ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সফল বিশ্বকাপ আয়োজনে বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছে বিশ্ব

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ০১:০০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

প্রথম নারী কাবাডি বিশ্বকাপ হয়েছিল ২০১২ সালে ভারতের পাটনায়। এরপর প্রায় একযুগ পর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় আসর। দশ দিনব্যাপী এই আসর আয়োজনে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন (বিকেএফ)। যার ফলে অংশগ্রহণ করা দলগুলোর প্রশংসায় ভাসছে বাংলাদেশ।

ঢাকায় বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে ইরানের খেলোয়াড় আসমা ফাখরি বলেন, সবকিছুই অসাধারণ ছিল। বাংলাদেশ খুব ভালোভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে। আমরা অবাক হয়েছি এমন ব্যবস্থাপনা দেখে। এখানকার মানুষ খুব ভালো ও আন্তরিক। আমরা এখানে সবাই মিলে সময়টা খুব উপভোগ করেছি।

‘আশা করি ভবিষ্যতে সব দেশ বাংলাদেশকে অনুসরণ করে এমন আয়োজন করবে। আয়োজকদের ধন্যবাদ। আমাদের জন্য এটি খুব সুন্দর অভিজ্ঞতা।’

ভারতের অভিজ্ঞ কোচ তেজস্বিনী বাইয়ের কণ্ঠেও ঝরেছে বাংলাদেশের প্রশংসা। তার ভাষ্য, চমৎকার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ। এখানে আসার পর আলাদা কিছু মনে হচ্ছে না। সবাই জানে, আমাদের দেশে নিয়মিতই কাবাডির বড় বড় আসর আয়োজিত হয়।

আরও পড়ুন

তিনি বলেন, এখানে এসে আমার মনে হয়েছে আয়োজন ছিল শীর্ষমানের। এখানকার জল-হাওয়া, আবাসন, খাবার ভীষণ উপভোগ্য। আমি মনে করি বাংলাদেশ প্রমাণ দিয়েছে, তারাও বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের সামর্থ্য রাখে।’

768c1c60-279b-4d35-ac29-a73a624dc08a

আসরের ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ছিল চাইনিজ তাইপে। গত আসরের মতো এবারও শিরোপা গেছে ভারতের ঘরে। তবে আগের আসরে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া চাইনিজ তাইপের ফাইনালে আসাটা ছিল বড় চমক। চাইনিজ তাইপের কোচ ডেভিড সাই—তাইপের প্রথম জাতীয় দলের খেলোয়াড়।

২০০৯ সালে কাবাডিতে হাতেখড়ির পর ডেভিড ভারতের প্রো-কাবাডি লিগে টানা দুই মৌসুম খেলেছেন। দীর্ঘ সময়ে ভারতে থেকে কাবাডি সম্পর্কে সম্যক ধারণা পেয়েছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজ দেশে তাইপেকে পরাশক্তিতে রূপ দিতে বড় ভূমিকা রাখছেন তিনি।

বাংলাদেশের আয়োজন নিয়ে ডেভিড বলেন, ব্যবস্থাপনা সত্যিই চমৎকার। একদম বিশ্বমানের আয়োজন। তাইপেতে কাবাডি জনপ্রিয় নয়, সেখানে কোনো সমর্থনও নেই। বাংলাদেশ অসাধারণ কাজ করেছে। আমি বিশ্বাস করি এর ফলে অন্য দেশও এমন আয়োজন করতে উৎসাহ পাবে।

চাইনিজ তাইপের আই মিন লিন টুর্নামেন্টের সেরা রেইডারের খেতাব জিতেছেন। তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, বাংলাদেশের আতিথেয়তায় আমি অবাক হয়েছি, কারণ সংবাদে যা শুনেছিলাম তা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এখানে অনেক মানুষ, এবং সবাই বাংলাদেশকে উৎসাহ দিচ্ছে। এটা দেখে মনে হয়েছে—আমাদের দেশের মানুষও যদি আমাদের এভাবেই সমর্থন দেয়, আমরাও বহুদূর এগিয়ে যাব।

আরও পড়ুন


প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে এসে কেনিয়ার অধিনায়ক মার্সি আকিনিয়ি ওবিয়েরো বলেন, এখানকার অভিজ্ঞতা খুবই ভালো। আবহাওয়া কেনিয়ার মতোই। মনে হচ্ছে যেন নিজের দেশে আছি। এটি আমাদের প্রথম বিশ্বকাপ, সবচেয়ে বড় মঞ্চ। আমাদের লক্ষ্য ছিল এখানে আনন্দ করা এবং প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করা।

জার্মানিও প্রথমবার অংশ নেয় বিশ্বকাপে। তাদের অধিনায়ক এমা অ্যাটলে বলেন, অসাধারণ লাগছে। প্রথমে কোর্টে ঢোকার সময় আমরা নার্ভাস ছিলাম, কিন্তু এখন খুব উপভোগ করছি। এখানে থাকতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। আমাদের জন্য এটি আলাদা অভিজ্ঞতা। আমরা এখানে এসে অনেক কিছু শিখেছি। কাবাডিতে আমরা নতুন। বাংলাদেশ থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতাগুলো কাজে লাগবে।

সবচেয়ে জোরালো প্রশংসা এসেছে একেএফ (এশিয়ান কাবাডি ফেডারেশন)-এর মহাসচিব মোহাম্মদ সারওয়ার রানার কাছ থেকে। তিনি বলেন, ব্যবস্থাপনা একেবারে বিশ্বকাপের মানের—বরং তার চেয়েও বেশি। বাংলাদেশ প্রমাণ করেছে যে ভবিষ্যতে তারা বড় বড় কাবাডি আসর আয়োজন করতে সক্ষম। আমি বিকেএফকে অভিনন্দন জানাই। অসাধারণ কাজ করেছে।

তিনি বলেন, আমি ভাবিনি বাংলাদেশ এমন আয়োজন করতে পারবে, তবে তারা প্রমাণ করেছে। সংগঠন এবং দল—দুই দিক থেকেই তারা সফল হয়েছে। এই আয়োজনই বুঝিয়ে দেয় বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন এখন নিরাপদ হাতে আছে। আগে ভাবতাম আয়োজনটা খুব সাধারণ মানের হবে, তবে এখন সবকিছু আধুনিক নিয়মে হচ্ছে। আগের চেয়ে অনেক ভালো, অন্য বিশ্বকাপের চেয়েও ভালো। সত্যিই অসাধারণ। আমি বাংলাদেশের ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কেও ধন্যবাদ জানাই এমন একটি আয়োজক দল গঠনের জন্য।

কাবাডি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হলেও গুরুত্বের দিক থেকে ফুটবল-ক্রিকেটের সমান মনোযোগ পায় না। তবে এবার বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন প্রতি ম্যাচেই প্রচুর দর্শক আনতে সক্ষম হয়েছে। নিরাপত্তার কড়াকড়ির মাঝেও তারা বিনামূল্যে দর্শকদের গ্যালারিতে জায়গা করে দিয়েছে।

ইডেন কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রায়ই স্টেডিয়ামে ম্যাচ দেখতে এসেছে। তাদেরই একজন তিষা বোস বলেন, আমরা এত বড় আয়োজন আশা করিনি। কাবাডি আমাদের জাতীয় খেলা হলেও জনপ্রিয়তা কম। তবুও আমরা এই বিশ্বকাপের কথা জানতে পেরেছি। আমরা চাই সরকার ও ক্রীড়া সংস্থা জাতীয় খেলাটির দিকে আরও নজর দিক।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চট্টগ্রাম থেকে বিপিএল সরানোর কারণ জানাল বিসিবি
চলমান বিপিএলের ১২তম আসরের কোনো ম্যাচ চট্টগ্রামে হবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সিলেটের পর ঢাকা পর্ব দিয়ে পর্দা নামবে টুর্নামেন্টের। চট্টগ্রাম পর্ব বাদ দেওয়ার কারণ জানিয়েছেন বিপিএল গর্ভনিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু। তার মতে, বাংলাদেশ দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ও দলগুলোর ভ্রমণ, লজিস্টিক্যাল বিভিন্ন সমস্যা, সম্প্রচার-সরঞ্জাম ব্যবস্থাপনার সুবিধার কথা মাথায় রেখে চট্টগ্রামকে বাদ দিয়েছেন তারা। মিঠু বলেন, আমাদের প্রথম সমস্যা হচ্ছে ২৩ তারিখেই ফাইনাল করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ দল বিশ্বকাপে যাবে ২৬ জানুয়ারির দিকে। এ ছাড়া আমাদের প্রোডাকশন, এমনকি আপনাদেরও একটা পরিকল্পনা আছে।  আরও পড়ুন সাকিবের দেশে ফিরতে না পারা নিয়ে যা বলছে বিসিবি ‘সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী দল, গভর্নিং কাউন্সিল, টেকনিক্যাল কমিটি সবার সাথে আলাপ করে আমাদের যে দুইদিন গ্যাপ হয়েছে সেটা আমার অ্যাডজাস্ট করার জন্য দুইটি ভেন্যুতে খেলা নিয়ে আসা হচ্ছে। এ ছাড়া আমরা অনেক চেষ্টা করেছি, এটা ছাড়া অ্যাডজাস্ট করা যাচ্ছে না।’ নতুন সূচি নিয়ে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব বলেন, আমরা এখানে ভ্রমণের দুদিন বাঁচাব। অ্যাডজাস্ট করার জন্য চট্টগ্রামের খেলাগুলো আমরা ঢাকায় ও এখানে (সিলেট) নিয়ে এসেছি। সিলেটে ১২ তারিখ পর্যন্ত খেলা হবে। ১৩ তারিখ দলগুলো ঢাকায় চলে যাবে। বাকি অন্য কিছু পরিবর্তন না করে কিছু খেলা সকাল-বিকেল করতে হয়েছে। তিনটা ভেন্যু থেকে আমরা দুটো ভেন্যু করেছি। চট্টগ্রাম সমর্থকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব। তিনি বলেন, আমরা চট্টগ্রামের দর্শকদের কাছে দুঃখিত। চট্টগ্রামের সমর্থক, ম্যানেজমেন্ট সবাই সবকিছু প্রস্তুত করে ফেলেছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের চট্টগ্রাম ভেন্যু বাতিল করতে হয়েছে। আরটিভি/এসআর
চট্টগ্রাম থেকে বিপিএল সরানোর কারণ জানাল বিসিবি
ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে স্টার্ক, রুটের পরেই ব্রুক
অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ হারলেও মেলবোর্নে দুর্দান্তভাবে কামব্যাক করেছে ইংল্যান্ড। আর এই ম্যাচে ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়ে টেস্ট ব্যাটারদের তালিকায় তিন ধাপ এগিয়ে ইংলিশ ব্যাটার হ্যারি ব্রুক। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত সাপ্তাহিক হালনাগাদে দেখা যায়, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের পারফরম্যান্সে ব্রুকের রেটিং পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪৬। এই সংস্করণে তার সামনে শুধু ইংল্যান্ডেরই জো রুট, যিনি ৮৬৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন। ব্যাটারদের তালিকায় এক ধাপ করে নেমে তিন ও চার নম্বরে আছেন যথাক্রমে নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসন ও অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেড। দুই ধাপ অবনতি হয়েছে স্টিভ স্মিথের, অবস্থান এখন পাঁচ নম্বরে। ১৫ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইংল্যান্ডের প্রথম টেস্ট জয়ের ম্যাচে ব্রুক ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। প্রথম ইনিংসে ৩৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি, যেখানে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা। পরে ১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায় অপরাজিত ১৮ রান করে দলকে জয়ের পথে রাখেন। আরও পড়ুন সাকিবের দেশে ফিরতে না পারা নিয়ে যা বলছে বিসিবি ব্যাটারদের তালিকায় উন্নতি হয়েছে আরও কয়েকজন ইংলিশ ক্রিকেটারের। ওপেনার জ্যাক ক্রলি চার ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৩৫তম স্থানে উঠেছেন। একই ম্যাচে ৪০ রানের ইনিংস খেলা জ্যাকব বেথেল ৯ ধাপ এগিয়ে এখন ৭৭ নম্বরে। একই সঙ্গে বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ে ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে যৌথভাবে দ্বিতীয় হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক ও পাকিস্তানের নোমান আলী। বোলারদের মধ্যে শীর্ষস্থান আগের মতোই ভারতের জসপ্রিত বুমরাহর দখলে, তার রেটিং পয়েন্ট ৮৭৯। মেলবোর্ন টেস্টে দুই ইনিংস মিলিয়ে চার উইকেট নেওয়া স্টার্ক এক ধাপ এগিয়ে প্রথমবারের মতো দ্বিতীয় স্থানে উঠেছেন। তার পয়েন্ট ৮৪৩, যা নোমান আলির সঙ্গেও সমান।  কামিন্স দুই ধাপ নেমে এখন চার নম্বরে। অস্ট্রেলিয়ার স্কট বোল্যান্ড পেস সহায়ক উইকেটে পাঁচ উইকেট নিয়ে দুই ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠেছেন। ইংল্যান্ডের গাস অ্যাটকিনসন তিন উইকেট নিয়ে চার ধাপ এগিয়ে ভারতের রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে যৌথভাবে ১৩ নম্বরে আছেন। ব্রাইডন কার্স ছয় ধাপ এগিয়ে ২৩তম এবং ম্যাচসেরা জশ টাং ১৩ ধাপ উন্নতি করে ক্যারিয়ার সেরা ৩০তম স্থানে উঠেছেন। টেস্ট অলরাউন্ডারদের তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন জাদেজা। তার পরেই আছেন সাউথ আফ্রিকার মার্কো জানসেন ও ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস। স্টার্কের অবনমনের সুযোগে এক ধাপ এগিয়ে চার নম্বরে উঠেছেন বাংলাদেশের মেহেদী হাসান মিরাজ। আরটিভি/এসআর
ক্যারিয়ার সেরা অবস্থানে স্টার্ক, রুটের পরেই ব্রুক
খালেদা জিয়ার জন্য জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের দোয়া মাহফিল
বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর রাজধানীর সোনালী অতীত ক্লাবে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের সদস্য সচিব জাহেদ পারভেজ চৌধুরীসহ ক্রীড়া দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।  এ ছাড়া সাবেক তারকা ফুটবলার মোহাম্মাদ আসলাম, আলফাজ আহমেদসহ ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সোনালী অতীত ক্লাবের সদস্যরাও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন। দোয়া মাহফিলে মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। পাশাপাশি দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ক্রীড়াঙ্গনের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যু দেশের জন্য অপূরনীয় ক্ষতি। মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া দেশের রাজনীতি ও সমাজে যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন- তা স্মরণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আদর্শ ও মূল্যবোধের চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে৷ তবেই দেশ তার কাঙ্খিত লক্ষে পৌঁছাবে বলে মনে করেন বক্তারা। সেই সাথে খালেদা জিয়ার স্বপ্নের দেশ ( ভালোবাসা, শান্তি ও জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র) গড়তে কাজ করার অঙ্গীকার করেন বক্তারা। আরটিভি/এসআর
খালেদা জিয়ার জন্য জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের দোয়া মাহফিল
এক হালি গোল হজম করে মেজাজ হারালেন মার্টিনেজ
এমিরেটস স্টেডিয়ামে আর্সেনালের কাছে ৪ গোল হজম করেছে অ্যাস্টন ভিলার আর্জেন্টাইন গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। যা হজমে মানতে পারেননি তিনি। ফলে ম্যাচ শেষে ড্রেসিং রুমে ফেরার সময় মেজাজ হারিয়ে বসেন এই গোলরক্ষক। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর টানেলে ফেরার পথে আর্সেনাল সমর্থকদের কটাক্ষের মুখে পড়েন বিশ্বকাপজয়ী এই গোলরক্ষক। সে সময় এক সমর্থক উচ্চস্বরে ‘ইউ আর র‍্যাটল্ড!’ বলে চিৎকার করলে মার্তিনেজ আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। আরও পড়ুন সাকিবের দেশে ফিরতে না পারা নিয়ে যা বলছে বিসিবি ক্ষুব্ধ অবস্থায় দর্শকদের দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকাতে দেখা যায় তাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে টেনে নিয়ে যান। পুরো ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। এদিকে, এই জয়ের মাধ্যমে আর্সেনাল লিগে মাত্র দুইটি হার নিয়ে বছর শেষ করল। ১৯ ম্যাচে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে মিকেল আর্তেতার দল। সমান ম্যাচে ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে অ্যাস্টন ভিলা। আর এক ম্যাচ কম খেলে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি। উল্লেখ্য, অ্যাস্টন ভিলাকে ৪–১ গোলে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে আর্সেনাল। এই হারের মধ্য দিয়ে থেমে গেছে ভিলার টানা ১১ ম্যাচের জয়যাত্রা। আরটিভি/এসআর
