প্রমাণ করতে পারলে অ্যাকশন নিন, না হলে রিলিজ দিন: সাকিব

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

রোববার, ০৩ মে ২০২৬ , ০৫:৪৩ পিএম


প্রমাণ করতে পারলে অ্যাকশন নিন, নাহলে রিলিজ দিন: সাকিব
সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

পুরো ক্রিকেট ক্যারিয়ার জুড়ে বিতর্ক ও আলোচনার ওপর ছিলেন সাকিব আল হাসান। ক্রিকেটের বাইরে সবচেয়ে বেশি বিতর্কিত হয়েছিলেন শেয়ারবাজারে নাম লিখিয়ে। বর্তমানে তার দেশে ফিরের পথে যেসব কাটা রয়েছে তার মধ্যে একটি হলো শেয়ার মার্কেটে কারসাজির অভিযোগ।

তবে দেশের ক্রিকেটের পোস্টারবয় খ্যাত এই তারকা অভিযোগ তুলেছেন, দুই বছরেও কেন তার শেয়ার বাজারের কারসাজির অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেনি?

সম্প্রতি দেশের বেসরকারি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

সাকিব জানিয়েছেন, মাঝেমধ্যে নিউজে আসে যে অনেক সমস্যা আছে, কিন্তু কেউ বিস্তারিত বলতে পারে না। কেউ বলল যে, ‘শেয়ার মার্কেটের কারসাজি আছে।’ তো সেটা কি? দুই বছর ধরে কেউ কিছু প্রমাণ করতে পেরেছে? রাজনৈতিক মামলা একটা আছে, হত্যা মামলা। সেটাও তো দেড় বছরে কিছু এগোয়নি! 

আরও পড়ুন

‘আর একটা চেক বাউন্সের মামলা আছে, সেটা একদম বেসিক জিনিস, যদি আপনি ইনস্টলমেন্ট না দিতে পারেন, সাইন করা যে চেকগুলো থাকে, ওটা নিয়ে ব্যাংক মামলা করে। সেটা খুবই নরম্যাল ব্যাপার এবং এটা রিশিডিউলও করা যায়, টাকা দিলে সেই মামলা বন্ধ হয়ে যায়। আমি যে সেটা করব, আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রেখেছে ফ্রিজ করে।’

তিনি বলেন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ কেন? হয়তো তাদের মনে হয়েছে, তদন্তের স্বার্থে ফ্রিজ করা দরকার। এখন তো দেড় বছর হয়ে গেল সেই তদন্ত! কিছুই তো এখনও পর্যন্ত পায়নি! আমার বিশ্বাস, কিছুই পাওয়ার কোনো চান্স নাই।

সাকিব জানিয়ে দ্রুত তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্ত করা উচিত। তার ভাষ্য, লোকের কথা শুনলে মনে হয় যে, আমার কয়েক হাজার সমস্যা এবং সমস্যা সমাধান করতে কয়েক দশক লেগে যাবে। আসলে ইচ্ছে থাকলে কতদিন লাগতে পারে? তদন্ত করে দোষ প্রমাণিত হলে অ্যাকশন নিন। তদন্তে কিছু না পেলে ক্লিয়ারেন্স দিন, রিলিজ দিন। 

‘আমার অ্যাকাউন্ট ওপেন হয়ে গেলে রিশিডিউল করে আমি কালকেই এটা জমা দিয়ে দিলে পরশুদিন ওরা মামলা তুলে নেবে!’

সাকিবের দেশে না ফেরার পেছনে বড় বাধা হলো হত্যা মামলা। ছাত্র আন্দোলনের সময় নিহত রুবেল হত্যায় সাকিবকে আসামী করে মামলা করা হয়েছে। যার ফলে দেশে ফিরে গ্রেপ্তার হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

এ নিয়ে সাকিব বলেন, হত্যা মামলাটিও এখন সাধারণ অবস্থায় আছে। আইন মন্ত্রণালয় অথবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তাদের কাছে একটা নির্দেশনা যাবে যে, মামলাটিতে তার যোগসূত্রতা আছে নাকি নাই। যেহেতু এখনও চার্জশিট হয়নি, আমার যোগসূত্রতা না পেলে ছেড়ে দেবে।

আদাবর থানায় হওয়া মামলা নিয়ে তিনি বলেন, যেখানকার ঘটনায় মামলা, সেই আদাবরে তো জীবনেও গিয়েছি বলে মনে পড়ে না। আমার সম্পৃক্ততা যদি না থাকে, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দিতে পারে যে, এটাতে তার যোগসূত্র নাই। এটার জন্য কতদিন লাগতে পারে? দুই বছর হতে চলেছে!

তিনি আরও বলেন, যদি তারা মনে করে, আমি কানাডায় বসে ফোনে ফোনে দুনিয়ার বিশাল একটা মাফিয়া গোষ্ঠী নিয়ে বিশাল একটা ইয়ে করেছি, সেটা যদি তারা প্রমাণ দেখায়, তাহলে ঠিক আছে, বিচার করুক! সদিচ্ছা থাকলেই সব হয়।

আরটিভি/এসআর

 

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission