ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

সীমান্ত সুরক্ষা ও অপরাধ দমনে কঠোর নজরদারি বিজিবির 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম
বিজিবি সদস্যদের পুরনো ছবি

সীমান্ত সুরক্ষা, অপরাধ দমন, চোরাচালান, সন্ত্রাস, মাদক ও নারী-শিশু পাচার রোধ এবং অনুপ্রবেশ বন্ধে কঠোর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ড্রোন ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দেশের সীমান্ত সুরক্ষা ও অপরাধ দমনে কাজ করছে বিজিবি। এ ছাড়া সীমান্ত উত্তেজনা প্রশমনে বিজিবি ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন করছে।

এ বিষয়ে বিজিবি সদর দপ্তরের পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অপরাধ দমনে অপরাধীদের আটক করে আইনের আওতায় আনা, সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা, বিএসএফের সঙ্গে নিয়মিত পতাকা বৈঠক ও যৌথ টহলের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকার সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে বিজিবি কাজ করছে। এ ছাড়া বিশেষ পরিস্থিতিতে দেশের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় উদ্ধারকাজেও অংশ নিচ্ছে বিজিবি সদস্যরা।

তিনি বলেন, বিজিবি সীমান্তে রাডার, থার্মাল ক্যামেরা এবং হাইস্পিড বোট ব্যবহার করে নজরদারি জোরদার করছে। বিজিবি জোয়ানরা প্রতিকূল আবহাওয়া, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, নদীমাতৃক জনপদ এবং সুন্দরবনের মতো গহীন বনাঞ্চলেও অক্লান্ত পরিশ্রম করে দায়িত্ব পালন করছেন। সীমান্তের সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে পর্যবেক্ষণ চৌকি স্থাপন এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে।

মাহবুব মুর্শেদ রহমান বলেন, বিজিবি অবজারভেশন পোস্ট (বিওপি) পরিচালনা এবং স্মার্ট ডিজিটাল সার্ভিলেন্স সিস্টেম ব্যবহার করার মাধ্যমে সীমান্তে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও অভিযান অব্যাহত রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আমরা সীমান্তের প্রতিটি ইঞ্চি জমিকে নিজেদের সন্তানের মতো রক্ষা করি। সীমান্ত পিলার সংরক্ষণ, অবৈধ স্থাপনা প্রতিরোধ এবং ভূমি দখলের যে কোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করা বিজিবির পবিত্র দায়িত্ব।

এদিকে বিজিবি থেকে বলা হয়েছে, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিজিবিকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার কাজ চলছে। জনবল বৃদ্ধি, নতুন ব্যাটালিয়ন গঠন, বিওপি সম্প্রসারণ এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় অবকাঠামোগত উন্নয়নের কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

এ ছাড়া বিজিবিকে আরও উন্নত ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে এর সদস্যদের প্রশিক্ষণের জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জোয়ানদের অস্ত্র চালনা, শারীরিক যোগ্যতা, বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা ও মানবাধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচন, স্থানীয় নির্বাচন, বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব, দুর্গাপূজা, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা এবং অন্যান্য জাতীয় কর্মসূচিতে বিজিবি জোয়ানরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিযুক্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন

এছাড়াও ঘূর্ণিঝড়, বন্যা বা ভূমিধসের সময় বিজিবি সদস্যরা দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ায়। ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার তৎপরতা ও পুনর্বাসন কাজে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে। সীমান্তবর্তী দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন, শিক্ষা সহায়তা এবং অসচ্ছল পরিবারের কন্যাদের বিবাহে সহযোগিতার মতো জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক এবং সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, দেশের সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা আরও জোরদার করতে হবে।

তিনি বলেন, সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। সীমান্ত অপরাধের সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটদের আইনের আওতায় আনতে হবে। যেসব সীমান্ত দিয়ে অপরাধ হয় তা চিহ্নিত করে প্রযুক্তির মাধ্যমে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে ব্যবস্থা নিতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, দেশের সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা থাকা জরুরি। এ ব্যাপারে কোনো সংকট থাকলে তা সমাধান করতে হবে। সীমান্তে বিজিবি’র টহল ও অভিযান জোরদার এবং সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ যাতায়াত বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে বিজিবি সদস্যদের আরও উন্নত প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

বিজিবি সূত্র জানায়, বিগত ৬ মাসে দেশব্যাপী চোরাচালান বিরোধী অভিযান চালিয়ে বিজিবি ১ হাজার ৫৩৪ কোটি ৮৬ লাখ ৬৫ হাজার ৮৯ টাকা মূল্যের চোরাই পণ্য জব্দ করেছে। অভিযানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মূল্যবান ধাতু ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও গত ৬ মাসে বিজিবি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪শ’ কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে।

সূত্র: বাসস

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা: বিজিএমইএ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে সংগঠনটি। সরকারের ঘোষিত সাধারণ ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পোশাক কারখানাগুলোতেও এ ছুটি কার্যকর হবে। এর আগে গত ২১ অক্টোবর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি পালনের সিদ্ধান্ত জানিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিবছর ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাধারণ ছুটি পালন করা হবে। গত ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৭ নভেম্বরকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে দিনটিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্‌যাপনসংক্রান্ত পরিপত্রে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। সরকারের এ সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় পোশাক কারখানাগুলোতেও সাধারণ ছুটি কার্যকরের ঘোষণা দিল বিজিএমইএ। উল্লেখ্য, চলতি বছর ৭ নভেম্বর শনিবার। ফলে দিনটি সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যেই পড়েছে। আরটিভি/টিআর
৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা: বিজিএমইএ
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিশু-কিশোরদের মেধা, প্রতিভা ও সৃজনশীলতার বিকাশের মধ্য দিয়েই গড়ে উঠবে একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। এ লক্ষ্য অর্জনে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি ও বিদেশি ভাষা শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে।
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
পোশাক খাতে অস্থিরতা: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, নজরদারিতে ১২৫ প্রতিষ্ঠান
পোশাকশ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে চলমান অস্থিরতায় জড়িত থাকার অভিযোগে শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
পোশাক খাতে অস্থিরতা: শতাধিক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব স্থগিতের নির্দেশ এনবিআরের, নজরদারিতে ১২৫ প্রতিষ্ঠান
আজকের শিশু-কিশোররাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আজকের শিশু-কিশোররাই দেশের ভবিষ্যৎ। তারাই আগামী দিনে দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে এবং দেশ গড়ে তুলতে পারবে। এজন্য শুধু লেখাপড়া করলেই হবে না, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক চর্চা ও শিল্পকলার সঙ্গেও সম্পৃক্ত থাকতে হবে।
আজকের শিশু-কিশোররাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী
ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা
ভারতীয় ভিসা আবেদনকারীদের জন্য নতুন বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন। এখন থেকে সব ধরনের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরম্যাটে ‌‌‘Visa Undertaking Form’ বা ভিসা অঙ্গীকারনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) হাইকমিশনের ভিসা সংক্রান্ত পোর্টালে এক জরুরি অ্যাডভাইজরিতে এ তথ্য জানানো হয়। অ্যাডভাইজরিতে বলা হয়েছে, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সব ভিসা আবেদনকারীর জন্য নির্ধারিত ফরম্যাটে ভিসা আন্ডারটেকিং ফর্ম জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী আবেদনকারীদের যা করতে হবে: হাইকমিশনের দেওয়া লিংক থেকে নির্ধারিত ফরম্যাটে ‘Visa Undertaking Form’ ডাউনলোড করতে হবে। ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। NIC Visa Application Portal-এ অনলাইন ভিসা আবেদনের সঙ্গে ওই পূরণকৃত ফর্মটি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, আবেদনকারীদের শুধুমাত্র নির্ধারিত ফরম্যাটের ফর্মটিই ব্যবহার করতে হবে। অন্য কোনও ফরম্যাটে ফর্ম জমা দিলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল করতেই এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ভারতীয় ভিসা প্রত্যাশীদের নির্ধারিত লিংক থেকে ফর্ম ডাউনলোড করে দ্রুত আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ফর্মে যেসব তথ্য লাগবে প্রকাশিত এক পাতার ‘Visa Undertaking Form’ অনুযায়ী আবেদনকারীকে প্রথমে নিজের নাম লিখে অঙ্গীকার করতে হবে যে, তিনি যে উদ্দেশ্যে ভিসার আবেদন করেছেন শুধুমাত্র সেই উদ্দেশ্যেই ভারত সফর করবেন। একইসঙ্গে ঘোষণা দিতে হবে, আবেদনের তারিখে তিনি ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের অধিক্ষেত্রে বসবাস করছেন এবং তার দেওয়া সব তথ্য সঠিক।  এরপর ১ নম্বর অংশে Personal Details- এর ঘরে ৫টি তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে পূরণ করতে হবে। এগুলো হলো— পাসপোর্ট অনুযায়ী নাম, পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয়তা, জন্ম তারিখ এবং ঢাকার বর্তমান ঠিকানা। ২ নম্বর অংশে ভারত যাওয়ার উদ্দেশ্য (Purpose of Visit) স্পষ্ট করে লিখতে হবে, যেমন- ট্যুরিজম, বিজনেস, মেডিক্যাল ট্রিটমেন্ট, কনফারেন্স ইত্যাদি। ৩ থেকে ৫ নম্বর অংশে মূলত ৩টি অঙ্গীকারনামা রয়েছে। আবেদনকারীকে অঙ্গীকার করতে হবে যে, সফর শেষ হওয়া মাত্রই তিনি নিজ দেশে ফিরে আসবেন এবং কোনও অবস্থাতেই ভিসার মেয়াদ অতিক্রম করে ভারতে অবস্থান করবেন না।  ভারতে অবস্থানকালে ভারতের সব আইন, বিধি-বিধান ও সংস্কৃতি মেনে চলবেন এবং আইনবিরোধী কোনও কাজে জড়াবেন না। কোনও আইন লঙ্ঘন করলে ভিসা বাতিল এবং ভবিষ্যতে ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও ফর্মে উল্লেখ রয়েছে। সবশেষে আবেদনকারীকে স্বাক্ষর এবং স্থান ও তারিখ দিয়ে ফর্মটি সম্পন্ন করতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে বাবা-মা উভয়কেই স্বাক্ষর করতে হবে বলে ফর্মে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এসআর  
ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা
আরও পড়ুন
ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
শ্রমিক অসন্তোষ ঘিরে গাজীপুর-নারায়ণগঞ্জে ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে গাজীপুরে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন