ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

পদার্থবিজ্ঞানের আসল জনক কে ও বিজ্ঞানের সূচনা

আরর্টিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
পদার্থবিজ্ঞানের আসল জনক কে ও বিজ্ঞানের সূচনা । ছবি: সংগৃহীত

পদার্থবিজ্ঞানকে বলা হয় প্রকৃতিকে বোঝার বিজ্ঞান। ক্ষুদ্র পরমাণু থেকে বিশাল মহাবিশ্ব—সবকিছুই এই বিজ্ঞানের আলোচনার বিষয়। কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা কীভাবে হলো এবং এর জনক কে—এ প্রশ্নের উত্তর এতটা সহজ নয়।

অনেকে পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবে গ্যালিলিও গ্যালিলি, আইজ্যাক নিউটন বা আলবার্ট আইনস্টাইনের নাম জানেন। তবে ইতিহাস বলছে, এককভাবে কাউকেই পুরো পদার্থবিজ্ঞানের জনক বলা যায় না।

বিজ্ঞানের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রাচীন বিজ্ঞানীদের একজন ছিলেন অ্যারিস্টটল। তিনি প্রকৃতি নিয়ে নানা গবেষণা করেছিলেন। তবে সে সময় বিজ্ঞানকে বলা হতো প্রাকৃতিক দর্শন।

Aristotle
অ্যারিস্টটল

পরবর্তীতে ইতালির বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলি প্রথম পরীক্ষার মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রচলন করেন। পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি নিজে পরীক্ষা করে ফলাফল যাচাই করতেন। এ কারণেই তাঁকে পরীক্ষামূলক পদার্থবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

আরও পড়ুন
Galileo
গ্যালিলিও গ্যালিলি

এরপর পদার্থবিজ্ঞানে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন আইজ্যাক নিউটন। গতির সূত্র, মহাকর্ষ এবং আলোকবিজ্ঞানে তাঁর গবেষণা আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি তৈরি করে। তাই অনেক ইতিহাসবিদ তাঁকেই পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবে উল্লেখ করেন।

images
আইজ্যাক নিউটন

অন্যদিকে আলবার্ট আইনস্টাইন মহাকর্ষ, স্থান-কাল, ভর ও শক্তির সম্পর্ক নিয়ে নতুন ধারণা দিয়ে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটান। তাই তাঁকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

Albert_Einstein
আলবার্ট আইনস্টাইন

এদিকে ইউরোপের অন্ধকার যুগে আরব বিজ্ঞানীরাও বিজ্ঞানের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বিশেষ করে আল হাসান ইবনে আল হাইসাম (আলহাজেন) আলোকবিজ্ঞানে অসাধারণ অবদান রাখেন। এজন্য তাঁকে আলোক পদার্থবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

Web-Image.
আল হাসান ইবনে আল হাইসাম (আলহাজেন)

বিশেষজ্ঞদের মতে, পদার্থবিজ্ঞান কোনো একজন মানুষের হাতে গড়ে ওঠেনি। শত শত বছর ধরে বিভিন্ন দেশের অসংখ্য বিজ্ঞানীর গবেষণা ও আবিষ্কারের ফলেই আজকের আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান গড়ে উঠেছে। তাই গ্যালিলিও, নিউটন ও আইনস্টাইন—প্রত্যেকেই এই বিজ্ঞানের বিকাশে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছেন।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মেয়ে সন্তান হলেই কি আয়ু বাড়ে বাবার? গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
সন্তান জন্মের পর বদলে যায় জীবনের অনেক হিসাব। বাড়ে দায়িত্ব, তৈরি হয় নতুন স্বপ্ন। তবে ছেলে না মেয়ে— সন্তানের লিঙ্গের সঙ্গে বাবার আয়ুর কোনো সম্পর্ক আছে কি? বিশেষ করে, কন্যাসন্তান হলে বাবার আয়ু বাড়ে— এমন ধারণার পেছনে কতটা বৈজ্ঞানিক সত্য রয়েছে?
মেয়ে সন্তান হলেই কি আয়ু বাড়ে বাবার? গবেষণায় মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
প্রথমবার ৩ লাখ বছর আগের মানুষের মুখচ্ছবি উন্মোচন
প্রায় ৩ লাখ ১৫ হাজার বছর আগের এক আদি মানুষের মুখচ্ছবি পুনর্গঠন করেছেন গবেষকরা। তাদের মতে, আধুনিক পোশাক পরিয়ে ওই মানুষকে আজকের মানুষের ভিড়ে দাঁড় করালে প্রথম দেখায় আলাদা করে চেনা কঠিন হতো।
প্রথমবার ৩ লাখ বছর আগের মানুষের মুখচ্ছবি উন্মোচন
প্রথমবার সৌরজগতের বাইরের গ্রহ থেকে সরাসরি রেডিও সংকেত শনাক্ত
পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্বের এখনো কোনো প্রমাণ মেলেনি। তবে মহাবিশ্বে আমরা একা কিনা, তা জানতে বিজ্ঞানীদের অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। এবার সেই অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ এক সাফল্য পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। প্রথমবারের মতো সৌরজগতের বাইরের একটি গ্রহ থেকে সরাসরি আসা রেডিও সংকেত শনাক্ত করেছেন তারা।
প্রথমবার সৌরজগতের বাইরের গ্রহ থেকে সরাসরি রেডিও সংকেত শনাক্ত
ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব
প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়মিত নতুন রেকর্ড গড়ছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি রেকর্ড করা হয়েছে।  আবহাওয়াবিদদের মতে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি বছরকে ইতিহাসের অন্যতম উষ্ণতম বছর হিসেবে রেকর্ড করা হতে পারে। শুধু তা–ই নয়, আসন্ন সুপার এল নিনো পরিস্থিতির কারণে আগামী বছরগুলোয় এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তারা। একিউওয়েদারের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, আসন্ন সুপার এল নিনোর কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।  কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের আগস্টকে ইতিহাসের উষ্ণতম আগস্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সাধারণত জুলাই বছরের উষ্ণতম মাস হলেও এ বছর আগস্ট জুলাইকে ছাড়িয়ে গেছে।  একিউওয়েদারের আবহাওয়াবিদ টাইলার রয়স জানান, বায়ুমণ্ডল ও মহাসাগরের সর্বত্র এই তাপমাত্রার ব্যাপক বিস্তার লক্ষ করা যাচ্ছে। এল নিনো দ্রুত শক্তিশালী হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া ও বৃষ্টির ধরন সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে। এল নিনো হলো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু চক্র, যা প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর ঠান্ডা ও উষ্ণ দশার মধ্যে পরিবর্তিত হয়। এই উষ্ণ দশার সময় বিষুবীয় প্রশান্ত মহাসাগরের ভূপৃষ্ঠের উষ্ণতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। মহাসাগরের এই বর্ধিত তাপশক্তি ধীরে ধীরে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে এবং চরম আবহাওয়ার সৃষ্টি করে।  যুক্তরাষ্ট্রের মেট অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভবিষ্যতে প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণতা ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি এবং প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের ঝুঁকিও বহুগুণ বেড়ে গেছে।  বিজ্ঞানীদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এই জলবায়ুসংকট মানবসভ্যতার জন্য বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনবে। সূত্র: ডেইলি মেইল আরটিভি/এসএস
ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে বিশ্ব
নাসার নতুন গ্যালারিতে মহাকাশের ১৬ ‘গ্যালাকটিক রত্ন’
মহাকাশের বৈচিত্র্যময় সৌন্দর্য তুলে ধরে নতুন একটি গ্যালারি প্রকাশ করেছে নাসার চন্দ্র এক্স-রে অবজারভেটরি। এতে বিভিন্ন টেলিস্কোপের তথ্য মিলিয়ে তৈরি ১৬টি গ্যালাক্সির ছবি রয়েছে।
নাসার নতুন গ্যালারিতে মহাকাশের ১৬ ‘গ্যালাকটিক রত্ন’
আরও পড়ুন
পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন
এক্সপ্রেসওয়েতে যাত্রী হত্যার ঘটনায় বাসচালকসহ গ্রেপ্তার ৩
এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্নে ত্রুটি, চার শিক্ষককে শোকজ
পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে