ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

কোরবানির পশুর হাট প্রস্তুত, অনলাইন ও খামারেও বাড়ছে কেনাবেচা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ০৮:১১ পিএম
জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। ছবি: সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে কোরবানির পশুর হাট বসাতে ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনগুলো। এ বছর সারাদেশে ৩ হাজার ৬০০টির বেশি অস্থায়ী ও স্থায়ী পশুর হাট বসানো হবে।

এর মধ্যে রাজধানীতে মোট ২৭টি কোরবানির পশুর হাট নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)’র আওতায় থাকছে ১১টি হাট।

অপরদিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)’র এলাকায় ১৬টি হাট বসবে, যার মধ্যে গাবতলির স্থায়ী হাটটিও অন্তর্ভুক্ত।

এদিকে প্রচলিত হাটের পাশাপাশি অনলাইন ও খামারভিত্তিক বিক্রয়েও ক্রেতাদের আগ্রহ আগের তুলনায় আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে বাড়ি থেকে পশু বাছাই করতে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছেন।

বিভিন্ন খামারসূত্রে জানা গেছে, অনেক খামারে কোরবানির বেশকিছু পশুই ইতোমধ্যেই বিক্রির শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

কোরবানির চাহিদার তুলনায় এ বছর দেশব্যাপী গবাদিপশুর মজুত পর্যাপ্ত হওয়ায়, কোনো ধরনের সংকটের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

তিনি বলেন, দেশীয় উৎপাদনের মাধ্যমেই এ বছর কোরবানির পশুর সম্পূর্ণ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো অবৈধ পশু দেশে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশের প্রতি কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী নিশ্চিত করে বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে এবং যত্রতত্র বা রাস্তার ওপর কোনো হাট বসতে দেওয়া হবে না।

মৎস ও প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর দেশজ উৎপাদিত কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। বিপরীতে সম্ভাব্য চাহিদা ধরা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। অর্থাৎ চাহিদার চেয়ে প্রায় ২২ লাখ ২৭ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।

আমিন উর রশিদ বলেন, ‘দেশীয় খামারিগণের উৎপাদন এখন এতটাই সমৃদ্ধ হয়েছে যে আমদানি বা বাইরের উৎসের প্রয়োজন নেই। দেশীয় উৎপাদন দিয়েই কোরবানির সম্পূর্ণ চাহিদা পূরণ করা যাবে।’

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে এ বছর ঢাকায় মোট ২৭টি কোরবানির পশুর হাট বসবে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ১১টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ১৬টি হাটে পশু ক্রয়-বিক্রয় হবে।

দুই সিটি কর্পোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হাটগুলোর ইজারাদার নির্ধারণে ইতোমধ্যেই দরপত্র আহ্বান ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ইজারা প্রক্রিয়াও এখন প্রায় শেষের দিকে।

ডিএসসিসি’র প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান জানান, ডিএসসিসি এলাকায় ১১টি স্থানের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশনের ঘোষিত ১১টি হাটের মধ্যে ৯টিতে সরকারি মূল্যের চেয়ে বেশি দর পাওয়া গেছে, তবে দু’টি হাটের দর সন্তোষজনক না হওয়ায় এই দুইটি হাটের বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনারের সিদ্ধান্ত চাওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। ইতোমধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতাদের হাটের জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ডিএসসিসি’র আওতাধীন অস্থায়ী হাটগুলো বসবে পোস্তগোলা শ্মশানঘাটের পশ্চিমাংশে নদীর পাড়ের খালি জায়গা, উত্তর শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনী সংলগ্ন মৈত্রী সংঘের মাঠ, রহমতগঞ্জ ক্লাবের খালি স্থান, আমুলিয়া মডেল টাউনের খালি জায়গা ও শ্যামপুর কদমতলী ট্রাকস্ট্যান্ড এলাকায়।

এছাড়া আফতাবনগরের বিভিন্ন ব্লক, শিকদার মেডিকেল সংলগ্ন এলাকা, কাজলা ব্রিজ থেকে মাতুয়াইল পর্যন্ত রাস্তার খালি জায়গা, দয়াগঞ্জ থেকে জুরাইন রেলক্রসিং পর্যন্ত রাস্তার স্থান, বনশ্রী হাউজিংয়ের খালি এলাকা, ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের পাশ্ববর্তী জমি ও গোলাপবাগ স্টাফ কোয়ার্টারের উত্তর দিকে অস্থায়ী হাট বসানো হবে।

অন্যদিকে, ডিএনসিসি’র অস্থায়ী হাটগুলো হবে মিরপুর সেকশন-৬ (ইস্টার্ন হাউজিং) এলাকায়, মিরপুর কালশী বালুর মাঠের ১৬ বিঘা খালি জায়গায়, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট-সংলগ্ন এলাকায়, মেরুল বাড্ডা কাঁচাবাজার সংলগ্ন খালি জায়গায় ও পূর্ব হাজীপাড়ায় ইকরা মাদ্রাসার পাশের খালি জায়গায়।

