শরীর থেকে প্লাস্টিক অপসারণে সম্ভাব্য কার্যকর কোনো থেরাপি নিয়ে এটিই প্রথম মানবভিত্তিক গবেষণা।

তবে গবেষণায় একটি বিস্ময়কর বিষয়ও সামনে এসেছে। যেসব অংশগ্রহণকারীর রক্তে শুরুতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের পরিমাণ কম ছিল, থেরাপির পর তাদের ক্ষেত্রে প্লাস্টিক কণার মাত্রা সামান্য বেড়ে যায়। গবেষকদের ধারণা, চিকিৎসার সময় ব্যবহৃত প্লাস্টিকের টিউব ও আইভি সরঞ্জাম থেকেই এই অতিরিক্ত কণা আসতে পারে।

এই চিকিৎসার খরচও বেশ চড়া। একেকটি সেশনের জন্য ব্যয় হয় প্রায় ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ থেকে ১৮ লাখ টাকার সমান। ফলে এটি বর্তমানে দীর্ঘায়ু ও স্বাস্থ্যসচেতন ধনকুবের এবং তারকাদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এই থেরাপি গ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছেন বিখ্যাত বায়নো-হ্যাকার ব্রায়ান জনসন, গুপ-এর প্রতিষ্ঠাতা গ্লিনেথ প্যালট্রো, পুরস্কারজয়ী গায়িকা লিয়েন রাইমস, এনএফএল হল অব ফেমার ট্রয় আইকম্যান এবং প্রযুক্তিবিদ পিটার ডায়াম্যান্ডিস।

তবে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করছেন, রক্তে মাইক্রোপ্লাস্টিকের পরিমাণ কমে গেলেই স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে বা আয়ু বাড়বে এমন কোনো প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। একইভাবে, বারবার এই থেরাপি গ্রহণ করলে শরীরের সামগ্রিক প্লাস্টিকের বোঝা দীর্ঘমেয়াদে কমবে কি না, সেটিও পরিষ্কার নয়।

আরও পড়ুন

বিশ্লেষকদের মতে, মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে গবেষণা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তাই এই থেরাপিকে যুগান্তকারী সমাধান হিসেবে দেখার আগে আরও স্বাধীন ও বৃহৎ পরিসরের গবেষণার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করা প্রয়োজন। বর্তমানে বিজ্ঞানীরা এখনও অনুসন্ধান করছেন, মানবদেহে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি বাস্তবে কতটা ক্ষতিকর এবং তা কমানোর জন্য চিকিৎসাগত হস্তক্ষেপ আদৌ প্রয়োজন কি না।

