বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের বিভিন্ন পদে সরাসরি নিয়োগের লক্ষ্যে অনলাইনে আবেদনকারী প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবেদনপত্র (BPSC Form-D) জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (বিপিএসসি)।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের অধ্যাপক (৩য় গ্রেড), সহযোগী অধ্যাপক (৪র্থ গ্রেড), সিনিয়র কনসালটেন্ট (৫ম গ্রেড) ও সহকারী অধ্যাপক (৬ষ্ঠ গ্রেড) পদের প্রার্থীদের আগামী ২-৮ এপ্রিল তারিখের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে হবে। সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতি কার্যদিবসে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে এই কাগজপত্র সরাসরি বা ডাকযোগে ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত পিএসসি সচিবালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের (ক্যাডার) কাছে পৌঁছাতে হবে।
পিএসসি জানায়, প্রার্থীদের কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা বিপিএসসি ফরম-ডি এর সঙ্গে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা সত্যায়িত ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, প্রবেশপত্রের সত্যায়িত কপি এবং অর্জিত সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি যুক্ত করতে হবে। এ ছাড়া বয়স প্রমাণের জন্য এসএসসি বা সমমানের সনদের কপি (এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়), জাতীয় পরিচয়পত্র, বিএমডিসির ইস্যু করা হালনাগাদ রেজিস্ট্রেশন ও ইকুইভ্যালেন্স সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং অভিজ্ঞতার বিস্তারিত প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
আর বিশেষ কোটায় আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা সনদ, প্রতিবন্ধী সনদ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বা তৃতীয় লিঙ্গের স্বপক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সত্যায়িত সনদপত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোনো প্রার্থী বর্তমানে সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় কর্মরত থাকলে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র অবশ্যই জমা দিতে হবে, অন্যথায় তিনি মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না।
আর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাগজপত্র জমাদানে ব্যর্থ হলে আবেদনকারীর প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে। এ ছাড়া আবেদনপত্রে কোনো তথ্য ভুল প্রমাণিত হলে বা প্রয়োজনীয় নথির ঘাটতি থাকলে নিয়োগ প্রক্রিয়ার যেকোনো পর্যায়ে আইনি ব্যবস্থাসহ প্রার্থিতা বাতিল করা হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
আরটিভি/ এমএ




