সিলেট টেস্টে আগে ব্যাট করতে নেমে নিজেদের সেরাটা দিতে পারেনি টাইগারদের টপ অর্ডার। ১৫০ রানে অলআউট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হলে, দলের হাল ধরেন লিটন। তার ব্যাটে ভর করে ২৭৮ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। শেষ বিকেলে ব্যাট করতে নেমে ২১ রান তুলেছে পাকিস্তান।
এতে ২৫৭ রানে এখন গিয়ে থেকে দিন শেষ করেছে টাইগাররা। ২০ বলে ১৩ রান করে আজান ও ৮ রানে অপরাজিত আছেন আব্দুল্লাহ ফজল।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। তবে মুমিনুলকে সঙ্গে নিয়ে রান তুলতে থাকেন অভিষিক্ত তানজিদ তামিম।
তবে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম ইনিংসটা লম্বা করতে পারেননি তিনি। ৩৪ বলে ২৬ রান করে ফেরেন এই বাঁ-হাতি ওপেনার। এদিন পিচে থাকতে পারেননি অভিজ্ঞ মুমিনুল হকও। ৪১ বলে ২২ রান করে খুরামের বলে বোল্ড আউট হন তিনি।
এরপর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। দুজনের ব্যাটে ভর করে প্রথম সেশনে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০১ রান তুলেছে টাইগাররা। তবে লাঞ্চ বিরতির পর দ্বিতীয় সেশন শুরু হলে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিকরা।
৭৪ বলে ২৯ রান করে কট আউট হন শান্ত। এরপর নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি মুশফিকও। ৬৪ বলে ২৩ রান করে লেগ বিফোরে কাটা পড়েন তিনি। এরপর ৪ রান করে মিরাজ আউট হলে ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।
ছয় নম্বরে ব্যাট করতে নেমে দলের হাল ধরেন লিটক কুমার দাস। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন তাইজুল ইসলাম। দুজনের ব্যাটে ভর করে দ্বিতীয় সেশন শেষে ৬ উইকেটে ১৬৮ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
তৃতীয় সেশনের শুরুতে সাজঘরে ফেরেন তাইজুল ইসলাম। ৪০ বলে ১৬ রান করেন এই স্পিনার। এরপর ১৩ বলে ৭ রান করে আউট হন তাসকিন। কিন্তু নিজের অপর প্রান্ত আগলে রেখে সেঞ্চুরি দিকে এগোতে থাকেন লিটন। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ১৩৫ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি।
১৬ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ১৫৯ বলে ১২৬ রানে আউট হন তিনি। এরপর নাহিদ রানা শূন্য রানে আউট হলে ২৭৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
আরটিভি/এসআর