এক হালি গোল হজম করে মেজাজ হারালেন মার্টিনেজ
সাকিবের দেশে ফিরতে না পারা নিয়ে যা বলছে বিসিবি
দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন দেশের ক্রিকেটের পোস্টারবয় সাকিব আল হাসান। রাজনৈতিক কারণে দেশে ফিরতে পারছেন না তিনি। সম্প্রতি আবারও জাতীয় দলের হয়ে খেলা ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। ফলে তার দেশে ফেরা নিয়ে প্রশ্ন মুখে পড়েছে বিসিবি পরিচালকরা। সম্প্রতি সাকিবের দেশে ফেরা নিয়ে কথা বলেছেন বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু। তিনি বলেন, এই বিষয়টা নিয়ে মন্তব্য করার মতো আমি কেউ না। এখন আমি বিপিএল নিয়ে কথা বলছি। এটা মূল্যবান প্রশ্ন। এটার জন্য সঠিক কাউকে প্রশ্ন করতে পারেন। এই ঘটনাটা বর্তমান সভাপতির সময় ঘটেনি। তাই বলে যে আমরা বলব বিসিবির এখানে কিছু না সেটা তো না।  ‘এই ঘটনায় রাজনৈতিক প্রভাব ছিল কিনা সেটা তখনকার বোর্ড সভাপতি (ফারুক আহমেদ) বলতে পারবেন। কারণ সভাপতি হিসেবে তখন উনিই সব যোগাযোগ করেছেন।’ আরও পড়ুন বিপিএলের নতুন সূচি প্রকাশ, চট্টগ্রামবাসীর জন্য বড় দুঃসংবাদ  এদিকে সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছিলেন, সাকিব যেন খেলতে না পারে সেটা নিয়ে তিনি বিসিবিতে আলাপ করবেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে তৎকালীন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের সঙ্গে তিনি কথা বলেছিলেন কি না, সেটি নিশ্চিত হন মিঠু।  তবে বর্তমান বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেনের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। তার ভাষ্য, আমার মনে হয় বিষয়টা নিয়ে আমাদের আলাপ করা উচিত। সাকিব দারুণ একজন ক্রিকেটার, বাংলাদেশের সম্পদ, বাংলাদেশ ক্রিকেটের সম্পদ। আজ পর্যন্ত ওর মতো ক্রিকেটার বাংলাদেশে আসেনি। যেহেতু আলাপটা উঠেছে, এটা নিয়ে আমি বিসিবি সভাপতির সঙ্গে আলাপ করব। কিন্তু সভাপতি এবং মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে বিষয়টা নিয়ে কথা বলবে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দেশে ফিরতে না পারায় বিসিবির পাশাপাশি সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং বর্তমান ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে দায়ী করেন সাকিব। সাকিবের অভিযোগ, ক্রিকেট বোর্ডে সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে তার দেশে ফেরা হয়নি। বিষয়টি নিয়মের বাইরে হওয়ায় বিসিবির নিষিদ্ধ হওয়া উচিত বলে মনে করেন সাবেক অধিনায়ক। সাকিবের সেসব অভিযোগের কোনো জবাব দিতে পারেননি বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু।  সাকিব বলেন, আমাকে সরাসরি ক্রীড়া উপদেষ্টা ও আইন উপদেষ্টা গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছিলেন। আমি প্লেনে উঠেছি। বিসিবি থেকে আমাকে পুরো নিশ্চিত করা হয়েছে। (যুক্তরাষ্ট্র থেকে) তারপর আমি প্লেনে উঠেছি। দুবাইয়ে নামার পর তাদের সব জায়গা থেকে আবার বলছে, না, তাদের নাকি ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতির অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। যদি না আসি, তাহলে ভালো হয়। আমি আর যাইনি। বিসিবিতে সরকারের হস্তক্ষেপ হওয়ায় রীতিমতো হতাশা প্রকাশ করেছেন সাকিব। তিনি বলেন, কথা হচ্ছে ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্কই থাকার কথা নয়। আর ক্রিকেট বোর্ড যদি সরকারের ওপর চাপিয়ে দেয়, এর মানে, ক্রিকেট বোর্ডে সরকারের হস্তক্ষেপ আছে। এর অর্থ হলো, বিষয়টা আইসিসিতে যাওয়া উচিত।  তাদের সঙ্গে সঙ্গে নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়া উচিত (হাসি) ! আসলে ওই সাবজেক্টেই যাওয়া উচিত নয়। আমাকে যদি ক্রিকেট বোর্ড ফেরত না নিতে পারে (দেশে), এটা তাদের ব্যর্থতা। ঠিক না? আমার কী করার আছে এখানে? আরটিভি/এসআর
সাকিবের দেশে ফিরতে না পারা নিয়ে যা বলছে বিসিবি
আরও পড়ুন
ডা. তাহেরের চেয়ে স্ত্রীর সম্পদ ৫ গুণ বেশি
বাংলাদেশ-চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে
মালয়েশিয়ায় ঝটিকা অভিযান, ২৭ বাংলাদেশিসহ আটক ১৩৩
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শিল্পকলার সব অনুষ্ঠান তিন দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা