ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

তিস্তা প্রকল্পে ও রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: মির্জা ফখরুল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

তিস্তা প্রকল্প ও রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে জড়িত তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে চীনের সদিচ্ছা ও অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় চীনের অব্যাহত সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বেইজিংয়ে গ্রেট হলে চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান জেং এর সঙ্গে বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একথা বলেন।

পাশাপাশি চীন সফররত বিএনপির প্রতিনিধি দলটি চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং এর সঙ্গেও বৈঠক করেছে। এ বৈঠক হয় আইডিসিপিসি ভবনে।

বিএনপি মিডিয়া সেলের অন্যতম সদস্য শায়রুল কবীর খান এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, সভায় উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মৈত্রী দৃঢ়করণের যে সূচনা হয় এবং পরবর্তীতে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে তা বিকশিত হয়—সভায় এসব বিষয় উঠে আসে।

পাশাপাশি, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীতকরণের বিষয়ে উভয় পক্ষ দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ-চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ব্যাপক কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব এবং দুই দেশের সম্পর্কে গভীর আস্থা ও বহুমাত্রিক সহযোগিতার প্রতিফলন রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া, চীনের সিপিসি এবং বিএনপির মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়ন, দ্বিপাক্ষিক সফর এবং নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক মতবিনিময়ের লক্ষ্যে উভয় পক্ষ একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে কাজ করতে সম্মত হয়েছে।

সভা শেষে বিএনপি মহাসচিব বলেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে সামনে রেখে বর্তমান সরকার বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ও বৈদেশিক নীতি প্রণয়ন করেছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি এক-চীন নীতির প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করেন। এছাড়া, উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময় এবং দুই দেশের রাজনৈতিক দলের মধ্যকার সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মানবিক এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় চীনের অব্যাহত সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ, টেকসই ও স্বেচ্ছা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে চীনের গঠনমূলক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে জড়িত তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে চীনের সদিচ্ছা ও অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি চীনা ভাষা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বৃদ্ধির মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে বোঝাপড়া ও অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা আরও জোরদার হবে।

প্রতিরক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, উন্নত পানি পরিশোধন প্রযুক্তি এবং গ্রামীণ উন্নয়নে চীনের সাফল্য থেকে বাংলাদেশ অভিজ্ঞতা অর্জন করতে আগ্রহী। এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সবুজ শক্তি, বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং ব্যাটারিসহ হালকা ও মাঝারি শিল্পে সহযোগিতার ক্ষেত্রেও চীনের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বাংলাদেশে প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হাসপাতালের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, রোবোটিক সার্জারি ও আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তিতে সহযোগিতা, টিকাদান কর্মসূচি এবং জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে চীনের অব্যাহত সমর্থন প্রত্যাশিত। পাশাপাশি, চীনের সহযোগিতায় বাংলাদেশে কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য প্রশিক্ষণের সুযোগ বৃদ্ধির আশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

গণচীনের উপ-রাষ্ট্রপতি এবং চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী উভয়েই বাংলাদেশকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী ও অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ককে আরও গভীর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন এবং পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে যৌথ অগ্রগতির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উভয় বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক অগ্রগতি, ভবিষ্যৎ সহযোগিতার দিকনির্দেশনা এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ককে আরও উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ ও সংলাপ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে আরও সুসংহত করবে এবং ভবিষ্যতে বহুমাত্রিক সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচন করবে বলে উভয় পক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিএনপি প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা হলেন—বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ; বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য এবং এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী; সাবেক এমপি ও ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু; বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন; বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন; যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন-নবী খান সোহেল; বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নজমুল হক নান্নু; বেবী নাজনীন; সাংস্কৃতিকবিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল; স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

এ ছাড়াও আছেন—সংসদ সদস্য ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সহ-সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল; সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন; সহ-স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক নীলুফার চৌধুরী মনি; সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জুট ওয়ার্কার পার্টির সভাপতি সায়েদ আল নোমান; সংসদ সদস্য ও মাগুরা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মনোয়ার হোসেন; ‘মায়ের ডাক’ সংগঠনের আহ্বায়ক সানজিদা ইসলাম; যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কামাল আনোয়ার আহমেদ; বিএনপি মহাসচিবের এপিএস ইউনুস আলী; ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমান উল্লাহ আমান; প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট, বিএনআরসি (বিএনপি গবেষণা উইং) মীর সোলাইমান।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইসলামী আন্দোলনের নারী ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নারী ইউনিটের ২০২৭-২৮ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলনের নারী ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা
প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযানে ক্ষুব্ধ ইসলামী আন্দোলনের নেতা
রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় রেললাইন সংলগ্ন একটি মাদকের আস্তানায় ফিল্মি স্টাইলে হানা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। আকস্মিক এ অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দও করেছেন তিনি।  শনিবার (১৭ অক্টোবর) গেন্ডারিয়া রেললাইন সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযানের সময় তার হাতে ছিল পিস্তল সদৃশ আগ্নেয়াস্ত্র। আবার এই অভিযানের ভিডিও নিজেই নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করেছেন ইশরাক হোসেন।  প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের এমন অভিযানে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (আইএবি) সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ। এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এ নেতা বলেন, সমাজ, বন্দর, নগর, অলিগলি, পাড়া-মহল্লা থেকে মাদক দূর হোক, এটা কে না চায়? আমরা তো দীর্ঘদিন ধরেই এসব বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছি। কিন্তু, আজকে মাদকবিরোধী অভিযানের নামে পিস্তল হাতে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন যে মহড়া দিয়েছেন, তা আমাদেরকে হতাশ করেছে।  বিবৃতিতে তিনি বলেন, তিনি (ইশরাক) মূলত এই হীন কাজের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদকেই প্রমোট করেছেন। আমরা এসব কর্মকাণ্ডকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। শেখ ফজলুল করীম মারুফ আরও বলেন, সরকার একদিকে মাদকবিরোধী অভিযানের ঘোষণা দেয় আবার অন্যদিকে তাদের নেতাকর্মীদের মাদক থেকে দূরে রাখতে পারছে না। যেখানেই মাদক কারবারি ধরা হয়, তাদের সিংহভাগই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তারা সামান্য মুচলেকা দিয়ে আবার স্বরূপে ফিরে আসে। সরকার এবং প্রশাসন যেন জাতির সামনে নাটক উপস্থাপন করছে। এসব তামাশা ছেড়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে আপনাদের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। আরটিভি/এসএইচএম
প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের মাদকবিরোধী অভিযানে ক্ষুব্ধ ইসলামী আন্দোলনের নেতা
ঈশ্বরদী যাচ্ছেন আমির হামজা, পুলিশের হস্তক্ষেপ চাইছে ছাত্রদল
পাবনার ঈশ্বরদীতে মুফতি আমির হামজার ওয়াজ মাহফিলে রাজনৈতিক ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য এবং ব্যক্তিগত আক্রমণ বন্ধের দাবিতে থানা পুলিশের হস্তক্ষেপ চেয়েছে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
ঈশ্বরদী যাচ্ছেন আমির হামজা, পুলিশের হস্তক্ষেপ চাইছে ছাত্রদল
নিষিদ্ধ আ.লীগকে ফেরাতে অপতৎপরতায় লিপ্ত জামায়াত: আবু হানিফ 
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ফেরাতে অপতৎপরতায় লিপ্ত জামায়াত বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ।
নিষিদ্ধ আ.লীগকে ফেরাতে অপতৎপরতায় লিপ্ত জামায়াত: আবু হানিফ 
কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের ঘটনায় জামায়াতের শোক
কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে নিহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার।
কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহতের ঘটনায় জামায়াতের শোক
আরও পড়ুন
দুর্গাপূজায় শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: গয়েশ্বর
উৎসব সব বিভাজন মিলিয়ে দেয়: রিজভী
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি
বিএনপি বিরোধিতা করতে গিয়ে জাশির কোলে ওঠার খেসারত দিতেই হবে: মাহফুজ আলম