ক্রিকেট মাঠে হাতি ঠেকাও

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

সোমবার, ০৩ জুলাই ২০১৭ , ০৯:৩৩ পিএম


ক্রিকেট মাঠে হাতি ঠেকাও

পাশেই ঘন জঙ্গল। সেখানে বুনো হাতির বাস। হাতির অভয়ারণ্যের পাশ দিয়েই হাম্বানটোটা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে যেতে হয় দর্শকদের। এতে মাঝে মধ্যেই বিপত্তির মুখে পড়তে হয় তাদের। শুধু তাই নয়, কখনো কখনো স্টেডিয়ামেও ঢুকে পড়ে হাতির দল। তছনছ করে ফেলে বেষ্টনী। খেলার অনুপযোগী করে তোলে পিচ। এবার হাতির উপদ্রব ঠেকাতে অভিনব কৌশল অবলম্বন করছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি)।

বিজ্ঞাপন

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চলমান ওয়ানডে সিরিজের বাকি তিন ম্যাচ হবে হাম্বানটোটায়। ম্যাচগুলো হবে ৬, ৮ ও ১০ জুলাই। ওই সব ম্যাচে অনাকাঙ্ক্ষিত ‘দর্শকের’ (হাতি) হাত থেকে বাঁচতে ১০ জন বনরক্ষক নিয়োগ দিচ্ছে এসএলসি!

শ্রীলঙ্কায় আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোর বেশিরভাগ-ই হয় কলম্বো ও ডাম্বুলায়। হাম্বানটোটায় সেরকম হয় না বললেই চলে। এখানে সবশেষ ওয়ানডে ম্যাচ হয় দু’বছর আগে। তবে ম্যাচ থাকলে জঙ্গলের হাতি বাধা অতিক্রম করে মাঠে আসতে হয় দর্শকদের। এমনকি ম্যাচ চলাকালেও স্টেডিয়ামের আশপাশে ঘুর ঘুর করে বুনো হাতিরা। এতে আতঙ্কে থাকেন দর্শকরা।

বিজ্ঞাপন

দর্শকদের সেই প্রতিকূলতা দূর করতেই এ পদক্ষেপ নিচ্ছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট। বোর্ডের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, রাতের আঁধারে মাঠে হাতি ঢোকার ঘটনা ঘটেছে বেশ কয়েকবার। বেষ্টনী ভাঙা ও পিচ নষ্ট করারও প্রমাণ মিলেছে। স্টেডিয়াম থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরে জঙ্গল। আমরা ১০ বনরক্ষক নিয়োগ দিচ্ছি, যাতে হাতির দল মাঠের আশপাশে ভিড়তে না পারে। দর্শকরাও যেনো নিশ্চিন্তে খেলা উপভোগ করতে পারেন।

হাম্বানটোটা স্টেডিয়াম অবশ্য বেশি দিনের নয়। ২০০৯ সালে এটি নির্মাণ করেন তখনকার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে। এখানেই তার জন্ম। এ স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণক্ষমতা ৩৫ হাজার। পরিচালনায় খরচ বেশি ও দূরবর্তী স্থানে অবস্থান হওয়ায় এখানে খেলা খুব একটা বেশি হয় না।

বিজ্ঞাপন

পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ১-১ সমতায় রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে।

ডিএইচ

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission