দীর্ঘদিন ধরে পাঁজরের চোটের সঙ্গে লড়াই করছিলেন নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার ডাগ ব্রেসওয়েল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই লড়াইয়ে পরাজিত হয়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
সবশেষ ২০২৩ সালে নিউজিল্যান্ডের হয়ে টেস্ট ম্যাচ খেলেছিলেন ব্রেসওয়েল। চলতি মৌসুমে নিউ জিল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতে পারেননি পাঁজরের চোটের কারণে। যা শেষ পর্যন্ত তাকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।
অবসরের ঘোষণায় ব্রেসওয়েল বলেন, ক্রিকেট আমার জীবনের গর্বের অংশ, আর ছোটবেলা থেকেই আমি এটা স্বপ্ন দেখতাম। ক্রিকেট আমাকে যে সুযোগগুলো দিয়েছে, দেশের হয়ে এবং সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের হয়ে খেলার সুযোগ পেয়েছি—সবকিছুর জন্য আমি কৃতজ্ঞ।
তিনি আরও বলেন, প্রথম শ্রেণির ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা সত্যিই এক বিরাট সৌভাগ্যের বিষয়, আর এতদিন খেলতে ও উপভোগ করতে পারার জন্য নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।
২০১১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ২৮টি টেস্ট, ২১টি ওয়ানডে ও ২০টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ব্রেসওয়েল। ডানহাতি এই পেসারের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত আসে মাত্র তৃতীয় টেস্টেই।
২০১১ সালের ডিসেম্বরে হোবার্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়ে তিনি নিউজিল্যান্ডকে ২৬ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয় এনে দেন। সেটিই এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ায় নিউজিল্যান্ডের শেষ টেস্ট জয়।
মোট ২৮টি টেস্টে ব্রেসওয়েল শিকার করেছেন ৭৪ উইকেট, গড় ৩৮.৮২। সাদা বলের ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ডের হয়ে তাঁর সংগ্রহ ৪৬ উইকেট। ব্রেসওয়েল নিউজিল্যান্ডের অন্যতম খ্যাতনামা ক্রিকেট পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। তার বাবা ব্রেন্ডন ও চাচা জন—দুজনই টেস্ট ক্রিকেটার ছিলেন।
জন ব্রেসওয়েল পরবর্তীতে একাধিকবার নিউজিল্যান্ড দলের কোচের দায়িত্বও পালন করেছেন। অন্য চাচা ডগলাস ও মার্ক খেলেছেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট। ব্রেসওয়েল তার চাচাতো ভাই মাইকেল ব্রেসওয়েলের সঙ্গে দুটি ওয়ানডে ও একটি টেস্ট খেলেছেন। মাইকেল আগামী মাসে ভারতের সফরে নিউজিল্যান্ডের ওয়ানডে দলের অধিনায়কত্ব করবেন। ২০১০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও একসঙ্গে খেলেছিলেন তারা।
আরটিভি/এসআর




