ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে যেসব খাবার সাহায্য করে 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

সোমবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ০৩:৩৩ পিএম


ক্যান্সার
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে দ্রুত বাড়ছে ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা। চিকিৎসা বিষয়ক সাময়িকী ল্যানসেট এর এক গবেষণায় বলা হয়েছে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই স্তন, লিভার, মলাশয়, মলদ্বার, পিত্তথলি ও অগ্ন্যাশয়সহ প্রায় ১৭ ধরনের ক্যান্সার ধরা পড়ছে।

বিজ্ঞাপন

গবেষকেরা বলছেন, জিনগত কারণের পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসও ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। তবে কিছু খাবার নিয়মিত খেলে এ ঝুঁকি কমানো সম্ভব। চলুন জেনে নিই কোন খাবারগুলো ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে।

টক দই
প্রোবায়োটিক ও উপকারী ব্যাকটেরিয়ায় সমৃদ্ধ টক দই শরীরের ক্ষতিকারক জীবাণু ধ্বংস করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি-৬, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের গবেষণা বলছে, টক দই নিয়মিত খেলে কোলন, ফুসফুস ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

বিজ্ঞাপন

দইয়ের ঘোল

দইয়ের ঘোলে থাকা প্রোবায়োটিক শরীরের প্রদাহ কমায়। এতে রয়েছে ভিটামিন বি, পটাশিয়াম, প্রোটিন ও খনিজ। গবেষণায় দেখা গেছে, এর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট উপাদান কোষের অনিয়মিত বিভাজন ঠেকিয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে।

বিজ্ঞাপন

পনির

পনির প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও সেলেনিয়ামের একটি ভালো উৎস। সেলেনিয়াম অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে, কোষের প্রদাহ কমিয়ে শরীর থেকে টক্সিন দূর করে। তবে পনির সবসময় পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিজ্ঞাপন

ঘি

ঘিতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে। এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের মাত্রা তুলনামূলক কম। গবেষণায় পাওয়া গেছে, ঘিতে থাকা কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড ক্যান্সার কোষ তৈরি হতে বাধা দেয়। পাশাপাশি বিউটারিক অ্যাসিড অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটিয়ে লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করতে সাহায্য করতে পারে।

আরও পড়ুন

বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পরিমিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন মেনে চললে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

Loading...

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission