ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিল পিডিবি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পাইকারি পর্যায়ে ক্রমবর্ধমান ঘাটতি কমাতে বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত (১৭-২১ শতাংশ) বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। পাশাপাশি উচ্চ ভোল্টেজের কিছু গ্রাহক শ্রেণিকে নিজেদের মধ্যে এনে খরচ কমিয়ে ভর্তুকির চাপ সামাল দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে সংস্থাটি।

বুধবার (২০ মে) সকালে রাজধানীর কেআইবি মিলনায়তনে আয়োজিত গণশুনানিতে পাইকারি বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি দেড় টাকা বা ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় পিডিবি।

শুনানিতে চলতি অর্থবছরে ৬২ হাজার কোটি টাকা ও আগামী অর্থবছরে ৬৫ হাজার কোটি টাকার সম্ভাব্য ঘাটতির কথা তুলে সংস্থাটির প্রধান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম বলেন, দাম না বাড়ালে মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বিদ্যুৎ খাত।

তবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়ার তীব্র বিরোধিতা করেন রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবসহ অংশীজনরা।

পিডিবির প্রস্তাবিত বৃদ্ধি অনুযায়ী প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় পাইকারি দাম হবে–৮ টাকা ২৪ পয়সা থেকে ৮ টাকা ৫৪ পয়সা। বর্তমানে পাইকারি ইউনিট প্রতি গড় মূল্যহার ৭ টাকা ০৪ পয়সা।

আরও পড়ুন

অন্যদিকে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব গণভোগান্তিসহ শিল্পকারখানার উৎপাদন ও অর্থনীতি ব্যাপক চাপের মুখে পড়বে বলে জানিয়েছে ভোক্তা ও সংশ্লিষ্টজনেরা। এমন সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ‘গণশত্রুতে’ পরিণত হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে ভোক্তাপর্যায় থেকে।

পিজিসিবির বর্তমান গড় সঞ্চালন চার্জ প্রতি ইউনিটে শূন্য দশমিক ৩০৯৬ টাকা থেকে ১৮ পয়সা বাড়িয়ে প্রতি ইউনিট শূন্য দশমিক ৪৯৫৫ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে পিজিসিবি। কমিশনের কারিগরি কমিটি প্রতি ইউনিটে ১৩ পয়সা দাম বাড়িয়ে ইউনিট প্রতি সঞ্চালন চার্জ শূন্য দশমিক ৪৪৮১ টাকা করার সুপারিশ করেছে।

এ দিন পিডিবির চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শুনানিতে অংশ নিয়ে পাইকারি বিদ্যুতে ৩ শতাংশ সিস্টেম লস বিবেচনায় আনার দাবি জানান। পাশাপাশি বিদ্যমান ৪ শতাংশ হারে উৎস কর মওকুফ করেও ভর্তুকির চাপ কিছুটা কমিয়ে আনা যায় বলে প্রস্তাব দেন।

এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে এক নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এরপর থেকে বিভিন্ন কারণে ব্যয় বৃদ্ধি পেলেও আর দাম সমন্বয় করা হয়নি।

বিদ্যুৎ খাতে লুণ্ঠনমূলক ও দুর্নীতির সহায়ক প্রকল্প গ্রহণ ও সিস্টেম লসের নামে কর্মকর্তাদের যোগসাজশের কারণে অব্যাহতভাবে দাম বাড়ছে এবং এর দায় ভোক্তাদের ওপর চাপাতে নামমাত্র গণশুনানির আয়োজন করা হচ্ছে বলে ভোক্তাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ।

সেই প্রেক্ষিতে এ দিনের গণশুনানিতে অংশ নেননি কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম।

তবে তার পক্ষে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক সৈয়দ মিজানুর রহমান শুনানিতে অংশ নিয়ে মূল্যবৃদ্ধির তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, ‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করা হলে বিইআরসি ‘গণশত্রুতে’ পরিণত হবে। অতীতে আইনের দোহাই দিয়ে সবচেয়ে বেশি বেআইনি কাজ করা হয়েছে এবং এতে বিইআরসি সহায়তা করেছে। এখনো কমিশনের সতর্ক হওয়ার সময় আছে। বিইআরসিকে দেশের স্বার্থে কাজ করতে হবে। ৫ আগস্টের পর দেশে অনেক কিছু পরিবর্তন হলেও বিইআরসিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।’

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) পরিচালক মো. জামাল উদ্দিন মিয়া বলেন, বর্তমানে দেশের রপ্তানি খাত নিম্নমুখী অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলে শিল্প খাত আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা হারাবে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে শিল্পকারখানার উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে এবং ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। তাই মূল্যবৃদ্ধির কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। বিপিডিবির মূল্যবৃদ্ধির সুপারিশে জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করা হয়নি। এ জন্য এই গণশুনানি বাতিল করতে হবে।

এ ছাড়াও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়ার তীব্র বিরোধিতা করেন রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবসহ অংশীজনরা।

তারা বলেন, লুটপাটের দায় চাপানো হচ্ছে গ্রাহকের কাঁধে। তাই উল্টো দাম কমাতে শুনানি করার দাবি তুলেন অংশীজনরা।

শুনানিতে অংশীজনরা বলেন, নিত্যপণ্যের বাড়তি ব্যয়ের মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়ার প্রভাব পড়বে বহুমুখী। উৎপাদন খাতেও পিছিয়ে পড়বেন উদ্যোক্তারা।

বৃহস্পতিবার গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদনের ওপর গণশুনানি করবে বিইআরসি।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে সরকারের ‘বড় প্রস্তুতি’
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। প্রথম পর্যায়ে ৫ হাজার ট্যাব ব্যবহার করে দেশের ২০৮টি উপজেলার ২০৮টি ওয়ার্ডে পাইলটিং তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে সরকারের ‘বড় প্রস্তুতি’
বাবা-দাদার নামে কোথায় কতটুক জমি আছে দেখুন মোবাইল দিয়ে
জমিজমা সংক্রান্ত তথ্য জানতে আগে ভূমি অফিস বা রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো। তবে ভূমি সেবা ডিজিটাল হওয়ায় এখন স্মার্টফোন ব্যবহার করেই ঘরে বসে জমির খতিয়ান ও দাগসংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য জানা সম্ভব। প্রয়োজন হলে অনলাইনেই খতিয়ানের কপির জন্য আবেদনও করা যায়।
বাবা-দাদার নামে কোথায় কতটুক জমি আছে দেখুন মোবাইল দিয়ে
মঞ্চ একই, সময় আলাদা: জাতিসংঘে বাংলাদেশের কণ্ঠস্বর
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন ঘিরে এবার আলোচনায় বাংলাদেশের জিয়া পরিবার।
মঞ্চ একই, সময় আলাদা: জাতিসংঘে বাংলাদেশের কণ্ঠস্বর
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবেন আজ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষণ দেবেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবেন আজ
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের মধ্যে আরও ১১টি অত্যাধুনিক বোয়িং উড়োজাহাজ সংগ্রহের লক্ষ্যে একটি সম্পূরক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি উইলিয়াম কিমিট, বোয়িং গ্লোবালের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসন, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফানি পোপ, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. পল কাপুর, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের ইউরেশিয়া, ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বাণিজ্যিক বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগি এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন বলেন, “আজকের এই সম্পূরক চুক্তি বিমানের চলমান বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমাদের বহর পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তার আলোকে এই ক্রয়াদেশ প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বোয়িংয়ের সঙ্গে আমাদের যে কার্যকর ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে, তা উড়োজাহাজ সরবরাহ ও পরবর্তী সহায়তা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আমাদের আস্থা জুগিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশে বসবাসকারী জনগণ, প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগের চাহিদা পূরণে বিমানের নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা উন্নয়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী বছরগুলোতে দেশের আন্তর্জাতিক আকাশ যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার জন্য একটি বিস্তৃত ও সুপরিকল্পিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।” নতুন এই চুক্তি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দীর্ঘমেয়াদি বহর আধুনিকায়ন কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে এটি বিমানের পরিচালন সক্ষমতা, পরিচালনাগত নমনীয়তা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। বিদ্যমান বোয়িং বহরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এই চুক্তি সহায়ক হবে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দেশের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক যোগাযোগের চাহিদা পূরণ এবং দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় বিমান পরিবহন সক্ষমতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি আধুনিক, দক্ষ ও বাণিজ্যিকভাবে টেকসই বহর গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতীয় অগ্রাধিকার, প্রযোজ্য আইন ও বিধিবিধান এবং বৈশ্বিক বিমান পরিবহন খাতের ক্রমবিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ভবিষ্যতেও তার বহর ও নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করবে।
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
আরও পড়ুন
বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশকে ২৪৬০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে এডিবি
বৃহস্পতিবার টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
৬ হাজার ৫৪৪ প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশাল বরাদ্দ
অটোরিকশায় চার্জ দিতে গিয়ে প্রাণ গেল চালকের