সুস্থ থাকতে আর সুন্দর গড়ন ধরে রাখতে অনেক নারীই ওজন কমানোর চেষ্টা করেন। তবে না জেনেই কিছু ভুল করে বসেন, যা উল্টো শরীরের ক্ষতি করে। এতে শরীরের হজমশক্তি ধীর হয়ে যায়, হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এমনকি ওজন কমানো আরও কঠিন হয়ে পড়ে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত রোগা হওয়ার চাপে অনেকেই খাবার খুব কমিয়ে দেন। শুরুতে ওজন কমলেও পরে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগে, পেশি কমে যায় এবং শরীর আগের চেয়ে আরও দ্রুত মেদ জমাতে শুরু করে।
অনেক নারী আবার ভাত বা চর্বি কমানোর দিকে বেশি নজর দিলেও শরীরের প্রয়োজনীয় আমিষ ঠিকমতো খান না। অথচ ডিম, মাছ, ডাল, দই, বাদাম বা পনিরের মতো খাবার শরীরকে শক্ত রাখে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে। এতে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতাও কমে।
শুধু তাই নয়, বাজারের অনেক প্যাকেটজাত খাবারে কম চর্বি বা ডায়েট লেখা থাকলেও সেগুলো সবসময় স্বাস্থ্যকর নয়। এসব খাবারে বাড়তি চিনি, লবণ ও কৃত্রিম উপাদান থাকতে পারে, যা ওজন কমানোর বদলে বাড়িয়ে দিতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, ঘুম কম হওয়া এবং দীর্ঘদিন মানসিক চাপে থাকাও ওজন বাড়ার অন্যতম কারণ। কারণ মানসিক চাপ বাড়লে শরীরে এমন এক ধরনের হরমোন বাড়ে, যা ক্ষুধা বাড়িয়ে দেয় এবং পেটের মেদ জমাতে সাহায্য করে।
তাই হুট করে কঠিন নিয়ম মেনে না খেয়ে থাকার বদলে ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গড়ে তোলাই সবচেয়ে ভালো উপায়। নিয়মিত ব্যায়াম, পরিমিত খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম আর মানসিক স্বস্তিই হতে পারে সুস্থভাবে ওজন কমানোর আসল চাবিকাঠি।
আরটিভি/জেএমএ



