ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিল পিডিবি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পাইকারি পর্যায়ে ক্রমবর্ধমান ঘাটতি কমাতে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত (১৭-২১ শতাংশ) বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। পাশাপাশি উচ্চ ভোল্টেজের কিছু গ্রাহক শ্রেণিকে নিজেদের মধ্যে এনে খরচ কমিয়ে ভর্তুকির চাপ সামাল দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে সংস্থাটি।

বুধবার (২০ মে) সকালে রাজধানীর কেআইবি মিলনায়তনে আয়োজিত গণশুনানিতে পাইকারি বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি দেড় টাকা বা ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় পিডিবি।

শুনানিতে চলতি অর্থবছরে ৬২ হাজার কোটি টাকা ও আগামী অর্থবছরে ৬৫ হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য ঘাটতির কথা তুলে সংস্থাটির প্রধান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম বলেন, দাম না বাড়ালে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বিদ্যুৎ খাত।

তবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়ার তীব্র বিরোধিতা করেন রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবসহ অংশীজনরা।

পিডিবির প্রস্তাবিত বৃদ্ধি অনুযায়ী প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় পাইকারি দাম হবে–৮ টাকা ২৪ পয়সা থেকে ৮ টাকা ৫৪ পয়সা। বর্তমানে পাইকারি ইউনিট প্রতি গড় মূল্যহার ৭ টাকা ০৪ পয়সা।

আরও পড়ুন

অন্যদিকে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব গণভোগান্তিসহ শিল্পকারখানার উৎপাদন ও অর্থনীতি ব্যাপক চাপের মুখে পড়বে বলে জানিয়েছে ভোক্তা ও সংশ্লিষ্টজনেরা। এমন সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ‘গণশত্রুতে’ পরিণত হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে ভোক্তাপর্যায় থেকে।

পিজিসিবির বর্তমান গড় সঞ্চালন চার্জ প্রতি ইউনিটে শূন্য দশমিক ৩০৯৬ টাকা থেকে ১৮ পয়সা বাড়িয়ে প্রতি ইউনিট শূন্য দশমিক ৪৯৫৫ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে পিজিসিবি। কমিশনের কারিগরি কমিটি প্রতি ইউনিটে ১৩ পয়সা দাম বাড়িয়ে ইউনিট প্রতি সঞ্চালন চার্জ শূন্য দশমিক ৪৪৮১ টাকা করার সুপারিশ করেছে।

এ দিন পিডিবির চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শুনানিতে অংশ নিয়ে পাইকারি বিদ্যুতে ৩ শতাংশ সিস্টেম লস বিবেচনায় আনার দাবি জানান। পাশাপাশি বিদ্যমান ৪ শতাংশ হারে উৎস কর মওকুফ করেও ভর্তুকির চাপ কিছুটা কমিয়ে আনা যায় বলে প্রস্তাব দেন।

এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে এক নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এরপর থেকে বিভিন্ন কারণে ব্যয় বৃদ্ধি পেলেও আর দাম সমন্বয় করা হয়নি।

বিদ্যুৎ খাতে লুণ্ঠনমূলক ও দুর্নীতির সহায়ক প্রকল্প গ্রহণ ও সিস্টেম লসের নামে কর্মকর্তাদের যোগসাজশের কারণে অব্যাহতভাবে দাম বাড়ছে এবং এর দায় ভোক্তাদের ওপর চাপাতে নামমাত্র গণশুনানির আয়োজন করা হচ্ছে বলে ভোক্তাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ।

সেই প্রেক্ষিতে এ দিনের গণশুনানিতে অংশ নেননি কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম।

তবে তার পক্ষে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক সৈয়দ মিজানুর রহমান শুনানিতে অংশ নিয়ে মূল্যবৃদ্ধির তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, ‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করা হলে বিইআরসি ‘গণশত্রুতে’ পরিণত হবে। অতীতে আইনের দোহাই দিয়ে সবচেয়ে বেশি বেআইনি কাজ করা হয়েছে এবং এতে বিইআরসি সহায়তা করেছে। এখনো কমিশনের সতর্ক হওয়ার সময় আছে। বিইআরসিকে দেশের স্বার্থে কাজ করতে হবে। ৫ আগস্টের পর দেশে অনেক কিছু পরিবর্তন হলেও বিইআরসিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।’

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) পরিচালক মো. জামাল উদ্দিন মিয়া বলেন, বর্তমানে দেশের রপ্তানি খাত নিম্নমুখী অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে শিল্প খাত আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা হারাবে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে শিল্পকারখানার উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে এবং ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। তাই মূল্যবৃদ্ধির কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। বিপিডিবির মূল্যবৃদ্ধির সুপারিশে জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করা হয়নি। এ জন্য এই গণশুনানি বাতিল করতে হবে।

