ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থীরা কে কার কাছে হারলেন, জিতলেন কারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ০৮:৫৮ এএম
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিদায়ী শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের মন্ত্রিসভার অনেক তারকা প্রার্থী হেরেছেন। তৃণমূল প্রধান ও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও হেরেছেন। তিনি হেরেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। মমতার পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও তারকা প্রার্থী ও মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন।

সোমবার (৪ মে) স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৯টায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে আনন্দবাজার অনলাইনের তথ্যমতে তৃণমূলের কয়েকজন তারকা প্রার্থী বিজেপির কোন প্রার্থীর কাছে কত ভোটে হেরেছেন, তা তুলে ধরা হলো।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন রাজ্যের বিদায়ী মুখমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ বার তার ভোটের লড়াই ছিল কঠিন। সেই লড়াইয়ে পরাজিত হয়েছেন তিনি। একসময়ের অন্যতম সহযোগী তথা অধুনা বিজেপির দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন। তবে জিতবেন না, তা সম্ভবত ভাবেননি মমতা নিজেও। ঘরের মেয়ের হার হল ঘরেই।

সুজিত বসু: বিধাননগর আসন থেকে নির্বাচন করা তৃণমূলের সুজিত বসুর দিকে নজর ছিল সবার। তৃণমূলের এ ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী ৩৭ হাজারের বেশি ভোটে হেরেছেন। মমতার বিদায়ী মন্ত্রিসভার সদস্য সুজিতের হার হয়েছে বিজেপির শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের কাছে।

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য: রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে এ বারও দমদম উত্তর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। তিনি বিজেপির সৌরভ সিকদারের কাছে ২৬ হাজারের বেশি ভোটে হেরেছেন। ২০১১ সালেই দমদম উত্তরের বিধায়ক হয়েছিলেন চন্দ্রিমা। ২০১৬ সালে ওই কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী তন্ময় ভট্টাচার্যের কাছে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। তবে ২০১৭ সালের উপনির্বাচনে কাঁথি দক্ষিণ থেকে জিতেছিলেন তিনি। পরে ২০২১ সালের ভোটে আবার দমদম উত্তরে লড়েন এবং জেতেন।

সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়: তৃণমূলের তারকা প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির সজল ঘোষের কাছে হেরেছেন ১৬ হাজার ৯৫৬ ভোটে। ২০২৪ সালে উপনির্বাচনে জিতে বরাহনগরের বিধায়ক হয়েছিলেন অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ চক্রবর্তী: ব্যারাকপুর থেকে হেরে গেছেন তৃণমূলের আরেক তারকা প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী। এ চলচ্চিত্র পরিচালক দ্বিতীয়বারের মতো ব্যারাকপুরের ভোটের মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু ১৫ হাজারের বেশি ভোটে তিনি বিজেপির কৌস্তুভ বাগচীর কাছে হেরে যান।

দেবাশিস কুমার: রাসবিহারী আসন থেকে তৃণমূলের প্রার্থী দেবাশিস কুমার বিজেপির ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্তের কাছে প্রায় ২১ হাজার ভোটে হেরে গেছেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ওই আসন থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জিতেছিলেন তিনি। রাসবিহারী কেন্দ্র মানেই অভিজাত, শিক্ষিত মধ্যবিত্ত বাঙালির বসতি।

অরূপ বিশ্বাস: তৃণমূলের ‘হেভিওয়েট’ নেতা অরূপ বিশ্বাস দাঁড়িয়েছিলেন টালিগঞ্জ আসন থেকে। বিজেপির পাপিয়া দে অধিকারীর কাছে তিনি ৬ হাজারের বেশি ভোটে হেরে গেছেন।

শশী পাঁজা: তৃণমূলের হয়ে এ বারও শ্যামপুকুর আসন থেকে দাঁড়িয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। তার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ছিলেন বিজেপির পূর্ণিমা চক্রবর্তী। ১৪ হাজার ৬৩৩ ভোটে শশীকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন পূর্ণিমা। শশী পাঁজা সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রয়াত অজিত পাঁজার পুত্রবধূ।

