বিশ্ববিদ্যালয়ে বাইরের লোকজনের অবাধ প্রবেশ বন্ধ করতে হবে। যে কোনো দল বা ধর্মের হোক, বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। এটি একটি সুস্থ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়ক হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে 'সরস্বতী জ্ঞান মন্দির’ (কেন্দ্রীয় মন্দির) উদ্বোধন শেষে এক আলোচনা সভায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা সকলে মিলে এমন একটি দেশ গড়তে চাই, যা হবে সহনশীল, সংবেদনশীল, মানবিক ও স্থিতিশীল। এই চারটি গুণ না থাকলে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। তাই বাংলাদেশকে এমন একটি দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গে বলতে চাই, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় একটি অসাধারণ প্রাকৃতিক পরিবেশে অবস্থিত। এখানে প্রবেশ করতেই মনে হয়েছে যেন একটি বনভূমি বা প্রাকৃতিক রিসোর্টে এসেছি। এত বড় এলাকা, এত সমৃদ্ধ বনভূমি- এটি বাংলাদেশের জন্য সত্যিই অনন্য। এখানে বন্যপ্রাণী ও পাখির তালিকা তৈরি করা যেতে পারে। এগুলো সংরক্ষণ ও গবেষণার সুযোগ রয়েছে। তবে এই সম্ভাবনাকে যদি আমরা যথাযথভাবে কাজে লাগাতে না পারি, সেটি হবে আমাদের দুর্ভাগ্য।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘নেক্সট লেভেলে’ নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। এত বড় সম্ভাবনাময় একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। এর জন্য দরকার সঠিক মানসিকতা, মানসম্মত শিক্ষক, ভালো শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক এবং সময়োপযোগী কারিকুলাম। আমাদের স্বীকার করতে হবে আমরা এখনও সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারিনি। আর নিজের বর্তমান অবস্থান স্বীকার না করলে উন্নয়ন সম্ভব নয়।
বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বাইরের লোকজনের অবাধ প্রবেশ বন্ধ করতে হবে। যে কোনো দল বা ধর্মের হোক, বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। এটি একটি সুস্থ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
আরটিভি/এসএস