এ ছাড়াও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়ার তীব্র বিরোধিতা করেন রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবসহ অংশীজনরা।

তারা বলেন, লুটপাটের দায় চাপানো হচ্ছে গ্রাহকের কাঁধে। তাই উল্টো দাম কমাতে শুনানি করার দাবি তুলেন অংশীজনরা।

শুনানিতে অংশীজনরা বলেন, নিত্যপণ্যের বাড়তি ব্যয়ের মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়ার প্রভাব পড়বে বহুমুখী। উৎপাদন খাতেও পিছিয়ে পড়বেন উদ্যোক্তারা।

বৃহস্পতিবার গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদনের ওপর গণশুনানি করবে বিইআরসি।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিমানবন্দরে লাগেজ নিয়ে আগের মতো এখন আর ভোগান্তি নেই: বিমানমন্ত্রী 
বিমানবন্দরে লাগেজ সংগ্রহ ও ব্যাগ নিয়ে যাত্রীদের আগের মতো ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে না বলে দাবি করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি জানান, বিমানবন্দরের যাত্রীসেবার মান নিয়ে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে সম্প্রতি দেখা দেওয়া যান্ত্রিক ত্রুটি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা পড়েছে। তদন্তে কারও গাফিলতি বা অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি জানান, ঢাকা থেকে উড়োজাহাজটি সম্পূর্ণ সচল অবস্থায় যাত্রা শুরু করেছিল। তবে জাপান থেকে ফেরার পথে উড়োজাহাজের ডানার পেছনের অংশে থাকা ফ্ল্যাপে কিছুটা যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দেয়। এ ধরনের ছোটখাটো ত্রুটি উড়োজাহাজ চলাচলে অস্বাভাবিক নয়। তবে এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পূর্ণাঙ্গভাবে টার্মিনালটি চালুর লক্ষ্যে জাপানের দেওয়া বিভিন্ন শর্ত মেনে নেওয়া হয়েছে। থার্ড টার্মিনাল চালু হলে বর্তমান টার্মিনাল ১ ও ২ থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ করা হবে। তবে টার্মিনাল দুটি পরিত্যক্ত রাখা হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট নতুন টার্মিনালে স্থানান্তরের পর পুরোনো দুটি টার্মিনাল থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি কার্গো, চার্টার্ড ও ভিভিআইপি ফ্লাইট পরিচালনার কাজেও এগুলো ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া সরকার নতুন একটি বাজেট এয়ারলাইন্স চালুর পরিকল্পনা করছে। এর কার্যক্রমও টার্মিনাল ১ ও ২-কে কেন্দ্র করে পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। ঢাকার ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই বলেও জানান তিনি। মন্ত্রীর ভাষ্য, একটি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ করতে অন্তত ১০ থেকে ১২ বছর সময় প্রয়োজন। আর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে সব মিলিয়ে প্রায় ১৫ বছর লেগে যায়। তাই আপাতত বিদ্যমান বিমানবন্দরগুলোর অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার উন্নতির এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী। আরটিভি/এসকে
বিমানবন্দরে লাগেজ নিয়ে আগের মতো এখন আর ভোগান্তি নেই: বিমানমন্ত্রী 
শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি পূরণে সরকার আন্তরিক: শ্রমমন্ত্রী
শ্রমমন্ত্রী বলেছেন, যেসব মালিক কারখানা বন্ধ রেখেছেন, তারা যেন সেগুলো খুলে দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। শ্রমিক নেতাদেরও নিজ নিজ কারখানায় গিয়ে শ্রমিকদের কাজে যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।
শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি পূরণে সরকার আন্তরিক: শ্রমমন্ত্রী
হরমুজ পার হতে বাংলাদেশকে ইরানের নির্দেশনা মানতে হবে: রাষ্ট্রদূত
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোকে নিরাপদে যাতায়াত করতে হলে অবশ্যই ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের দেওয়া নিয়ম মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদী। বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকাস্থ ইরান দূতাবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, ইরানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়া কোনো দেশই এই কৌশলগত নৌপথ দিয়ে নিরাপদে জ্বালানি পরিবহন করতে পারবে না। হরমুজ পার হতে অবশ্যই ইরানের বেঁধে দেওয়া নির্দেশনা মানতে হবে। রাষ্ট্রদূত বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যেসব হামলার ঘটনা ঘটছে, সেগুলোর সঙ্গে ইরানের কোনো সম্পর্ক নেই। বাংলাদেশসহ কোনো দেশের জ্বালানি পরিবহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরান সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারে না। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে আগাম সমন্বয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশি পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ পারাপারে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। ইরানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের জনগণকে ‘মুসলিম ভাই-বোন’ উল্লেখ করে বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে তাদের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং হরমুজ প্রণালিতে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলে সহায়তার আশ্বাস দেন। তি‌নি ব‌লেন, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনার কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ ও মূল্যবৃদ্ধির জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী। তবে এই সংকটকালীন বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বের নিদর্শনস্বরূপ, আগাম সমন্বয়ের ভিত্তিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী বাংলাদেশি পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদ পারাপারে ইরান সব ধরনের সহযোগিতা করবে। এ সময় ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশের মানুষের অবস্থানে সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি। তি‌নি ব‌লেন, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান যৌক্তিক। ইরান ইস্যুতে বাংলাদেশের মানুষের ম‌নোভাব বা সমর্থ‌নে আমরা খু‌শি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের স‌ঙ্গে সমঝোতার প্রশ্নে জালিল রাহিমি ব‌লেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের স‌ঙ্গে সমঝোতার মা‌নে আত্মসমর্পণ। এটা কখ‌নো মে‌নে নে‌বে না ইরান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যদি কোনো ধরনের হামলা চালায়, তবে পূর্ণ শক্তিতে তাদের গুঁড়িয়ে দিতে ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তবে ইরান নিজে থেকে কোনো যুদ্ধ বা সংঘাত চায় না। মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর সাথে ইরানের কোনো বিরোধ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আরব দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে যদি ইরানের ওপর হামলা না হয়, তবে ইরান কখনোই কোনো আরব দেশে আক্রমণ করবে না। পবিত্র মক্কা ও মদিনাকে ইরানের ‘রেড লাইন’ হিসেবে ঘোষণা করে তিনি এ অঞ্চলে পশ্চিমা হস্তক্ষেপ ছাড়া আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ‘মক্কা চুক্তি’ গঠনের প্রস্তাব দেন। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সৌদি আরবের সংঘাতের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত। তি‌নি বলেন, এই দ্বন্দ্ব ইরানের ইসলামি বিপ্লবের অনেক আগের। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ইয়েমেনের হুথি, ফিলিস্তিনের হামাস, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইরাকের হাশদ আল-শাবির প্রতি ইরানের শক্তিশালী রাজনৈতিক ও আধ্যাত্মিক সমর্থন রয়েছে। আরটিভি/টিআর
হরমুজ পার হতে বাংলাদেশকে ইরানের নির্দেশনা মানতে হবে: রাষ্ট্রদূত
মালিক-শ্রমিকপক্ষকে নিয়ে জরুরি বৈঠকে শ্রমমন্ত্রী
ন্যূনতম মজুরির দাবিতে পোশাকশিল্পে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ সরকারের অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তা, শ্রমিক সংগঠনের নেতা এবং মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন। এর আগে বুধবার বেলা ১১টায় পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা হয়। সভায় আগামী ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কাঠামো চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। তবে নতুন মজুরির পরিমাণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। নতুন কাঠামো অনুযায়ী প্রথম বেতন দেওয়া হতে পারে আগামী জানুয়ারিতে।  ১ নভেম্বর ছয় সদস্যের ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করে সরকার। বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানকে। পরে তাকে পরিবর্তন করে সৈয়দ আজাদ সুবহানীকে বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়। নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ। বোর্ডে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম-মহাসচিব আসিফ আইয়ুব ও বিজিএমইএর পরিচালক এ বি এম শামসুদ্দিন। শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে রয়েছেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার। বর্তমানে পোশাকশ্রমিকদের সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা। শ্রমিকেরা তা বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়ে আসছেন। গত কয়েক দিন ধরে রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর, সাভার ও আশুলিয়াসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে এ দাবিতে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও কর্মবিরতি চলছে। আন্দোলন কেন্দ্র করে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। কয়েক শ কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার খবর পাওয়া গেছে। এতে উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি, খাদ্য, বাসাভাড়া, যাতায়াত ও চিকিৎসাসহ জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান মজুরিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে মালিকপক্ষ উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার চাপের কথা তুলে ধরে আসছে। আরটিভি/টিআর
মালিক-শ্রমিকপক্ষকে নিয়ে জরুরি বৈঠকে শ্রমমন্ত্রী
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে, যা জানা যাচ্ছে
তার সঙ্গে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে ডিবিসি নিউজের ক্রাইম চিফ রাজিব ঘোষকেও। বর্তমানে তারা ডিবি কার্যালয়ে রয়েছেন।
ইকবাল সোবহান চৌধুরী ডিবি হেফাজতে, যা জানা যাচ্ছে
আরও পড়ুন
ঢাকার যেসব এলাকায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না বৃহস্পতিবার
আগামী বছর জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রী
পায়রা বন্দরে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে বিনিয়োগে আগ্রহী চীনা প্রতিষ্ঠান
আজ দেশের যেসব এলাকায় সকাল থেকে টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না