ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

কাঠমান্ডুতে উৎসবমুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

কাঠমান্ডুস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস বিপুল উৎসাহ ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দূতাবাস প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এই অঞ্চলের দেশ সমূহ ও অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রদূত ও মিশনপ্রধানগণ, নেপাল সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাবৃন্দ, কাঠমান্ডুতে অবস্থানরত বিভিন্ন মিশনের কূটনীতিকগণ, বিশিষ্ট নেপালি ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, নেপালে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটি ও তাদের পরিবারবর্গ এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।

00121

সার্কের মহাসচিব অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, সৌদি আরব, মিশরসহ অন্যান্য বিভিন্ন দেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিগণ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে পহেলা বৈশাখ উদযাপনটি জাতীয় ও আঞ্চলিক মাত্রা লাভ করে।

স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত পহেলা বৈশাখের উৎপত্তি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন যে, এ উৎসবটি বাংলাদেশের সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে, যা বাঙালি জাতিসত্তার স্বতন্ত্র ইতিহাস, সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে।

আরও পড়ুন

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ‘হালখাতা’ ও নবসূচনার আহ্বান নিয়ে এই দিনটি বাঙ্গালির সামাজিক জীবনে ফিরে আসে। তিনি বলেন, এই উৎসব ধর্মীয়, সামাজিক ও ভৌগোলিক সীমারেখা অতিক্রম করে আমাদের প্রাচীন বাঙালি সংস্কৃতি, রীতি ও ঐতিহ্যের প্রাণবন্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।

দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিস্তৃত অঞ্চলে প্রায় একই সময়ে এই উৎসব উদযাপনের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই উৎসব রাষ্ট্রসীমা অতিক্রম করে বিভিন্ন জনগোষ্ঠী ও জাতিসমূহের মধ্যে সাংস্কৃতিক বন্ধন, সম্প্রীতি, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্বকে জোরদার করে।

এ প্রেক্ষিতে তিনি ৬ষ্ঠ থেকে ১২শ শতাব্দীতে দক্ষিণ এশিয়ায় বৌদ্ধ ভিক্ষুদের রচিত আধ্যাত্মিক পদাবলি ‘চর্যাপদ’-এর কথা স্মরণ করেন, যা এক হাজার বছরের পুরোনো আঞ্চলিক বাংলা ভাষার প্রাচীনতম লিখিত নিদর্শন হিসেবে চিহ্নিত এবং মানবজাতির অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ।

বাংলাদেশ ও নেপালের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি থেকে উদ্ভূত সভ্যতাগত সংযোগের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, এই সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও পর্যটন সহযোগিতার জন্য একটি শক্ত ভিত্তি প্রদান করেছে।

গেস্ট অব অনার হিসেবে প্রদত্ত বক্তব্যে, সার্কের মহাসচিব বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও কৃষ্টির প্রশংসা করেন এবং দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে আঞ্চলিক সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি এই উৎসবকে বৈচিত্র্যের মাঝে সম্প্রীতি ও স্বাতন্ত্র্যের উদযাপন হিসেবে অভিহিত করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় নববর্ষ ও পহেলা বৈশাখের গান পরিবেশনার মাধ্যমে দূতাবাস প্রাঙ্গণে নববর্ষের আমেজ সৃষ্টি হয়। এসময় বাংলা গানের পাশাপাশি নেপালি গানও পরিবেশন করা হয় যা বাংলাদেশ ও নেপালের গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধনকে প্রতিফলিত করে। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট নেপালি শিল্পী সাবু লামা ও স্থানীয় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কন্ঠে অতিথিগণ বাংলা গান উপভোগ করেন।

এ ছাড়াও বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যগণ অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন। শিশুদের অংশগ্রহণে নানা ধরনের খেলা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে উৎসবের আনন্দ আরও বৃদ্ধি পায়।

00119

দূতাবাস প্রাঙ্গণ বর্ণিল ফেস্টুন ও ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি সামগ্রী দিয়ে সজ্জিত করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী নকশী কাঁথা, জামদানী ও অন্যান্য শাড়ি প্রদর্শন করা হয়। অতিথিদের পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পান্তা-ইলিশ (ভেজানো ভাত ও ইলিশ মাছ), বিভিন্ন প্রকার পিঠা এবং মিষ্টান্নসহ ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ ও নেপালের ঐতিহ্যবাহী সৌর পঞ্জিকা এবং নববর্ষ উদযাপনের মধ্যে বিদ্যমান অভিন্ন সাংস্কৃতিক বন্ধনকে তুলে ধরে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ এবং নেপালে নয়া বর্ষ—উভয়ই এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে পালিত হয়। এটি ছিল অত্র অঞ্চলের অভিন্ন সভ্যতাগত ঐতিহ্য ও ঋতুচক্রের এক যৌথ উদযাপন, যা দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে। পরিশেষে অনুষ্ঠানটি ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবারের পরিবেশনায় নৈশভোজের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সরকারের জরুরি বার্তা
সোমবার (২ নভেম্বর) নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সৌদি প্রবাসীদের জন্য বিস্তারিত দিকনির্দেশনা সংবলিত জরুরি বার্তা প্রকাশ করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সরকারের জরুরি বার্তা
আমিরাতের সড়কে প্রাণ হারালেন ২ বাংলাদেশি
বর্তমানে দুজনের মরদেহ স্থানীয় হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। পুলিশি আনুষ্ঠানিকতা ও দূতাবাসের প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি দেশে পাঠানো হবে। 
আমিরাতের সড়কে প্রাণ হারালেন ২ বাংলাদেশি
বাংলাদেশি গবেষক ইরফানের মৃত্যু নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
গত ৩১ অক্টোবর দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রকাশিত এই প্রতিবেদনের শিরোনাম, ‘দ্য সাডেন ডেথ অব অ্যান এনভিডিয়া এআই প্রডিজি লিভস বিহাইন্ড বিটার অ্যাকিউজেশনস’। প্রতিবেদনটি লিখেছেন সাংবাদিক জুশা এলিনসন।
বাংলাদেশি গবেষক ইরফানের মৃত্যু নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর তথ্য 
মিশিগানে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’ 
যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে বাংলা কবিতা, গান ও নৃত্যের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’। রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৩টা থেকে ৬ টা পর্যন্ত ফার্মিংটন হিলসের দ্য হক ফার্মিংটন হিলস কমিউনিটি সেন্টারে এ অনুষ্ঠান হবার কথা রয়েছে। ‘মনের গহীনে বাংলা’ নামের এই আয়োজনের মূল উপজীব্য দেশ, মা, মাটি, প্রেম, মাতৃভাষা এবং বাঙালির শিকড়ের প্রতি ভালোবাসা। প্রবাসে বসবাস করেও বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে হৃদয়ে ধারণ করার যে নিরন্তর প্রয়াস, কবিতা ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে সেটিই দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হবে। অনুষ্ঠানের শিরোনামের মধ্যেও রয়েছে বাংলার প্রতি গভীর আবেগ ও আত্মিক টানের প্রকাশ। অনুষ্ঠান সম্পর্কে সাইফুল আজম সিদ্দিকী বলেন, এখানে কবিতায় দেশের কথা বলব, প্রেমের কথা বলব, বাংলার কথা বলব।  তিনি জানান, দেশ, মা ও মাটির কথা মাথায় রেখেই অনুষ্ঠানের কবিতাগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন সময়ের শক্তিমান কবিদের রচনার পাশাপাশি সমকালীন ও প্রবাসী কবিদের কবিতাও আয়োজনে স্থান পাবে। অনুষ্ঠানে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার পাশাপাশি নির্মলেন্দু গুণ, হেলাল হাফিজ, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, সৈয়দ শামসুল হক এবং মহাদেব সাহার নির্বাচিত কবিতা আবৃত্তি করা হবে। বাংলা কবিতার বিভিন্ন সময়, ধারা ও অনুভূতিকে এক মঞ্চে তুলে ধরার চেষ্টা থাকবে পুরো আয়োজনে। এটি সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান হলেও মিশিগানের কয়েকজন কবি ও জনপ্রিয় আবৃত্তিকার অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন। তাঁরা নিজেদের নির্বাচিত কবিতা পাঠ ও আবৃত্তির মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলবেন। ফলে একক আবৃত্তির পাশাপাশি এটি প্রবাসী বাঙালি কবি, আবৃত্তিশিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের একটি মিলনমেলায় পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কেবল আবৃত্তির মধ্যে অনুষ্ঠানটি সীমাবদ্ধ থাকবে না। কবিতার সঙ্গে গান ও নৃত্যের সমন্বয়ে বিশেষ পরিবেশনার আয়োজন রাখা হয়েছে। রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত এবং আবদুল করিমের গানসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় গানের অংশবিশেষ পরিবেশিত হবে। কোনো কোনো পরিবেশনায় কবিতা ও গান মিলিয়ে তৈরি হবে বিশেষ ফিউশন। এ ছাড়া প্রবাসে বেড়ে ওঠা কয়েকজন তরুণ-তরুণী বাংলা কবিতার সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করবেন। কবিতা, কণ্ঠ, সুর ও নৃত্যের এই সমন্বয় অনুষ্ঠানটিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আয়োজকেরা মনে করছেন। দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে প্রবাসে বসবাস করছেন সাইফুল আজম সিদ্দিকী। তিনি একাধারে সাংবাদিক, কলামিস্ট, আবৃত্তিকার এবং প্রবাসী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক। ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর বর্তমানে বহুজাতিক গাড়ি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্টেলান্টিসে প্রকৌশল ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। অনুষ্ঠানটি যথাসময়ে শুরু করার জন্য শিল্পী ও অংশগ্রহণকারীদের বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘মনের গহীনে বাংলা’ মিশিগানের প্রবাসী বাঙালিদের কাছে কবিতা, গান ও নৃত্যের একটি স্মরণীয় বিকেল হয়ে থাকবে। অনুষ্ঠানস্থলের ঠিকানা: The Hawk–Farmington Hills Community Center, 29995 W. 12 Mile Road, Farmington Hills, MI 48334। আরটিভি/টিআর
মিশিগানে আবৃত্তিকার সাইফুল আজম সিদ্দিকীর একক আবৃত্তি অনুষ্ঠান ‘মনের গহীনে বাংলা’ 
আমিরাতের দুই বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির সাফল্য
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে সাফল্য দেখিয়েছে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ২০২৬ সালের পরীক্ষায় রাস আল খাইমাহর বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৮৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। অন্যদিকে, আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার শতভাগ। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, রাস আল খাইমাহর বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার ১৮ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৬ জন। অকৃতকার্য হয়েছে দুজন। প্রতিষ্ঠানটির ছয়জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। বিভাগভিত্তিক ফলাফলে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে তিনজন এবং বিজ্ঞান বিভাগ থেকে তিনজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে। অন্যদিকে, আবুধাবির শেখ খলিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১০০ শতাংশ। গ্রেডভিত্তিক ফলাফলে প্রতিষ্ঠানটির ১১ জন শিক্ষার্থী ‘এ’, তিনজন ‘এ-’ এবং একজন ‘বি’ গ্রেড অর্জন করেছে। দুই প্রতিষ্ঠানের মোট ৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩১ জন। সম্মিলিত পাসের হার ৯৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ। দুই প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ছয়জন শিক্ষার্থী। সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলা মাধ্যমের শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালনা করছে এসব প্রতিষ্ঠান। দেশ থেকে দূরে থেকেও বাংলাদেশের শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের এই ফলাফল প্রবাসে বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষাকার্যক্রমের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেছে। আরটিভি/টিআর
আমিরাতের দুই বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এইচএসসির সাফল্য
আরও পড়ুন
সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকতে বলেছে দূতাবাস
ফ্রি ভিসা নিয়ে সতর্ক করল জর্ডানের বাংলাদেশ দূতাবাস
ভূমধ্যসাগর থেকে আবারও ১৬০ বাংলাদেশিকে উদ্ধার করল মিশর 
কাঠমান্ডুস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত