অপশক্তি তাদের স্বার্থে মানুষের মধ্যে বিভেদ ও বিরোধ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালালেও, সবাই মিলেমিশে থাকাই বাংলাদেশের মানুষের আবহমান কালের মূল মূল্যবোধ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২০২৭’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এমন এক রাষ্ট্র এবং সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করছে, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে বসবাস করবে। শুধু মানুষের নিরাপত্তাই নয়, কোনো প্রাণীও যেন মানুষের হিংস্রতার শিকার না হয়, বর্তমান সরকার সেটিও নিশ্চিত করতে চায়।
এদিন ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২০২৭’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ফরম্যাট ও আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকা নিয়ে নিজের স্পষ্ট ও খোলামেলা উপলব্ধি ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে অনেক সরকারি কর্মকর্তা, নজরুল গবেষক ও শিল্পী উপস্থিত ছিলেন।
তবে অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রের একটি বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে লেখা হয়েছে—‘সকল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা এবং নির্বাচিত ৭৪টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থাকবেন’। এর পরিবর্তে আমন্ত্রণপত্রে যদি লেখা থাকত—‘সকল বিভাগীয়, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে নজরুল গবেষক, নজরুল শিল্পী ও নজরুলপ্রেমীগণ ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকবেন’, সেটি বরং বেশি যৌক্তিক এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ হতো বলে আমার বিশ্বাস।
নিজের এ উপলব্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কিংবা ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ অনুষ্ঠানে যদি বলা হয় ‘নজরুল গবেষক বা শিল্পীরা ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থাকবেন’, তা যেমন অসামঞ্জস্যপূর্ণ; ঠিক একইভাবে নজরুল বর্ষ উদযাপনে আমলা বা সরকারি কর্মকর্তাদের এভাবে যুক্ত করার কথাটিও উদ্দেশ্যের সঙ্গে বেমানান।
আরটিভি/এসআর



