শীতে অনেকেই নিজের প্রিয় ঘরটিকে নতুন রূপে সাজানোর পরিকল্পনা করেন। অন্দরসজ্জার ক্ষেত্রে সাধারণত শোবার ঘর বা বসার ঘর বেশি গুরুত্ব পেলেও করিডর বা বারান্দার সরু পথটি অবহেলিত থেকে যায়।
অথচ সামান্য সৃজনশীলতায় এই করিডরই হয়ে উঠতে পারে আপনার বাড়ির সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ।
নেট দুনিয়া বা বিভিন্ন ম্যাগাজিনে হাজারো আইডিয়া থাকলেও নিজের পছন্দকে প্রাধান্য দিয়ে আপনি সাজাতে পারেন আপনার ছিমছাম গ্যালারি বা প্রবেশপথ।
করিডরের একঘেয়েমি কাটাতে দেয়াল পেইন্টিং বা ওয়ালম্যাটের বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে সব ফ্রেম একই মাপের না হয়ে ছোট-বড় বা মাঝারি আকারের হলে দেয়ালে বৈচিত্র্য আসবে। দেয়ালের রং যদি সাদা বা হালকা হয়, তবে গাঢ় রঙের ফ্রেম ব্যবহার করলে তা উজ্জ্বল দেখাবে।
এছাড়া দেয়ালের ওপরের অংশে ছোট ছোট তাক বসিয়ে সেখানে রাখা যায় শোপিস, বই কিংবা টেরাকোটার মুখোশ।
সবুজ প্রকৃতিকে অন্দরে ফিরিয়ে আনতে করিডরের দরজার পাশে রাখা যায় মাটির বা পিতলের বড় টব। সেখানে স্নেক প্ল্যান্ট বা মানিপ্ল্যান্টের মতো ইনডোর প্ল্যান্টগুলো দীর্ঘস্থায়ী ও দৃষ্টিনন্দন হয়। যদি মেঝেতে জায়গা কম থাকে, তবে দেয়ালের তাকে ছোট ছোট গাছ বা ক্যাকটাস সাজিয়ে রাখা যায়।
আলো-আঁধারির খেলা তৈরি করতে করিডরে ঝুলিয়ে দিতে পারেন শৌখিন পেনডেন্ট লাইট বা ল্যাম্প। কারুকাজ করা ফ্রেমযুক্ত আয়না ব্যবহার করলে সরু করিডর যেমন প্রশস্ত দেখায়, তেমনি আলোর প্রতিফলন ঘরকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে।
মেঝের সাজে আভিজাত্য আনতে পুরো করিডরে বিছিয়ে দেওয়া যায় নকশা করা শতরঞ্জি। এর এক কোণে একটি ডেকোরেটিভ চেয়ার বা ছোট বেঞ্চ রাখা যেতে পারে, যা জুতা পরার ক্ষেত্রে আরামদায়ক হবে। শতরঞ্জির ওপর শু র্যাক রেখে তার উপরিভাগে একটি সুন্দর ফুলদানি রাখলে অন্দরসজ্জায় পূর্ণতা আসবে।
মনে রাখবেন, সৌন্দর্যবোধ একেক জনের কাছে একেক রকম; তাই আপনার পছন্দের রং আর প্রিয় শখের মিশেলে সাজানো করিডরটিই হবে আপনার রুচির পরিচায়ক।
আরটিভি/এএইচ





