বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) শুরুতে হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করলেও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে সিলেট টাইটান্স। ঘরের মাঠে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের পর এবার ঢাকা ক্যাপিটালসকে ৬ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে তারা।
দিনের প্রথম ম্যাচে টস জিতে সিলেটকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ঢাকা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। জবাবে ঢাকা ক্যাপিটালসের ইনিংস থেমে যায় ১৬৭ রানে।
সিলেটের ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি। দলীয় ১৫ রানে ওপেনার রনি তালুকদার (৭ বলে ১১) ফিরলে এরপর দ্রুত সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ (৬)। চাপের মুখে সাইম আইয়ুব ও পারভেজ হোসেন ইমন ৬৪ রানের জুটি গড়ে দলকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। তবে সাইম ৩৪ বলে ২৯ রান করে আউট হন এবং অল্প সময়ের ব্যবধানে ৩২ বলে ৪৪ রান করা ইমনও সাজঘরে ফেরেন।

এরপর আফিফ হোসেন ১৩ রান করে আউট হলেও শেষদিকে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও ইথান ব্রুকস ঝড় তোলেন। পঞ্চম উইকেটে ৫১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে সিলেটকে লড়াকু সংগ্রহ এনে দেন তারা। ওমরজাই ২৪ বলে অপরাজিত ৫০ রান করেন, যেখানে এক ওভারেই সালমান মির্জার কাছ থেকে আদায় করেন ২২ রান। ব্রুকস ৬ বলে করেন ১৩ রান।
১৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মোহাম্মদ আমিরের আগুনঝরা বোলিংয়ে বিপর্যস্ত শুরু পায় ঢাকা। প্রথম দুই ওভারে মাত্র ১ রান তুলতেই হারায় ১ উইকেট। এরপর সাইফ হাসান ও উসমান খান কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। মাত্র ৪৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় ঢাকা ক্যাপিটালস।
তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান শামীম হোসেন পাটোয়ারী। শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২৭ রান। আমিরের করা সেই ওভারে তিনটি চার ও একটি ছক্কায় ২০ রান তুললেও দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারেননি তিনি। ৪৩ বলে অপরাজিত ৮১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন শামীম।
ঢাকার পক্ষে সালমান মির্জা নেন ২ উইকেট। এছাড়া তাসকিন আহমেদ, সাইফ হাসান ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন একটি করে উইকেট শিকার করেন। তবে শেষদিকে তাসকিন ও সালমান দুজনেই ৪ ওভারে ৪৬ রান করে দেন, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এই জয়ে আত্মবিশ্বাসী সিলেট টাইটান্স পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করল।
আরটিভি/এসকে




