কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মাদকমুক্ত করার অঙ্গীকার ইশরাকের

আরটিভি নিউজ

শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ , ০৫:৫৬ পিএম


কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মাদকমুক্ত করার অঙ্গীকার ইশরাকের
ফাইল ছবি

ঢাকা-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, নতুন ও তরুণ ভোটারদের প্রধান সমস্যা বেকারত্ব, এ সমস্যা সমাধানে তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়াই তার অগ্রাধিকার।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর সূত্রাপুর থানার ক্যাপিটাল জেনারেল হাসপাতালের সামনে ধানের শীষের গণসংযোগের আগে এক পথসভায় তিনি এই অঙ্গীকার করেন।

ইশরাক বলেন, দীর্ঘদিন অবহেলিত এই এলাকায় বিনিয়োগ না হওয়ায় বেকারত্ব বেড়েছে, শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়নি। আগামী দিনে পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে এ পরিস্থিতি বদলানো হবে।

বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন

এলাকার নাগরিক সমস্যা ও ভোটের জয়ের ফ্যাক্টর নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইশরাক হোসেন বলেন, নতুন ও তরুণ ভোটারদের প্রধান সমস্যা বেকারত্ব। এ সমস্যা সমাধানে বিনিয়োগ বাড়িয়ে স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল করা হবে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, আইটি সেক্টর ও ফ্রিল্যান্সিংয়ে আগ্রহীদের জন্য বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে প্রণোদনা দেয়া হবে। পুরান ঢাকা, বৃহত্তর সূত্রাপুর ও কোতোয়ালি এলাকায় অনলাইনভিত্তিক ছোট ব্যবসা গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করা হবে, যাতে তরুণরা নিজেরা কাজ করার পাশাপাশি অন্যদেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারে।

মাদককে এলাকার আরেকটি বড় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট গড়ে তুলে দক্ষ জনশক্তি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে তরুণরা দেশে-বিদেশে ভালো কর্মসংস্থান পায়।

বিজ্ঞাপন

প্রতিদ্বন্দ্বী একাধিক দল কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য পেশ করে সভা সমাবেশ করছে বলে অভিযোগ করেন ইশরাক হোসেন।

আরও পড়ুন

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নুরুল হক নুরের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে একসঙ্গে জেল খাটা, নির্যাতনের শিকার হওয়া এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা তাদের ঐক্যকে আরও দৃঢ় করেছে। পটুয়াখালী-৩ আসনে জোট প্রার্থী হিসেবে ভিপি নুরুল হক নুরকে ১২ ফেব্রুয়ারি ‘ট্রাক’ মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।

ইশরাক হোসেন তার বক্তব্যে কারাবন্দি অবস্থায় ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর নির্যাতনের বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, আহত অবস্থায় তাকে রিমান্ডে নিয়ে টর্চার করা হয়েছিল এবং কারাগারের পরিত্যক্ত কক্ষে রাখা হয়। সে সময় খাবার সংকটের মধ্যেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা একসঙ্গে খাবার ভাগাভাগি করে দিন কাটান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের নেতা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির দফতর সম্পাদক সাইদুর রহমান মিন্টু, সূত্রাপুর থানা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আজিজুল ইসলাম প্রমুখ।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission