রাজধানীর কারওয়ান স্টার হোটেলের সামনে হত্যার শিকার ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বির বিগত সরকারের শেষ সময়ে একটানা ১৮ মাস জেলে খেটেছেন।
আজিজুর রহমান মুছাব্বিরের এক সতীর্থ সহযোদ্ধা ঘটনাস্থলে কান্নাজড়িত কণ্ঠে স্মৃতিচারণ করে বলেন, ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর পল্টন পার্টি অফিসে হামলায় আমাদের এক সহযোদ্ধা গুলিবিদ্ধ হন। পরেরদিন ৮ ডিসেম্বর তার চিকিৎসা করাতে গিয়ে, তাকে রক্ত দিতে গিয়ে উত্তরা মেডিক্যাল কলেজ থেকে আমাকে ও আজিজুর রহমান মুছাব্বির ভাইকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। সেই সময় একটানা ১৮ মাস জেলে খেটে তিনি ফ্যাসিবাদ পতনের পর বের হয়েছেন। আমার এই সহযোদ্ধাকে ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদকের পদটিও হারাতে হয়েছে দীর্ঘ কারাবরণের কারণে।
তিনি আরও বলেন, আমার সহযোদ্ধা ১৮ মাস জেল খাটার পর বের হয়েছেন, এত নির্যাতন-নিপীড়নের পর এখন যদি স্বৈরাচার পতনের পর এই দেশে সন্ত্রাসীদের গুলিতে আজিজুর রহমান মুছাব্বির ভাইয়ের মতো ব্যক্তিদের মৃত্যুবরণ হয়... আমাদের এখন মনে হয়, আমরা সবাই সন্ত্রাসীদের টার্গেটে আছি।
এর আগে, রাত ৮টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর ফার্মগেটে স্টার হোটেলের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় আনোয়ার হোসেন নামের আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
পুলিশ জানায়, বসুন্ধরা মার্কেটের পেছনে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীরা দুজনকে গুলি করে। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বিআরবি হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোসাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরটিভি/কেএইচ