সূত্র: অ্যাক্সিওস

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও লেখক ফরিদ আহাম্মদ রনির আলোকচিত্রভিত্তিক গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার পর এবার রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার সৃজনশীল উদ্যোগকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। ২০২৫ সালের ৩০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর হাতে নিজের প্রকাশিত গ্রন্থ ‘প্যারিসের ছবি’ তুলে দেওয়ার সুযোগ পান ফরিদ আহাম্মদ রনি। প্যারিসের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সৌন্দর্যকে আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা এই গ্রন্থ রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছে দেওয়া তার দীর্ঘদিনের সৃজনশীল যাত্রার একটি স্মরণীয় ঘটনা। এর আগে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর এবং প্যারিসের মেয়র দপ্তর থেকেও গ্রন্থটির জন্য প্রশংসাপত্র ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়ার কথা জানান লেখক। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ২০ অক্টোবর ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে প্রাপ্ত আনুষ্ঠানিক চিঠি তার এই উদ্যোগে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রাপ্ত চিঠিতে গ্রন্থটি উপহার দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক মর্যাদা ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশটির ভাবমূর্তি তুলে ধরার ক্ষেত্রে লেখকের উদ্যোগের প্রশংসা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্রান্স ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সাংস্কৃতিক বন্ধন সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে তার অবদানের স্বীকৃতিও উল্লেখ করা হয়েছে। ‘প্যারিসের ছবি’ কেবল একটি আলোকচিত্রের বই নয়, বরং ফ্রান্সের রাজধানীর ইতিহাস, স্থাপত্য, শিল্প, সংস্কৃতি ও নগরজীবনের এক নান্দনিক উপস্থাপনা। গ্রন্থটিতে আইফেল টাওয়ার, লুভর জাদুঘর, ঐতিহাসিক স্থাপনা, ভাস্কর্য, নগরজীবন এবং প্যারিসের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলা, ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় প্রকাশিত গ্রন্থটি বাংলাদেশের প্রকাশনা ও আলোকচিত্রচর্চার আন্তর্জাতিক পরিচিতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। বহুভাষিক উপস্থাপনার মাধ্যমে বইটি বাংলাদেশ, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের পাঠক ও শিল্পানুরাগীদের কাছে প্যারিসের সৌন্দর্য ও ঐতিহ্য তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনেও গ্রন্থটির বহুভাষিক প্রকাশনা এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির হাতে পৌঁছানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে। ফরিদ আহাম্মদ রনির এই গ্রন্থ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের কাছে পৌঁছেছে। ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর পাশাপাশি প্যারিসের সাবেক মেয়র আন্নে ইদালগোর হাতেও বইটি তুলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্যারিসের ঐতিহাসিক গ্রঁ পালে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ChangeNOW Summit-এ মোনাকোর যুবরাজ প্রিন্স আলবার্ট দ্বিতীয়, ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী লরাঁ ফাবিউস এবং জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল মেলিসা ফ্লেমিংয়ের হাতেও গ্রন্থটি পৌঁছে দেন তিনি। ২০২৬ সালের জুনে প্যারিসের বর্তমান মেয়র ইমানুয়েল গ্রেগোয়ারের কাছেও গ্রন্থটি উপহার দেওয়া হয়। একই বছরের আগস্টে ফ্রান্সের সাবেক রাষ্ট্রপতি ফ্রাঁসোয়া ওলান্দের হাতেও বইটি তুলে দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। ফ্রান্স ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর প্রতিষ্ঠিত। শিল্প, সাহিত্য, আলোকচিত্র ও সংস্কৃতির মাধ্যমে দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ আরও গভীর করার সুযোগ রয়েছে। ফরিদ আহাম্মদ রনির ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সাংস্কৃতিক যোগাযোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। একজন বাংলাদেশি আলোকচিত্রীর দৃষ্টিতে ফ্রান্সের রাজধানীকে আন্তর্জাতিক পাঠকের সামনে তুলে ধরার এই প্রচেষ্টা দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়কে নতুনভাবে পরিচিত করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে পাওয়া আনুষ্ঠানিক প্রশংসাপত্র তার ব্যক্তিগত সৃজনশীল অর্জনের পাশাপাশি বাংলাদেশের আলোকচিত্র ও প্রকাশনা জগতের জন্যও অনুপ্রেরণার বিষয়। সংস্কৃতির কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। শিল্প ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানুষে মানুষে সম্পর্ক গড়ে ওঠে, দেশ থেকে দেশে তৈরি হয় বন্ধুত্বের সেতু। ‘প্যারিসের ছবি’ সেই সেতুবন্ধনেরই একটি নান্দনিক প্রয়াস, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দপ্তরের প্রশংসাপত্র পেলেন বাংলাদেশি আলোকচিত্রী ফরিদ আহাম্মদ রনি
বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের পর ডলারের দরপতনে বিশ্ববাজারে সোনার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলেন লেটিশিয়া জেমস
নিউ ইয়র্ক অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে জয়ী হয়েছেন লেটিশিয়া জেমস। তিনি রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী সারিতা কোমাতিরেডিকে পরাজিত করেছেন বলে ঘোষণা করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস। স্থানীয় সময় বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়, যেখানে জেমস ৬০ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ২০১৯ সাল থেকে জেমস নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কর্মজীবী ​​পরিবারগুলোর ব্যয় কমানো, অপরাধীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং নিউ ইয়র্কবাসীর অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করেছেন। দায়িত্বকালে গত সাত বছরে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ৫০ বারেরও বেশি মামলা করেছেন। ২০২০ সালে ট্রাম্প কোমাতিরেডিকে নিউ ইয়র্কের পূর্বাঞ্চলীয় ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক হিসেবে মনোনীত করেছিলেন। তিনি নিউ ইয়র্কে নিরাপত্তা বৃদ্ধি, মানসিক অসুস্থতার মোকাবিলা এবং নিউ ইয়র্কবাসীর অধিকার রক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হলেন লেটিশিয়া জেমস
নিজেদের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের হারিয়ে প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার মার্কিন কংগ্রেসে নতুন ইতিহাস গড়ার পথে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিস। 
নিজেদের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার পেতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র?
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে ৫ কারণে ভরাডুবি হলো রিপাবলিকানদের
এবারের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের ব্যাপকতাকে হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের দুই বছরের শাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন ভোটারদের জোরালো প্রত্যাখ্যান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে ৫ কারণে ভরাডুবি হলো রিপাবলিকানদের
আরও পড়ুন
রেডিয়েশন থেরাপি ও রেডিওলজিক প্রযুক্তি, কোন পেশাটি আপনার জন্য উপযুক্ত 
তিন মাসে নতুন কোটিপতি অ্যাকাউন্ট ৫ হাজার ৭৭
ধূমপায়ীদের রক্তে মিললো ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক
টুথব্রাশে দাঁত মাজতেই মুখে ঢুকছে মাইক্রোপ্লাস্টিক? যা বলছে গবেষণা