ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ঘরের সাজে ফুটে উঠুক ঈদের আমেজ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২৬, ০৩:০২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ঈদ মানেই নতুন জামা, সুস্বাদু খাবার আর আনন্দের মুহূর্ত। তবে এই আনন্দের বড় একটি অংশ কাটে ঘরেই। অতিথি আর আত্মীয়স্বজনের আনাগোনায় জমে ওঠে পুরো বাড়ি, আর তখন আপনার ঘরটাই হয়ে ওঠে উৎসবের প্রাণকেন্দ্র।

তাই ঈদের আগে ঘরে একটু উৎসবের ছোঁয়া দিলে পুরো পরিবেশটাই বদলে যায়। মনে রাখতে হবে-দামি আসবাব নয়, বরং আপনার রুচিশীল সাজই ঘরকে করে তুলতে পারে আকর্ষণীয় ও আরামদায়ক।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখা
ঈদে ঘর সাজাতে হলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে ঘরকে হালকা ও গোছানো করে তুলুন। জানালা, পর্দা, কার্পেট, সোফা কিংবা ডাইনিং টেবিলসহ সবকিছু ভালোভাবে পরিষ্কার করলে ঘরের পরিবেশ স্বাভাবিকভাবেই সতেজ হয়ে ওঠে। অনেকেই এই সময় পুরোনো পর্দা বা কুশন কভার বদলে নতুন কিছু ব্যবহার করেন, যা ঘরের সাজে এনে দেয় নতুনত্ব।

eid-decoration-ideas-for-your-home

আলোর ব্যবহারে উৎসবের আমেজ
ঈদে ঘরের সাজে আলোর ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। সাধারণ আলোর পরিবর্তে ড্রয়িংরুমে ডেকোরেটিভ লণ্ঠন ব্যবহার করলে ঘরে এক ধরনের রাজকীয় আভিজাত্য ফুটে ওঠে। জানালা বা বারান্দায় ট্রেন্ডি ‘স্টার অ্যান্ড মুন’ এলইডি স্ট্রিপ লাইট লাগাতে পারেন। দেয়ালে ওয়ার্ম হোয়াইট টুনি লাইট ব্যবহার করলে ঘর আরও স্নিগ্ধ ও উৎসবমুখর দেখাবে।

কুশনে আসুক নতুনত্ব
পুরো ঘর রং করার সময় না থাকলেও শুধু কুশন কভারবদলে দিলেই বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব। মখমল বা সিল্কের কাপড়ের ওপর জরির কাজ করা কুশন কভার ব্যবহার করলে ঘর উজ্জ্বল দেখাবে। গাঢ় নীল, এমারেল্ড গ্রিন বা মেরুন রঙের কুশনও ঘরে এনে দেয় এক আভিজাত্যপূর্ণ আবহ। মেঝেতে একটি সুন্দর কার্পেট বা শতরঞ্জি পেতে দিলে বসার জায়গা আরও আরামদায়ক হয়ে ওঠবে এবং দেখতে আকর্ষণীয় লাগবে।

বিছানার চাদরে নতুনত্ব
ঘরে ঢুকলেই প্রথমে চোখ যায় বিছানার দিকে। তাই চাদরটি হওয়া উচিত ঘরের রঙের সঙ্গে মানানসই। হালকা রঙের চাদর মনকে প্রশান্ত করে। আর যারা একটু আভিজাত্য চান, তারা ব্লক বা হাতের কাজের চাদর বেছে নিতে পারেন। এতে ঘরে আলাদা এক সৌন্দর্য ফুটে ওঠে।

বাহারি পর্দায় বদলে দিন ঘরের লুক
জানালার পর্দা ঘরের বড় একটি অংশ জুড়ে থাকে। তাই পর্দা বদলালে পুরো ঘরের চেহারাই বদলে যায়। বিছানার চাদরের সঙ্গে মিলিয়ে পর্দা নির্বাচন করলে ঘরের সাজ আরও পরিপূর্ণ লাগে। বাজেট কম হলে অন্তত বসার ঘরের পর্দা বদলালেও নতুনত্ব আসবে।

ba944584657335.5d642b4525f67

খাবার টেবিলে রাজকীয় সজ্জা
ঈদ মানেই হরেক রকম সুস্বাদু খাবার। তাই ডাইনিং টেবিলটাও হওয়া চাই আকর্ষণীয়। সাদা টেবিলক্লথের ওপর রঙিন রানার ব্যবহার করলে দেখতে দারুণ লাগে। টেবিলের মাঝখানে একটি শৌখিন পাত্রে তাজা ফুল রাখুন, চারপাশে কয়েকটি সুগন্ধি মোমবাতি জ্বালালে পরিবেশটাই পাল্টে যাবে।প্লেট, বাটি ও গ্লাসগুলো পরিপাটি করে সাজিয়ে রাখলে পুরো ডাইনিং স্পেস আরও সুন্দর ও গোছানো দেখাবে।

ফুল ও প্রাকৃতিক উপাদানে সতেজতা
প্রাকৃতিক উপাদান ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতে দারুণ কাজ করে। টেবিলে তাজা ফুল রাখুন, দরজার পাশে ইনডোর প্ল্যান্ট রাখুন। মানিপ্ল্যান্ট, স্নেক প্ল্যান্ট বা ছোট টবের সবুজ গাছ ঘরে এনে দেয় সতেজ ও প্রাকৃতিক অনুভূতি। সুগন্ধি ফুল ব্যবহার করলে পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, গালফ নিউজ

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গর্ভাবস্থায় ‘ভুলে যাওয়া সমস্যার’ রহস্য খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা 
গর্ভাবস্থায় অনেক নারী হঠাৎ কিছু বিষয় ভুলে যাওয়ার সমস্যায় পড়েন।
গর্ভাবস্থায় ‘ভুলে যাওয়া সমস্যার’ রহস্য খুঁজে পেলেন বিজ্ঞানীরা 
জেনে নিন ইসবগুল খাওয়ার উপকারিতা
কোষ্ঠকাঠিন্য হলেই অনেকের মনে পড়ে ইসবগুলের ভুসির কথা। পানিতে মিশিয়ে খাওয়া পরিচিত এই খাবারটি দীর্ঘদিন ধরে পেট পরিষ্কার রাখতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে ইসবগুলের উপকারিতা শুধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।
জেনে নিন ইসবগুল খাওয়ার উপকারিতা
বোটক্স নেওয়ার আগে জানুন স্নায়ুর এই ঝুঁকিগুলো
বয়সের ছাপ কমানো থেকে শুরু করে মাইগ্রেনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ—বিভিন্ন কারণে বোটক্স ব্যবহার করা হয়।
বোটক্স নেওয়ার আগে জানুন স্নায়ুর এই ঝুঁকিগুলো
শুয়ে থাকলেই পা নাড়ানোর ইচ্ছা? আজ সচেতন হওয়ার দিন
রাতে বিছানায় শুয়ে আছেন, কিন্তু পায়ে কেমন যেন অস্বস্তি হচ্ছে।
শুয়ে থাকলেই পা নাড়ানোর ইচ্ছা? আজ সচেতন হওয়ার দিন
শিয়ালের মাংস, তক্ষক ও জোঁকের তেল, রোগ সারানোর সত্যতা কতটা?
শিয়ালের মাংস খেলে বাতের ব্যথা সারে, তক্ষক খেলে হাঁপানি থেকে যৌনক্ষমতা নানা রোগের চিকিৎসা হয়, আবার জোঁকের তেল নাকি সারিয়ে দেয় বাত-ব্যথা ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা। বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত রয়েছে এমন নানা লোকবিশ্বাস। তবে এসব দাবির পেছনে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কতটা?
শিয়ালের মাংস, তক্ষক ও জোঁকের তেল, রোগ সারানোর সত্যতা কতটা?