মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার সিদ্ধান্ত

আরটিভি নিউজ 

শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ , ০৮:৪৬ পিএম


মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার সিদ্ধান্ত
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ফাইল ছবি

মস্তিষ্কে দুই দফা অস্ত্রোপচারের পর এই মুহূর্তে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১৪ মার্চ) এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মির্জা আব্বাসের ব্যক্তিগত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল।

তিনি জানান, আগামীকাল বোরবার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে (মির্জা আব্বাস) সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে। মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস এবং তাদের জ্যেষ্ঠ সন্তান মির্জা ইয়াসির আব্বাস তার সঙ্গে যাবেন।

বিজ্ঞাপন

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপর থেকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাকে।

আরও পড়ুন

শনিবার সকালে মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যান করা হয়, যার প্রতিবেদন ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন মির্জা আব্বাস। পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে রাতে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। পরে তার মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যান করা হয়। সেই পরীক্ষার প্রতিবেদনে অবস্থার অবনতি বোঝা যাওয়ায় দ্রুত একটি ভার্চুয়াল মেডিকেল বোর্ড বসে এবং সবকিছু দেখে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত হয়।

শুক্রবার দুই দফায় তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর ৭২ ঘণ্টার নিবিড় পর্যবেক্ষণ রয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়মিত বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিচ্ছেন। শুক্রবার দুপুরে এভার কেয়ার হাসপাতালে তাকে দেখতে যান প্রধানমন্ত্রী। 

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission