ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার সিদ্ধান্ত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ফাইল ছবি

মস্তিষ্কে দুই দফা অস্ত্রোপচারের পর এই মুহূর্তে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মির্জা আব্বাসের ব্যক্তিগত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল।

তিনি জানান, আগামীকাল বোরবার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে (মির্জা আব্বাস) সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে। মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস এবং তাদের জ্যেষ্ঠ সন্তান মির্জা ইয়াসির আব্বাস তার সঙ্গে যাবেন।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) অস্ত্রোপচার করা হয়। এরপর থেকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাকে।

আরও পড়ুন

শনিবার সকালে মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যান করা হয়, যার প্রতিবেদন ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম।

গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন মির্জা আব্বাস। পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে রাতে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। পরে তার মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যান করা হয়। সেই পরীক্ষার প্রতিবেদনে অবস্থার অবনতি বোঝা যাওয়ায় দ্রুত একটি ভার্চুয়াল মেডিকেল বোর্ড বসে এবং সবকিছু দেখে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত হয়।

শুক্রবার দুই দফায় তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর ৭২ ঘণ্টার নিবিড় পর্যবেক্ষণ রয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিয়মিত বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিচ্ছেন। শুক্রবার দুপুরে এভার কেয়ার হাসপাতালে তাকে দেখতে যান প্রধানমন্ত্রী।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়াকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান
ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি অ্যান্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়াকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান
বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের সংস্কার সমর্থন করে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সশস্ত্র সংঘাত, মানবিক সংকট ও ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের এ সময়ে বহুপাক্ষিকতা শুধু একটি বিকল্প নয় বরং অপরিহার্য।
বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের সংস্কার সমর্থন করে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিচার বিভাগকে বাইরে রেখে বিরোধীদলের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে স্পিকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান‌ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে জাতীয় সংসদের কেবিনেট কক্ষে সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিচার বিভাগকে বাইরে রেখে বিরোধীদলের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে স্পিকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান‌ করার প্রস্তাব দিয়েছেন অনেকে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সময় সংবিধান সংশোধন কমিটি একদলীয় সরকারের ক্ষমতাকে স্থায়ী করতে চেয়েছিল‌। তার সাথে গণতান্ত্রিক সরকারের কমিটিকে এক করা উচিত হবে না। বিরোধী দল যদি চায় বিএনপি তাদের নোট অব ডিসেন্ট শিথিল করুক, তাহলে তাদের সেই কথা বৈঠকে এসে বলতে হবে। অমরা চাই বিরোধী দল সংবিধান সংশোধন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করুক। তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ সংবিধানে নেই। গণভোটকে আমরা স্বীকার করি। তবে তাতে রাখা প্রশ্ন নিয়ে বিতর্ক আছে। গণভোটে দেওয়া জনগণের রায়কে আমরা সম্মান করি। যদি আবার গণভোট হয় তবে এটা হবে সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত। সংবিধান সংশোধনে বিশিষ্ট নাগরিক বিশেষজ্ঞ ও অংশীজনদের সাথে পর্যায়ক্রমে বৈঠক করছে সংবিধান সংশোধন কমিটি। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কার বিষয়ে তারা তাদের প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।  আলোচনা হয় ৭০ অনুচ্ছেদ, মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ, স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়ে। আরটিভি/এসআর
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন, যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিএনপির দেওয়া নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বিরোধীদলকে সংবিধান সংশোধন কমিটির বৈঠকে এসে প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।  শনিবার (২৪ অক্টোবর) সংবিধান বিশেষজ্ঞ সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সঠিক প্রক্রিয়ায় সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করা হবে। আওয়ামী লীগ অবৈধভাবে ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে নিজেদের মতো করে সংবিধান সংশোধন করেছিল। কিন্তু জনগণের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার সে পথে হাটবে না। তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা-আর্টিকেল ৭০-প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি ক্ষমতার ভারসাম্যের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।  এছাড়াও, আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে স্বাধীনতা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। আরটিভি/এসআর
নোট অব ডিসেন্টে পরিবর্তন চাইলে বৈঠকে আসতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিদ্যুৎ স্থাপনা ও সরঞ্জাম পরীক্ষার নতুন ফি নির্ধারণ
বৈদ্যুতিক স্থাপনা ও সরঞ্জামাদি পরিদর্শন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং অনুমোদন নবায়নের ফি নির্ধারণ করে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০ সংশোধন করেছে সরকার। নতুন নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, ৫০ মেগাওয়াট নয়, ৫০ কিলোওয়াট বা তদূর্ধ্ব ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রাহকের বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি উপকেন্দ্রের ক্ষমতাভেদে ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে লিফট, এনার্জি মিটার, ট্রান্সফরমারের তেল পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান এবং বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফিও নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ১৫ অক্টোবর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশ করা হয়। এতে বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮-এর ৫৯ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বিদ্যুৎ বিধিমালা, ২০২০-এর তফসিল-১ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। নতুন তফসিল অনুযায়ী, ১০০ কেভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের বৈদ্যুতিক স্থাপনা পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি ২০ হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়ন ফি ১০ হাজার টাকা। ২০০ কেভিএ উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এ দুটি ফি যথাক্রমে ২৫ হাজার ও ১২ হাজার ৫০০ টাকা। ৫০০ কেভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি ৪০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া এক মেগাভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার (এমভিএ) ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ৬০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৩০ হাজার টাকা। ৫ এমভিএ উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এ ফি যথাক্রমে এক লাখ ও ৫০ হাজার টাকা। ১০ এমভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি এক লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ৭০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে ফি আরও বেশি। ২০ এমভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি দুই লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি এক লাখ টাকা। ৫০ এমভিএ উপকেন্দ্রের ক্ষেত্রে এ দুটি ফি যথাক্রমে চার লাখ ও দুই লাখ টাকা। ১০০ এমভিএ উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ফি সাত লাখ টাকা এবং নবায়ন ফি তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা। সর্বোচ্চ তালিকাভুক্ত ৫০০ এমভিএ ক্ষমতার উপকেন্দ্রের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ৩০ লাখ টাকা এবং অনুমোদন নবায়ন ফি ১৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বিদ্যুৎ সিস্টেমে লিংকেজ পরীক্ষার ফি দুই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভবনের অভ্যন্তরীণ বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং ডায়াগ্রামসহ সেফটি প্ল্যান অনুমোদনের জন্য ৫০ কিলোওয়াটের কম বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকা এবং ৫০ কিলোওয়াট বা তদূর্ধ্ব ব্যবহারের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের ক্ষেত্রে ১১ হাজার ভোল্ট পর্যন্ত সরঞ্জামের জন্য পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি ৫০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ৩৩ হাজার ভোল্ট বা তদূর্ধ্ব ক্ষমতার সরঞ্জামের ক্ষেত্রে এ ফি যথাক্রমে ৭৫ হাজার ও ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা। ট্রান্সফরমারের তেল পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও পরীক্ষার ফি ২০ হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়ন ফি ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এনার্জি মিটার পরীক্ষার ক্ষেত্রে সিঙ্গেল ফেজ মিটারের জন্য দুই হাজার টাকা, থ্রি-ফেজ মিটারের জন্য পাঁচ হাজার টাকা এবং মেইন মিটার বা এইচটি মিটারের জন্য ১০ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। বৈদ্যুতিক লিফটের আর্থিং পরীক্ষার ফি প্রতি ইলেকট্রোডে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। লিফট পরিদর্শন ও পরীক্ষার ক্ষেত্রে প্যাসেঞ্জার, ক্যাপসুল ও বেড লিফটের জন্য ছয় হাজার টাকা এবং অনুমোদন নবায়নের জন্য তিন হাজার টাকা দিতে হবে। অন্যদিকে কার্গো, গুডস, কার, ফায়ার ফাইটিং ও সার্ভিস লিফটের পরিদর্শন ও পরীক্ষা ফি ১০ হাজার টাকা এবং নবায়ন ফি পাঁচ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তফসিলে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির ফি উল্লেখ না থাকলে সমজাতীয় ক্যাটাগরির অব্যবহিত আগের ও পরের ক্যাটাগরির ফি-এর আনুপাতিক হারে পরিদর্শন ফি নির্ধারণ করবেন সংশ্লিষ্ট পরিদর্শন কর্মকর্তা। নির্ধারিত ফি কর-বহির্ভূত রাজস্ব হিসেবে ট্রেজারি চালান অথবা অনলাইনে এ-চালানের মাধ্যমে সরকারের নির্ধারিত কোডে জমা দিতে হবে। যে ভবন বা স্থানে বিদ্যুৎ উৎপাদন, গ্রহণ বা ব্যবহার করা হয় বা হবে, সেই ভবন বা স্থানের দখলদারকে প্রযোজ্য ফি পরিশোধ করতে হবে। ফি জমা দেওয়ার পর চালানের মূল কপিসহ প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তরে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এতে আরও বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ বিভাগের ২০১৪ সালের ২১ মে জারি করা ‘বৈদ্যুতিক স্থাপনা বা সরঞ্জামাদি পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিদ্যুৎ লাইসেন্স জারি আদেশ, ২০১৪’ রহিত করা হয়েছে। আরটিভি/এসআর
বিদ্যুৎ স্থাপনা ও সরঞ্জাম পরীক্ষার নতুন ফি নির্ধারণ
আরও পড়ুন
বাংলাদেশে অবকাঠামো ও শিল্প খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সিঙ্গাপুর
হরমুজ প্রণালিতে ২৪ ঘণ্টায় ডুবল দুই জাহাজ, বাড়ছে তেলের দাম
এআইয়ের হাত ধরে অর্থনীতিতে সিঙ্গাপুরের বাজিমাত
বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা