ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষ না করেই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। তবে ছাত্র আন্দোলনের মুখে পতন হয় দলটির, বর্তমানে রাজনৈতিক কার্যক্রমও নিষিদ্ধ। ফলে প্রশ্ন ওঠে দল পরিবর্তন করে আবারও রাজনীতিতে ফিরবেন কিনা।
কিন্তু বিশ্বসেরা এই ক্রিকেটার স্পষ্ট করে জানিয়েছেন তার একমাত্র পছন্দ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। তার মতে ‘দল পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছা তার কোনোকালেই ছিল না এবং ভবিষ্যতেও নেই।’
সম্প্রতি দেশের বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
সাকিব বলেন, আমার এত দল পরিবর্তন করার শখ নেই। আমি যখন ছোট কোনো দলেও খেলেছি, সেই দলের প্রতি অনুগত ছিলাম। আমার পল্টি দেওয়ার অভ্যাস নেই।
আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজীবন কি কেউ কাউকে নিষিদ্ধ করে রাখতে পারে? এটা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। জোর করে কিছুদিন দমিয়ে রাখা সম্ভব হলেও তাতে দেশের বা রাজনীতির কোনো উন্নতি হয় না।
তিনি বলেন, যদি আমরা আগে ভুল করে থাকি এবং এখন সেটির পুনরাবৃত্তি হয়, তবে এই খেলা চলতেই থাকবে। কাউকে না কাউকে এই ধারা শেষ করতে হবে। যে দল এটি শেষ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে, তারাই মানুষের মনে জায়গা করে নেবে।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া সাকিবের সংসদীয় মেয়াদ ছিল মাত্র সাত মাস। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে তিনি দেশের বাইরে থাকলেও মাগুরার মানুষকে নিয়ে এখনো স্বপ্ন দেখেন তিনি।
সাকিব বলেন, আমার শতভাগ বিশ্বাস আছে, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে মাগুরার মানুষ আমাকে আবারও ভোট দেবে। আমি তো এবারের (অন্তর্বর্তী সরকার পরবর্তী সম্ভাব্য) নির্বাচনেও অংশ নিতে আগ্রহী ছিলাম। ভেবেছিলাম ভোটে দাঁড়িয়েই নিজের জনপ্রিয়তা দেখিয়ে দেব। কিন্তু পারিপার্শ্বিকতা ও দলের সিদ্ধান্তের কারণে তা সম্ভব হয়নি
আরটিভি/এসআর