রত্না চট্টোপাধ্যায়: বেহালা পশ্চিম আসন থেকে এবার তৃণমূলের হয়ে নির্বাচন করেছিলেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। ২৪ হাজার ৬৯৯ ভোটে তিনি বিজেপির ইন্দ্রনীল খাঁ’র কাছে হেরেছেন। এর আগে ২০২১ সালে ওই আসন থেকে তৃণমূলের টিকিটে বিধায়ক হয়েছিলেন রত্না।

অতীন ঘোষ: কাশীপুর-বেলগাছিয়া আসন থেকে তৃণমূল বিধায়ক অতীন ঘোষকে এবারও প্রার্থী করেছিলেন। বিজেপির প্রার্থী রিতেশ তিওয়ারির কাছে তিনি ১ হাজার ৬৫১ ভোটে হেরেছেন।

শ্রেয়া পাণ্ডে: মানিকতলায় তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন প্রয়াত সাধন পাণ্ডের কন্যা শ্রেয়া পাণ্ডে। বিজেপির প্রবীণ নেতা তাপস রায়ের কাছে তিনি ১৫ হাজার ৬৪৪ ভোটে হেরেছেন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মানিকতলার বিধায়ক সাধন পাণ্ডে মারা যান। পরে ওই আসনের উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে জয়ী হন তার স্ত্রী সুপ্তি। এ বারের নির্বাচনে কন্যা শ্রেয়াকে প্রার্থী করে তৃণমূল।

আরও পড়ুন

ব্রাত্য বসু: দমদমেও তৃণমূলের নক্ষত্রপতন হয়েছে। এই আসনে তৃণমূলের তারকা প্রার্থী ব্রাত্য বসু বিজেপির অরিজিৎ বক্সীর কাছে ২৫ হাজার ২৭৩ ভোটে হেরে গেছেন। তবে ব্রাত্য বসু তুলনামূলক ভাবে সহজ জিতবেন বলে ধারণা করা হয়েছিল।

পরেশচন্দ্র অধিকারী: কোচবিহারের মেখলিগঞ্জে তৃণমূলের শক্তিশালী প্রার্থী পরেশচন্দ্র অধিকারী বিজেপির দধিরাম রায়ের কাছে ২৯ হাজার ৫৮৪ ভোটে হেরেছেন। পরেশচন্দ্রের জন্য এবারের লড়াই সহজ ছিল না। রাজ্যের স্কুলে শিক্ষক বা এসএসসি নিয়োগ মামলায় দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছিল তার কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীর। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তার চাকরিও গিয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, পরেশচন্দ্রের ভোটের ফলাফলে এ ঘটনা প্রভাব রেখেছে।

উদয়ন গুহ: দিনহাটা থেকে তৃণমূলের তিন বারের বিধায়ক উদয়ন গুহও হেরে গেছেন। কোচবিহারের দিনহাটায় বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়ের কাছে তিনি ১৭ হাজার ৪৪৭ ভোটে হেরে যান।

স্বপ্না বর্মণ: রাজগঞ্জে তৃণমূল টিকিট দিয়েছিল সোনাজয়ী সাবেক অ্যাথলেট স্বপ্না বর্মণকে। বিজেপির দীনেশ সরকারের কাছে তিনি ২১ হাজার ৪৭৭ ভোটে হেরেছেন। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে জলপাইগুড়ির এই আসনে জিতেছিল তৃণমূল। তখন তৃণমূলের টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন খগেশ্বর রায়। এ বার তার জায়গায় এই আসনে স্বপ্নাকে দাঁড় করিয়েছিল তৃণমূল।

গৌতম দেব: শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব তৃণমূলের টিকিটে শিলিগুড়ি আসন থেকে বিধানসভা নির্বাচনে নেমেছিলেন। কিন্তু বিজেপির ‘ভরসার মুখ’ শঙ্কর ঘোষের কাছে তিনি ৭৩ হাজার ১৯২ ভোটে হেরে গেছেন। তবে গত বিধানসভা নির্বাচনেও ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি আসনে বিজেপির প্রার্থী শিখা চট্টোপাধ্যায়ের কাছে হেরে গিয়েছিলেন গৌতম।

