সিলেট টাইটান্সের বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে বিপিএল ২০২৬-এ নোয়াখালী এক্সপ্রেস অলআউট হয়েছে মাত্র ৬১ রানে। টানা তিন ম্যাচ হারের পর চতুর্থ ম্যাচেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া নোয়াখালীর ইনিংস শেষ হয়েছে ১৪.২ ওভারে।
নাসুম একাই পাঁচ উইকেট নিয়েছেন মাত্র ৪ ওভারে মাত্র ৭ রানের খরচায়। শুরুতেই সৌম্য সরকারকে আউট করার পর ১১তম ওভারে হায়দার আলীকে ফেরান তিনি। ১৩তম ওভারে টানা দুই বল মেহেদী হাসান রানা ও জহির খানকে আউট করে দারুণ এক অবস্থান তৈরি করেন। হ্যাটট্রিক করতে না পারলেও ৮ বলে ৫ উইকেট শিকার করে নাসুম দলের জয়লাভের পথ কঠিন করে দেন।
নোয়াখালীর ইনিংস শুরু থেকেই দুর্বল ছিল। ৪ উইকেটে ৪৬ রান করে সাময়িক প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও নাসুমের স্পিনে ১৫ রানেই শেষ ৬ উইকেট পড়ে যায়। ইনিংস সেরা ২৫ রান করা মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে আউট করে ১৫তম ওভারে নোয়াখালীর লুটতরাজ শেষ হয়।
বিপিএলে এটি নোয়াখালীর ইতিহাসে চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় রান। ২০১৯ সালে কুমিল্লার ৬৩ রানের পর এটি সর্বনিম্ন। এর আগে খুলনার ৪৪ রানের রেকর্ড ছিল সর্বনিম্ন দলীয় রান।
নোয়াখালীর চার ব্যাটারই ডাকা খেলে ফেরেন। মাহিদুল ছাড়া দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছানো একমাত্র ব্যাটার ছিলেন হাবিবুর রহমান সোহান, যিনি ১৮ রান করেন।নোয়াখালীর ব্যাটিং ভাঙনের মধ্য দিয়ে সিলেট টাইটান্সের স্পিনার নাসুমের ফাইন লড়াই দর্শকদের নজর কাড়ল।
আরটিভি/এসকে