এ ছাড়া মোহাম্মদপুরের বছিলায় ৪০ ফুট রাস্তা-সংলগ্ন খালি জায়গায়, উত্তরা দিয়াবাড়ির ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টরুসংলগ্ন বউবাজার এলাকায়, ভাটুলিয়া সাহেব আলী মাদ্রাসা থেকে ১০ নম্বর সেক্টর রানাভোলা অ্যাভিনিউ-সংলগ্ন উত্তরা রানাভোলা স্লুইসগেট পর্যন্ত এলাকায়, কাঁচকুড়া বাজারুসংলগ্ন রহমান নগর আবাসিক এলাকায়, মস্তুল চেকপোস্ট-সংলগ্ন পশ্চিম পাড়ায়, ভাটারা সুতিভোলা খাল-সংলগ্ন খালি জায়গায়, বনরূপা আবাসিক প্রকল্পের খালি জায়গা, মহাখালি টিএন্ডটি মাঠের জায়গা, বাড্ডা থানাধীন স্বদেশ প্রপার্টিও খালি জায়গা ও বড় বেরাইদ বসুন্ধরা গ্রুপের খালি জায়গায় পশুর হাট বসবে।

আরও পড়ুন

ডিএনসিসি’র ১০টি হাটের ইজারা সম্পন্ন হয়েছে। ইজারা পাওয়া হাটগুলোর মধ্যে রয়েছে— মিরপুর সেকশন-৬ এর ইস্টার্ন হাউজিং সংলগ্ন খালি জায়গা (১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা), মিরপুর কালশী বালুর মাঠ (৩০ লাখ ১১ হাজার টাকা), ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সংলগ্ন খালি জায়গা (৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা), ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব হাজীপাড়ার ইকরা মাদরাসার পাশে (১২ লাখ ৫৩ হাজার টাকা), ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁচপকুড়া বাজার সংলগ্ন রহমান নগর (২৭ লাখ টাকা), খিলক্ষেতের মস্তুল চেকপোস্ট সংলগ্ন খালি জায়গা (৩ কোটি ৭ লাখ টাকা), বনরুপা আবাসিক প্রকল্প এলাকা (১ কোটি ৮০ লাখ ১০ হাজার টাকা), বাড্ডার স্বদেশ প্রপার্টিজ (২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা) এবং বড় বেরাইদে বসুন্ধরা গ্রুপের খালি জায়গা (৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা)।

ডিএনসিসি’র জনসংযোগ কর্মকর্তা জোবায়ের হোসেন জানান, যে ১০টি হাটের সর্বোচ্চ দরদাতা পাওয়া গেছে, তাদের জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি হাটে কাঙ্ক্ষিত দর মিললে সম্পত্তি বিভাগ থেকে ইজারা দেওয়া হবে।

দুই সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদের দিনসহ মোট পাঁচ দিন এসব হাটে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রয়-বিক্রয় চলবে।

কোরবানির পশুর হাটে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করছে দুই সিটি কর্পোরেশন।
সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে এবং প্রতিটি বড় হাটে একাধিক ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম থাকবে যারা প্রতিটি পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার সনদ ছাড়া কোনো পশুকে হাটে তোলা যাবে না। নিরাপত্তার পাশাপাশি যানজট নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ ও পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশনগুলো আলাদা টাস্কফোর্স গঠন করতে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন

প্রত্যেক হাটে আলো, পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অস্থায়ী হাটগুলোতে দ্রুত বর্জ্য অপসারণ ও পরিবেশ দূষণ রোধে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ট্রাফিক বিভাগ বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে যাতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না হয়।

এদিকে কোরবানির পশুর হাটের পাশাপাশি অনলাইনে গরু-ছাগল কেনাবেচা এখন ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। খামার মালিকদের অনেকেই নিজস্ব ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছেন।
অনলাইনে পশু কেনাবেচার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের কোনো অতিরিক্ত ‘হাসিল’ বা খাজনা দিতে হবে না বলে মন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন।

ক্রেতারা অনলাইনে পশুর ছবি, ভিডিও, ওজন, খাদ্যতালিকা ও খামারের অবস্থানকে দেখে সহজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন। এতে সময় বাঁচছে, হাটের ভিড়ও এড়ানো যাচ্ছে। বিশেষত যেসব ক্রেতা নিরাপত্তা বা স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে হাটে যেতে চান না, তাদের জন্য ডিজিটাল হাট একটি বড় সুবিধা হিসেবে কাজ করছে।

রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকার খামারগুলোতে ইতোমধ্যে ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে।

আরও পড়ুন

খিলগাঁও ও আশপাশের এলাকাগুলোতে প্রচুর খামার থাকায় অনেকেই আগেভাগেই খামারে যাচ্ছেন গরু দেখতে, ওজন যাচাই করতে এবং দরদাম ঠিক করতে।

খামারে গিয়ে পশু কেনার সুবিধা হলো— হাটের ভিড় নেই, পশু অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি কম এবং সরাসরি খামার মালিকের কাছ থেকে পশুর যত্ন, খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়।

সূত্র: বাসস

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হিন্দুদের দিকে বাঁকা চোখে তাকালে বিষ দাঁত ভেঙে দেব: হুইপ দুলু
কেউ হিন্দুদের দিকে বাঁকা চোখে তাকালে বা হুমকি–ধামকি দিলে তাদের বিষ দাঁত ভেঙে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় হুইপ ও নাটোর–২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে নাটোর সদর উপজেলার ৮২টি দুর্গা মন্দিরে ও নলডাঙ্গা উপজেলার ৫৯টি দুর্গা মন্দিরে সরকারি অনুদানের ৬০০ কেজি করে চাল প্রদান অনুষ্ঠানে দুলু এ কথা বলেন।   জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, যুগ যুগ ধরে আমরা হিন্দু–মুসলমান একসাথে বসবাস করছি। ঈদে হিন্দুরা আমাদের বাড়িতে আসতো আর পূজাতে আমরা তাদের বাড়িতে যেতাম। নাড়ু–মোয়া খেতাম। কত আনন্দ করতাম। আমাদের মধ্যে একটা সোহার্দ ছিল। হিন্দু–মসুলমানদের মধ্যে কোন বিভেদ ছিল না। কিন্তু গত ১৭/১৮ বছর সেই সুযোগ আর হয়নি।’ এ প্রসঙ্গে নাটোর–২ আসনের সংসদ সদস্য দুলু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে নির্দেশ দিয়ে বলেছেন– ‘হিন্দুরা আমাদের ভোট দিয়েছেন, হিন্দুদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের।  হিন্দুদের আশ্বস্ত করে রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, কেউ যদি কিছু কয়, কেউ যদি উল্টাপাল্টা কিছু বলে আমাকে ফোন করবেন, আমি তাদের তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা করব। নাটোর ও নলডাঙ্গা নির্বাচনী এলাকা। আমি এর আগেও বলেছি, এখনও বলছি যে কদিন আমি বেঁচে আছি, আপনাদের আমি নিজেই পাহারা দেব। এখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন বুক উচু করে চলাফেরা করবেন।  তিনি আরও বলেন, যদি কেউ আপনাদের দিকে বাঁকা চোখে তাকায় বা হুমকি ধামকি দেয় তাহলে রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু তাদের বিষ দাঁত ভেঙে দেবে। কেউ মনে করবেন না হিন্দুরা সংখ্যালঘু, তাদের ওপর কোনো ধরনের অন্যায় করে পার পাওয়া যাবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আজাহার আলী, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, সাইফুল ইসলাম আফতাবসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।  আরটিভি/এসআর
হিন্দুদের দিকে বাঁকা চোখে তাকালে বিষ দাঁত ভেঙে দেব: হুইপ দুলু
২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আগামী ২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
‘সীমান্তে দুর্গাপূজায় ১ হাজার ৮০০ মণ্ডপে নিরাপত্তা দেবে বিজিবি’
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী বলেছেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত প্রায় ১ হাজার ৮০০টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বিজিবি পালন করছে।
‘সীমান্তে দুর্গাপূজায় ১ হাজার ৮০০ মণ্ডপে নিরাপত্তা দেবে বিজিবি’
মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ হবে যে প্রক্রিয়ায়, মিলবে যেসব সুযোগ
১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী সম্পূর্ণ বিনা খরচে নেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে মালয়েশিয়া। এছাড়া, বাংলাদেশের ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে তালিকাভুক্ত করতে সম্মত হয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। 
মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ হবে যে প্রক্রিয়ায়, মিলবে যেসব সুযোগ
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য চলাকালে বাংলাদেশের ওয়াকআউট
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার্স ইন এশিয়ার (সিকা) সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনে এ ঘটনা ঘটে।
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য চলাকালে বাংলাদেশের ওয়াকআউট
আরও পড়ুন
ক্যালিফোর্নিয়ার ছুটির তালিকায় ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা
দেশে এবার পশু কোরবানি হয়েছে প্রায় ৯৪ লাখ
ঈদের ছুটিতে প্রতিদিন দেড় লাখ যাত্রী পরিবহন করেছে মেট্রোরেল
ঈদের ৭ম দিনেও আরটিভিতে বিশেষ আয়োজন