অর্পিতা ঘোষ: দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট আসন থেকে এবার তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন নাট্যকর্মী ও সাবেক সাংসদ অর্পিতা ঘোষ। বিজেপির বিদ্যুৎকুমার রায়ের কাছে তিনি ৪৭ হাজার ৫৭৬ ভোটে হেরেছেন।

পশ্চিমবঙ্গে এবার ২ দফায় বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল ভোট হয় ১৫২ আসনে। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট হয় ১৪২টি আসনে।

সোমবার সকাল থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। ভোট গণনার ফলাফলের যে ধারা, সন্ধ্যা পর্যন্ত যা বিচ্যুতিহীন, তাতে স্পষ্ট, প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি।

সোমবার রাত ১টায় পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মোট ২৯৪ আসনের মধ্যে ২৯৩ (একটি আসনে ভোট গ্রহণ নতুন করে হবে) আসনের ফলাফলে বিজেপি ২০৬টিতে হয় জয়ী ঘোষিত, নয়তো এগিয়ে রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এমন আসনসংখ্যা ৮০-এর আশপাশে ঘোরাফেরা করছে।

পশ্চিমবঙ্গে ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় তৃণমূল। ৩৪ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা বাম ফ্রন্টকে হারিয়ে ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসে মমতার দল তৃণমূল। এবার সেখানে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিজেপি।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিক্ষোভে উত্তাল ভারতের মণিপুরে ভয়াবহ সংঘাত, নিহত ৫
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে তীব্র বিক্ষোভের মধ্যে নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ জাতিগত সংঘাত।
বিক্ষোভে উত্তাল ভারতের মণিপুরে ভয়াবহ সংঘাত, নিহত ৫
ভারতে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে থানায় গিয়ে পুলিশের লালসার শিকার নারী
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর শারীরিক নির্যাতনের ভয়ে তিনি বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। পরে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে নিজের মোবাইল ফোন থেকে থানায় যোগাযোগ করেন তিনি। 
ভারতে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে থানায় গিয়ে পুলিশের লালসার শিকার নারী
আসামে যুবদলের ব্যানার, চিন্তায় ভারত পুলিশ
ভারতের আসাম রাজ্যের লখিমপুর জেলার একটি গ্রামে গ্যাসভর্তি বেলুনের সঙ্গে বাঁধা বাংলাদেশের বিএনপির যুবসংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের একটি ব্যানার পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে আসাম পুলিশও। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) নারায়ণপুর থানার অন্তর্গত লেটেকুজান গ্রামের একটি ধানখেতে বেলুনগুলো দেখতে পান স্থানীয় এক কিশোর। স্থানীয় এক কিশোর সকালে পাশের মাঠে গরু চরাতে গিয়ে বেলুনগুলো দেখতে পায়। পরে বেলুনগুলো একটি বাঁধের কাছে নেমে এলে সে সেগুলো সংগ্রহ করে বাড়িতে নিয়ে যায়। ফ্লেক্সে ছাপানো ব্যানারটিতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের মৌলভীবাজার জেলা শাখার ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি বার্তা লেখা ছিল। এতে বিএনপির নেতা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ছবিও ছিল। যুবদলের সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের বেলুন ও ব্যানার ওড়ানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই উদযাপনের কোনো বেলুন সীমান্ত পেরিয়ে আসামের আকাশে ভেসে এসে শেষ পর্যন্ত লখিমপুরের ধানখেতে গিয়ে পড়ে। গ্রামবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে ঢালপুর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল লেতেকুজান গ্রামে যায়। পরে তারা বেলুন ও ব্যানারটি নিজেদের হেফাজতে নেয়। বেলুনগুলো কোথা থেকে এসেছিল এবং কীভাবে গ্রামটিতে পৌঁছেছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সুত্র: নর্থইস্ট নাও, গুয়াহাটি টাইমস। আরটিভি/টিআর
আসামে যুবদলের ব্যানার, চিন্তায় ভারত পুলিশ
ভারতে সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বিরোধীদের ‘চলো দিল্লি’ পদযাত্রা আজ
ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রোববার (১ নভেম্বর) দিল্লিতে বড় ধরনের সমাবেশ করতে যাচ্ছে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’।  ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে কংগ্রেসের নেতৃত্বে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ডাকে রোববার দিল্লির রামলীলা ময়দানে সমাবেশে যোগ দিতে বিভিন্ন রাজ্য থেকে বিরোধী দলগুলোর নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা রাজধানীতে জড়ো হচ্ছেন। ‘চলো দিল্লি’ নামে এ কর্মসূচিতে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। বিরোধীদের অভিযোগ, এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সমাবেশ ঘিরে দিল্লির কেন্দ্রীয় এলাকায় প্রায় ১০ হাজার পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। রাহুল গান্ধী ইনস্টাগ্রামে পদযাত্রার ঘোষণা দেওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, কর্মসূচি নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইন্ডিয়া ব্লকের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ১০ লাখ মানুষ সমাবেশে অংশ নিতে পারেন। তবে পুলিশ রামলীলা ময়দানের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী প্রায় ৫০ হাজার মানুষের উপস্থিতি বিবেচনায় রেখে নিরাপত্তা পরিকল্পনা করেছে। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মানুষ এলে তাদের আশপাশের সড়কে আটকে রাখা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় দিল্লির বিভিন্ন সড়কে যান চলাচলে বিধিনিষেধ ও পথ পরিবর্তনের নির্দেশনা দিয়েছে দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এসব বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। রাজঘাট, দিল্লি গেট, আইটিও এ-পয়েন্ট ও নেতাজি সুভাষ মার্গের টি-পয়েন্টসহ মোট ১০টি স্থানে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এদিকে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশের দিনই বিরোধীদের অভিযোগের জবাব দিতে পাল্টা কর্মসূচি নিয়েছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। দলটির জাতীয় সভাপতি নীতিন নবীন হরিয়ানার রোহতকে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, নৈরাজ্য হটাও’ নামে পদযাত্রায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া, সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান ফরিদাবাদে একই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। বিজেপির ভাষ্য, বিরোধীরা ভোট চুরি, এসআইআর ও নির্বাচনসংক্রান্ত অনিয়ম নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালাচ্ছে। এর প্রতিবাদেই তাদের এ পদযাত্রা। বিজেপির এক বিবৃতিতে বলা হয়, এটি শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়; বরং বিরোধীদের অপপ্রচার, ষড়যন্ত্র ও অস্থিরতার বিরুদ্ধে একটি আদর্শিক উদ্যোগ। আরটিভি/টিআর
ভারতে সিইসির পদত্যাগ দাবিতে বিরোধীদের ‘চলো দিল্লি’ পদযাত্রা আজ
ভারতে গরুর মাংস বিক্রি করায় মুসলিম ব্যক্তিকে জোর করে শূকরের মাংস খাওয়ানোর চেষ্টা
ভারতের আসামে গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে শওকত আলী নামে ৬৮ বছর বয়সী এক মুসলিম ব্যবসায়ীকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। একপর্যায়ে তাকে জোর করে শূকরের মাংস খাওয়ানোরও চেষ্টা করে উত্তেজিত জনতা।
ভারতে গরুর মাংস বিক্রি করায় মুসলিম ব্যক্তিকে জোর করে শূকরের মাংস খাওয়ানোর চেষ্টা
আরও পড়ুন
‘পিসি’ বলে মমতার দিকে ছুটে গেলেন তরুণী, কাছে মিললো ছুরি
তৃণমূলের রাজনীতি থেকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল
মমতা আর নিজেকে তৃণমূলের প্রধান হিসেবে পরিচয় দিতে পারবেন না: আদালত
মমতাকে সরিয়ে তৃণমূলের নতুন চেয়ারম্যান অরুপ রায়