যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কয়েক সপ্তাহের আলোচনার পর ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি চুক্তিতে সই করেছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ জুন) ওয়াশিংটনে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক ঘোষণায় চুক্তির বিষয়টি জানিয়েছেন।
চুক্তি স্বাক্ষরের আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা এমন একটি যাত্রার প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছি যা নিঃসন্দেহে কঠিন হবে, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ, অপরিহার্য এবং প্রয়োজনীয়।
তিনি এই চুক্তিটিকে ‘সূচনার সূচনা’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ‘সামনে অনেক কাজ রয়েছে। আজ হলো প্রথম পদক্ষেপ। প্রথম পদক্ষেপটিই কখনও কখনও সবচেয়ে কঠিন হয়।’
যুক্তরাষ্ট্র এই সরাসরি আলোচনায় মধ্যস্থতা করেছিল, যা চলতি বছরের এপ্রিলে শুরু হয় এবং একই সঙ্গে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এই ত্রিপক্ষীয় চুক্তির অন্যতম স্বাক্ষরকারী। সংঘাতের অন্যতম প্রধান পক্ষ হিজবুল্লাহ এই আলোচনায় অংশ নেয়নি।
এই চুক্তিতে ইসরায়েলের দক্ষিণ লেবাননের সেই বিশাল এলাকা থেকে সরে যাওয়ার ব্যাপারে কিছু বলা হয়নি যে এলাকা ইসরায়েলের বাহিনী এখনও দখল করে রেখেছে এবং ইসরায়েল এটাও ইঙ্গিত দিচ্ছে, প্রয়োজন মনে করলে তারা দেশটিতে তাদের হামলা অব্যাহত রাখবে।
তবে ইসরায়েলের সঙ্গে লেবানন কর্তৃপক্ষের এই চুক্তি হিজবুল্লাহ মানবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বরাবরের মতোই এই ‘ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট’ প্রত্যাখ্যান করবে গোষ্ঠীটি।
আরটিভি/এসএস




