ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

আসিফ মাহমুদের সময় ফেডারেশনে অনিয়ম, অযোগ্যদের উপস্থিতি বাড়ার অভিযোগ

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:২৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের ক্রীড়াঙ্গনে মাঠের উত্তেজনা যেমন আলোচিত, তেমনি প্রশাসনিক নীরব অন্দরমহলও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠেছে। সম্প্রতি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের ভেতরের কার্যক্রম ও কমিটি গঠন নিয়ে যে অভিযোগ ও প্রশ্ন উঠেছে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের ভেতরে যে আলোচনা, অভিযোগ এবং অদৃশ্য ক্ষমতার টানাপোড়েন সামনে এসেছে, তা শুধু সংগঠনগত দ্বন্দ্ব নয় বরং ক্রীড়া প্রশাসনের গভীর কাঠামোগত বাস্তবতার এক উন্মোচন।

ক্রীড়া মহলে অভিযোগ রয়েছে, সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সময় ক্রীড়া প্রশাসনের ভেতরে ও বাইরে নানা মহলে অভিযোগ, তার সময়কালে একাধিক ফেডারেশনে কমিটি গঠন ও পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার, অনিয়ম এবং অযোগ্য ব্যক্তিদের আধিক্য বেড়েছিল। যদিও এসব অভিযোগের আনুষ্ঠানিক নিষ্পত্তি হয়নি, তবু ক্রীড়াঙ্গনের আলোচনায় অভিযোগটি যেন স্থায়ী হয়ে গেছে। ক্রীড়া প্রশাসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত কমিটি গঠনের অদৃশ্য নেটওয়ার্ক। অভিযোগ রয়েছে, সজীবের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত স্টাফ মাহফুজ আলম এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের একান্ত সচিব সাইফুল ইসলাম বিভিন্ন ফেডারেশনে কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন।

কখনো রাজনৈতিক প্রভাব, কখনো আর্থিক লেনদেন, আবার কখনো ব্যক্তিগত যোগাযোগের বলয়-এই সব কিছুর সমন্বয়ে অনেক সিদ্ধান্ত দ্রুত অনুমোদন পেত। ফলে গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার চেয়ে প্রভাবের শক্তিই বেশি কার্যকর হয়ে উঠেছিল, এমন অভিযোগ ক্রীড়াসংশ্লিষ্টদের।

বাংলাদেশের ক্রীড়া প্রশাসনে ‘কমিটি রাজনীতি’ নতুন কিছু নয়। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে একই ধরনের অভিযোগ বারবার সামনে আসায় বিষয়টি আর বিচ্ছিন্ন নয়, বরং একটি প্রবণতা বলেই মনে করছেন অনেকে।

অভিযোগ আছে, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাবেক সচিব আমিনুল ইসলাম এবং বর্তমান পরিচালক (ক্রীড়া) আমিনুল এহসানের নামে। প্রশাসনিক অনুমোদন ছাড়া কোনো ফেডারেশনের কমিটির পরিবর্তন হয় না। ফলে তাদের সমর্থন ছাড়া কমিটি পুনর্গঠন বাস্তবে সম্ভব ছিল না। ক্রীড়া মহলের আলোচনায় প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই গেছে।

ফেডারেশনগুলোর ভেতরের বাস্তবতা নিয়ে অনেক কর্মকর্তা, খেলোয়াড় ও সংশ্লিষ্টদের বর্ণনায় উঠে এসেছে এক ধরনের অস্বস্তিকর চিত্র। ক্রীড়া প্রশাসনে সীমিত অভিজ্ঞতা থাকা ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখা গেছে। মনোনয়ন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ছিল না, এমন অভিযোগ রয়েছে। খেলোয়াড় ও কোচদের মতামত গুরুত্ব পায়নি। ফলে ধীরে ধীরে কিছু ফেডারেশন খেলাধুলার উন্নয়নকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশাসনিক ক্ষমতার বলয়ে পরিণত হয়েছে, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্ট অনেকেই।

আরও পড়ুন

নির্বাচনের পর এখন আলোচনায় এসেছে পরিবর্তনের আভাস। কিছু ফেডারেশনে পদত্যাগ, পুনর্গঠন এবং নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। কারণ নিয়ে মতভেদ রয়েছে, কারও মতে প্রশাসনিক চাপ, কারও মতে রাজনৈতিক বাস্তবতার রূপান্তর, আবার অনেকে বলছেন, এটি দীর্ঘদিন জমে থাকা অসংগতির স্বাভাবিক পরিণতি।

একটি বিষয় স্পষ্ট, বাংলাদেশের ক্রীড়া প্রশাসন এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। মাঠের সাফল্য যেমন দর্শকদের উল্লাস এনে দেয়, তেমনি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা আনে স্থায়ী উন্নয়ন। প্রশ্ন এখন শুধু একটি-এই পরিবর্তনের স্রোত কি সাময়িক ঢেউ, নাকি সত্যিই নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা?

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন ইশরাক
বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটিন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাতীয় সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মাহফুজ হাসান। তাদের আগামী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খানের সই করা এক আদেশে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জারি করা এ আদেশের তারিখ থেকেই নতুন অ্যাডহক কমিটি কার্যকর হবে। আদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটির নির্বাচন আয়োজন এবং নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের লক্ষ্যে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন না করায় বিদ্যমান অ্যাডহক কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮ (২০২৬ সালের সংশোধনীসহ)-এর ২১ ধারা এবং ২(৪) ও ২(৮) ধারায় বর্ণিত পরিষদের চেয়ারম্যানের ওপর অর্পিত ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে একই আইনের ১৪(৩) ধারা অনুসরণে। কমিটিতে চারজন সহসভাপতি করা হয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার, ক্রীড়াবিদ ও সংগঠক মো. মনিরুল ইসলাম, মল্লিক গ্রুপের সিইও প্রকৌশলী মো. আব্দুল হালিম এবং ক্রীড়া সংগঠক মোহাম্মদ তারিকুল আলম। এ ছাড়া বিশিষ্ট শিল্পপতি ও ক্রীড়া সংগঠক মো. শহীদুল ইসলাম এবং ক্রীড়া সংগঠক শাহেদ ওয়াহেদ আলী সহসভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন। কমিটির সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জাতীয় স্যান্ডো ও কোরাস প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়, বিচারক ও সংগঠক মাহফুজ হাসান। যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন ক্রীড়া সংগঠক মো. শাহাদাত হোসেন খান ও সাঈদ মো. আলভী। কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে আরবিএফসি ফাইট প্রমোশনের চেয়ারম্যান ও চ্যাম্পিয়ন এজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাবিবুল্লাহ পারভেজকে। তিনি জাতীয় শিক্ষক, আন্তর্জাতিক রেফারি ও বিচারক এবং ক্রীড়াবিদ ও সংগঠক হিসেবেও পরিচিত। কমিটির সদস্যরা হলেন— আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট মো. তাইফুর রহমান (সুমন), ক্রীড়া সংগঠক মো. বাবুল আহমেদ রুবেল, মো. মহিউদ্দিন, তাসলিমা চৌধুরী রিতা, জাতীয় হুইট কুইন কাই প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড় ও বিচারক পারভীন আক্তার, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়, বিচারক, ক্রীড়াবিদ ও সংগঠক আমিরুল ইসলাম, সাবেক জাতীয় খেলোয়াড় ও শিক্ষক হাসনা হেনা হ্যাপি।আইন নির্দেশিকা দেখুন এ ছাড়া সদস্য হয়েছেন— সাবেক জাতীয় কোচ, আন্তর্জাতিক কালো বেল্টধারী ও দক্ষিণ কোরিয়াসংশ্লিষ্ট ক্রীড়াবিদ ও সংগঠক মো. আরিফ হোসেন, শহীদ সজলের ভাই মো. সেলিম মাহমুদ, কোচ ও ক্রীড়া সংগঠক মো. নাজমুস সাকিব, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পদকপ্রাপ্ত মার্শাল আর্ট খেলোয়াড় এবং আমাস ফাইট স্টুডিওর প্রতিষ্ঠাতা নাদিম মাহমুদ, ক্রীড়া সংগঠক মঞ্জুর হোসেন বাদল, রাশ ও কমব্যাট উশুর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড় ও বিচারক জুয়েল রক্ষিত। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বাক্সো মার্শাল আর্টের প্রতিষ্ঠাতা, জাতীয় শিক্ষক, রেফারি, বিচারক ও সংগঠক মো. খাইরুল হাসান, ক্রীড়া সংগঠক মো. আছরার আহমেদ, এমএমএ রেফারি ও বিচারক এবং ইনফ্লুয়েন্সিং কমিউনিকেশনসের অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত আরমানুল করিম আবীর, এমএমএ রেফারি ও বিচারক এবং অল বাংলাদেশ ন্যাশনাল মিক্সড মার্শাল আর্ট অ্যাসোসিয়েশনের আইন উপদেষ্টা হোসেন অংকুর আন্দালিব এবং ক্রীড়া সংগঠক মো. পলাশ। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আরও বলেছে, নতুন অ্যাডহক কমিটি আদেশ জারির পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে। আরটিভি/এসআর  
মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন ইশরাক
ফারিহার স্বপ্নপূরণে পাশে দাঁড়ালো মহিলা ক্রীড়া সংস্থা
দারিদ্র্য আর নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে ফুটবলে নিজের প্রতিভার জানান দিয়েছে ছোট্ট জান্নাতুল ফেরদৌস ফারিহা। ‘নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতা ২০২৬’-এ হয়েছে সেরা ফুটবলার। এবার তার ফুটবলার হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা।  ফারিহার বিকাশে এক বছরের জন্য প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেবে সংস্থাটি। শুধু তা-ই নয়, ফুটবল সরঞ্জাম, জার্সি, বুট ও ট্র্যাকস্যুটের পাশাপাশি তার উন্নত চিকিৎসার সব ব্যয়ও বহন করার ঘোষণা দিয়েছে তারা। বিশ্বকাপ দলকে সংবর্ধনা, খেলোয়াড়-কোচদের এক লাখ টাকার পুরস্কারবিশ্বকাপ দলকে সংবর্ধনা, খেলোয়াড়-কোচদের এক লাখ টাকার পুরস্কার বাকপ্রতিবন্ধী বাবার ও দিনমজুর মায়ের সন্তান ফারিহা।  সীমিত সামর্থ্য আর নানা বাধার মধ্যেও ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা ও প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে সে। তার এই প্রতিভা যেন আর্থিক সংকটের কারণে থেমে না যায়, ফুটবল চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ যেন নিশ্চিত হয়-সেই লক্ষ্যেই পাশে দাঁড়িয়েছে মহিলা ক্রীড়া সংস্থা। মঙ্গলবার ধানমন্ডির রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফারিহার জন্য এই সহায়তার ঘোষণা দেন সংস্থার সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা। এ সময় সাধারণ সম্পাদক শারমিন আক্তার রত্নাসহ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মহিলা ক্রীড়া সংস্থার এমন উদ্যোগে উচ্ছ্বসিত ফারিহা। আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম পাওয়ার আশ্বাস তার ফুটবলে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে। ভবিষ্যতে নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনতে চায় এই ক্ষুদে ফুটবলার। সংস্থাটির প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও পরিচর্যা পেলে একদিন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে ফারিহা। আরটিভি/এসআর  
ফারিহার স্বপ্নপূরণে পাশে দাঁড়ালো মহিলা ক্রীড়া সংস্থা
রাতে এমবাপ্পের রেকর্ড ভাঙার বিশাল সুযোগ, কাজে লাগাতে পারবেন কী ইয়ামাল
চ্যাম্পিয়নস লিগের সবশেষ ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজির বিপক্ষে বাজেভাবে হেরেছিল বার্সেলোনা। এবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অ্যাস্টোন ভিলার বিপক্ষে মাঠে নামতে যাচ্ছে কাতালানরা। আর এই ম্যাচে গোল করে এমবাপ্পের রেকর্ড ভাঙার সুযোগ পাচ্ছে লামিন ইয়ামাল। বয়স ২০ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় চূড়ায় পৌঁছানোর সুযোগ এখন তাঁর সামনে। বর্তমানে ১৩টি গোল নিয়ে ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছেন তিনি।  মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ক্যাম্প ন্যুতে বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচে একটি গোল করতে পারলেই এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে ২০ বছরের কম বয়সী ফুটবলারদের মধ্যে এককভাবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে উঠবেন ইয়ামাল। কয়েক দিন আগেই এই দুই মহাতারকা মুখোমুখি লড়াইয়ে ছিলেন ব্যালন ডি’অরের জন্য। শেষ পর্যন্ত ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইনের হাতে ব্যালন ডি’অর উঠলেও নতুন এই রেকর্ড ঘিরে আবারও আলোচনায় ইয়ামাল ও এমবাপ্পে। গত সপ্তাহে পিএসজির বিপক্ষে গোল করে ফরাসি তারকার ১৩ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছিলেন ইয়ামাল। আজ রাতে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে গোল পেলেই তিনি এমবাপ্পেকে টপকে যাবেন।  অবশ্য রেকর্ডটি এককভাবে নিজের করে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়োর কোনো চাপ নেই এই উইঙ্গারের ওপর; কারণ আগামী বছরের ১৭ জুলাই তার বয়স ২০ স্পর্শ করবে। অর্থাৎ চলতি পুরো মৌসুমজুড়েই এই রেকর্ডকে আরও উঁচুতে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। অনূর্ধ্ব-২০ বয়সে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গোলের এই পরিসংখ্যানটি আরও চমকপ্রদ হয়ে ওঠে পেছনের নামের তালিকা দেখলে। ইয়ামাল ও এমবাপ্পের ঠিক পরেই ১০টি গোল নিয়ে অবস্থান করছেন নরওয়েজীয় তারকা আর্লিং হলান্ড। এ ছাড়া এই বয়সে ৬টি করে গোল করার কীর্তি ছিল জুড বেলিংহাম, প্যাট্রিক ক্লাইভার্ট, করিম বেনজেমা ও রাউল গঞ্জালেসের মতো তারকাদের। অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে ম্যাচের আগে দারুণ ছন্দে ও আত্মবিশ্বাসে টগবগ করছেন ইয়ামাল। গত শনিবার লা লিগায় আলাভেসকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার ম্যাচে জোড়া গোল করার পাশাপাশি ফার্মিন লোপেসকে দিয়ে এক গোল করিয়েছিলেন তিনি।  চলতি মৌসুমে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে মাত্র তিন মাসের ব্যবধানেই এটি ছিল এক ম্যাচে ইয়ামালের তিনটি করে গোলে সরাসরি অবদান রাখার পঞ্চম ঘটনা। সব মিলিয়ে এই মৌসুমে ইতিমধ্যেই ১২টি গোল ও ১১টি অ্যাসিস্ট সম্পন্ন করে ফেলেছেন বার্সেলোনার এই তরুণ সেনসেশন। ইতিমধ্যেই চ্যাম্পিয়নস লিগে ১৮ ও ১৯ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ড ইয়ামালের দখলে। আজ রাতে ভিলা পার্কে কেবল অপেক্ষা—এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে অনূর্ধ্ব-২০ গোলের সর্বকালের রেকর্ডটিও এককভাবে নিজের নামে লিখে নেওয়ার। আরটিভি/এসআর  
রাতে এমবাপ্পের রেকর্ড ভাঙার বিশাল সুযোগ, কাজে লাগাতে পারবেন কী ইয়ামাল
চ্যাম্পিয়নস লিগে রাতে মাঠে নামছে বার্সেলোনা, ফ্রিতে খেলা দেখবেন যেভাবে
চ্যাম্পিয়নস লিগের সবশেষ ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজির বিপক্ষে বাজেভাবে হেরেছিল বার্সেলোনা। এ ছাড়াও লা লিগায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হারের পর কিছু ব্যাকফুটে রয়েছে কাতালানরা। এর মাঝেই চ্যাম্পিয়নস লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অ্যাস্টোন ভিলার বিপক্ষে মাঠে নামতে যাচ্ছে রাফিনিয়ারা। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ক্যাম্প ন্যুতে বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি। এই ম্যাচে জয় পেতে মরিয়া স্বাগতিকরা। কারণ, এই ম্যাচে পয়েন্ট হারালে সেরা আট থেকে নিচে নেমে যাবে বার্সেলোনা। তবে লামিন-রাফিনিয়ারা ছন্দে থাকায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বেশ আত্মবিশ্বাসী লা লিগা চ্যাম্পিয়নরা। বার্সা কোচ হ্যান্সি ফ্লিক বলেন, দুই ম্যাচ হেরে আমাদের লক্ষ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। এটা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং আমরা টেবিলের প্রথম আটে পৌঁছাতে চাই, এটাই আমাদের লক্ষ্য এটা আমরা অর্জন করতে চাই এবং আমরা সেজন্যই পরিশ্রম করছি। যেখাবে দেখবেন খেলা বাংলাদেশ থেকে দর্শকরা রাত ২টায় মিনিটে ম্যাচটি সরাসরি বিগিন অ্যাপের মাধ্যমে উপভোগ করতে পারবেন। অন্যান্য অনলাইন উপায়: yalla1shoot ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক-ইউটিউবে সার্চ অপশনে ‘aston villa vs Barcelona live match today’ লিখে খোঁজ করলে কিছু চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার দেখা যেতে পারে। আন্তর্জাতিক অনলাইন স্ট্রিমিং বিকল্পসমূহ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে রিয়াল মাদ্রিদ বনাম বার্সেলোনার এই এল ক্লাসিকোটি স্ট্রিম করা হবে। স্ট্রিমিং সার্ভিসগুলোর মধ্যে রয়েছে: FawaNews, Tabii, ScoreBat.com, SportyTv, SonyLIV app, 1xBet, Score808.com, DAZN Canada, Optus Sport, Sling TV, RaiPlay, Yeacin Tv। বিশেষ টিপস: আপনার ভৌগোলিক অবস্থান থেকে ম্যাচটি দেখা না গেলে, VPN (Virtual Virtual Private Network) ব্যবহার করে আপনি বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে স্ট্রিমিং পরিষেবাগুলো অ্যাক্সেস করতে পারবেন। আরটিভি/এসআর  
চ্যাম্পিয়নস লিগে রাতে মাঠে নামছে বার্সেলোনা, ফ্রিতে খেলা দেখবেন যেভাবে
বড় চমক দিয়ে এশিয়া কাপের দল ঘোষণা করল বিসিবি
আগামী ১৯ নভেম্বর কাতারে শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্স। আসন্ন এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সের জন্য বাংলাদেশ ‘এ’ দলের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।  মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ঘোষিত দলে জায়গা পেয়েছেন সাব্বির রহমান। এ ছাড়া জাতীয় দলে খেলা বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার আছেন ১৯ সদস্যের এই দলে। ‘এ’ গ্রুপে আছে বাংলাদেশ ‘এ’, শ্রীলঙ্কা ‘এ’, আফগানিস্তান ‘এ’ ও হংকং। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল উঠবে সেমিফাইনালে। ২৬ ও ২৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে শেষ চারের লড়াই। বাংলাদেশ ‘এ’ দল :  নাঈম শেখ, মাহমুদুল হাসান জয়, ইফতেখার হোসেন ইফতি, শাহাদাত হোসেন দিপু, ইয়াসির আলী চৌধুরী, সাব্বির রহমান, মোহাম্মদ পারভেজ হোসেন ইমন, ইরফান শুক্কুর, সামিউন বসির রাতুল, রকিবুল হাসান, রুবেল, রিপন মন্ডল, ইকবাল হোসেন ইমন, চৌধুরী মো. রিজওয়ান, মো. সাইফউদ্দিন, মো. জাকির হাসান, আফিফ হোসেন ধ্রুব, এস এম মেহেরব, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। আরটিভি/এসআর
বড় চমক দিয়ে এশিয়া কাপের দল ঘোষণা করল বিসিবি
আরও পড়ুন
মার্শাল আর্ট কনফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হলেন ইশরাক
শিল্প-কারখানা ধ্বংস করে তো লাভ নেই : নাজমা আক্তার
৩৫তম জাতীয় সাঁতার, ডাইভিং ও ওয়াটার পোলো প্রতিযোগিতা শুরু
জাতীয় সাঁতারে পদকজয়ীদের প্রাইজমানি উধাও