পোষ্য হিসেবে পার্সিয়ান বিড়াল রাখার আগে যা জানা জরুরি

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ , ১০:০১ পিএম


পার্সিয়ান বিড়াল
ছবি: সৌজন্য

বিড়াল বন্ধুসুলভ এবং মিষ্টি স্বভাবের প্রাণী। সামান্য যত্ন, আদর এবং খাবার দিলেই তারা সহজেই মানুষের সঙ্গে মানিয়ে নেয়। বিশেষ করে পার্সিয়ান বিড়াল যা মূলত মধ্য প্রাচ্য থেকে এসেছে বাংলাদেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। 

বিজ্ঞাপন

t4

শহরে বসবাসকারী অনেক মানুষ পোষা প্রাণী হিসেবে বিড়াল পালন করেন। বর্তমানে এটি পৃথিবীর অন্যতম জনপ্রিয় গৃহপালিত প্রাণী। বিড়াল স্বভাবতই আরামপ্রিয় ও শান্ত স্বভাবের। বাংলাদেশে একে আদর করে ‘বাঘের মাসি’ বলা হয়। অনেকে ইঁদুর নিয়ন্ত্রণের জন্য বিড়াল পালন করেন। দুধ, মাছ ও মাংস এদের প্রিয় খাবারের মধ্যে পড়ে। বিড়ালের চলাফেরা খুবই নিঃশব্দ, কারণ এর পায়ের তলায় নরম মাংসপিণ্ড থাকে যা পদক্ষেপকে নীরব করে তোলে।

বিজ্ঞাপন

t2

বিড়াল যদি মেঝেতে খুব গড়াগড়ি খায় তখন আপনাকে বুঝতে হবে সে এই মুহূর্তে কিছুটা সময় চাচ্ছে এবং খেলতে চাচ্ছে। অনেক বিড়াল তার মনিবের বাইরে যাবার সময় এমনটি করে থাকে যাতে তাকেও সাথে নেয়া হয়। এটা দৃষ্টি আকর্ষণ করার এক সুন্দর পদ্ধতি। সত্যিই তো! এভাবে যদি পোষা বিড়ালটি কাছে এসে গড়াগড়ি দেয়, তাহলে তাকে রেখে কি কোথাও যাওয়া সম্ভব?

বিজ্ঞাপন

t1

তবে বাড়িতে এই প্রজাতির বিড়াল রাখার আগে কিছু বিষয় জানা জরুরি। যেমন: 

বিজ্ঞাপন

খরচ: পার্সিয়ান বিড়ালের দাম প্রজাতি ও গুণমানের ওপর নির্ভর করে। সাধারণত ৮ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। দামের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে শরীরের আকার, লোমের মান, চোখের রঙ এবং স্বভাব।

t3

প্রজাতি: বাজারে প্রধানত চারটি প্রজাতির পার্সিয়ান বিড়াল পাওয়া যায়—‘ডল ফেস’, ‘পেকে-ফেস’, ‘এক্সটিক শর্টহেয়ার’ এবং ‘টিকাপ’। এই প্রজাতিগুলোর মধ্যে ‘ডল ফেস’ বা পুতুলের মতো মুখবিশিষ্ট পার্সিয়ান বিড়ালের জনপ্রিয়তা সর্বোচ্চ।

গোসল: মাসে একবার গোসল করানো যথেষ্ট। লম্বা লোমের কারণে তাদের বিশেষ শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করে লোমের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

t5

খাবার: মাছ খেতে পছন্দ হলেও কাঁটা থাকা উচিত নয়। টুনা বা স্যামনের মতো সামুদ্রিক মাছ ভালোবাসে। এছাড়া হাড় ছাড়া সেদ্ধ মুরগিও খেতে দিতে পারেন।

চিকিৎসা: পার্সিয়ান বিড়ালের সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা হলো চোখ ও নাকের সমস্যা। অনেকসময় চোখ দিয়ে জল পড়ে বা নাক বন্ধ থাকে। কিছু প্রজাতি সহজে ঠান্ডা বা অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হয়। তাই বছরে অন্তত দু’বার পশু চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া জরুরি।

t6

পোষ্য হিসেবে পার্সিয়ান বিড়াল রাখতে চাইলে এই বিষয়গুলো মাথায় রাখা প্রয়োজন। সঠিক যত্ন ও পরিচর্যা তাদের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার জন্য অপরিহার্য।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

Loading...

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission